নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ অধিশাখার যুগ্ম সচিব মো. এনামুল হক বলেছেন, বাংলাদেশের কৃষিতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসছেন কুমিল্লার কৃষকেরা। আপনারা নিরাপদ খাদ্যের দিকে নজর দিন। কীটনাশকের ব্যবহারের কমাতে কাজ করুন। কৃষি কর্মকর্তারা আন্তরিকতা বাড়িয়ে কৃষকের সঙ্গে বসুন, পরামর্শ দিন। কীভাবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা যায়, ওই বিষয় নিয়ে কথা বলুন। অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করে কৃষক যদি ভালো ফলন পান, তাহলে কেন তারা অতিরিক্ত খরচ করবেন? কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দিনব্যাপী জেলা ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার কুমিল্লা শহরতলীর একটি মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক কৃষিবিদ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মিজানুর রহমান। কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মো. ইমরান আহমেদের সঞ্চালনায় প্রকল্পের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের প্রকল্প পরিচালক মো. রাশেদ হাসনাত ও বি স্ট্রং প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএডিসি কুমিল্লার যুগ্ম পরিচালক(সার) মো. বদর উদ্দিন ভূঁইয়া। কারিগরি সেশন পরিচালনা করেন মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা ইনস্টিউিটের আঞ্চলিক গবেষক ড. এস এম জুবায়ের আল আরমান, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মামুন উর রশিদ এবং কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন ভূঁইয়া। কর্মশালায় কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষক, সার ডিলার, বীজ ডিলার, মৃত্তিকা সম্পদ, গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ ২৫০ জন অংশগ্রহণ করেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ অধিশাখার যুগ্ম সচিব মো. এনামুল হক বলেছেন, বাংলাদেশের কৃষিতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসছেন কুমিল্লার কৃষকেরা। আপনারা নিরাপদ খাদ্যের দিকে নজর দিন। কীটনাশকের ব্যবহারের কমাতে কাজ করুন। কৃষি কর্মকর্তারা আন্তরিকতা বাড়িয়ে কৃষকের সঙ্গে বসুন, পরামর্শ দিন। কীভাবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা যায়, ওই বিষয় নিয়ে কথা বলুন। অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করে কৃষক যদি ভালো ফলন পান, তাহলে কেন তারা অতিরিক্ত খরচ করবেন? কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দিনব্যাপী জেলা ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার কুমিল্লা শহরতলীর একটি মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক কৃষিবিদ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মিজানুর রহমান। কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার মো. ইমরান আহমেদের সঞ্চালনায় প্রকল্পের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের প্রকল্প পরিচালক মো. রাশেদ হাসনাত ও বি স্ট্রং প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএডিসি কুমিল্লার যুগ্ম পরিচালক(সার) মো. বদর উদ্দিন ভূঁইয়া। কারিগরি সেশন পরিচালনা করেন মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা ইনস্টিউিটের আঞ্চলিক গবেষক ড. এস এম জুবায়ের আল আরমান, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মামুন উর রশিদ এবং কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন ভূঁইয়া। কর্মশালায় কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষক, সার ডিলার, বীজ ডিলার, মৃত্তিকা সম্পদ, গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ ২৫০ জন অংশগ্রহণ করেন।