নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে কুমিল্লা-১, ২, ৩, ৪, ৫ ও ৬ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় জামায়াতসহ ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানের কার্যালয়ে এ যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই-বাছাই শেষে এই ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৬০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
কুমিল্লা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জায়েদ আল মাহমুদ, ওমর ফারুক, কাজী মো. ওবায়েদ উল্লাহ, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের বড়ুয়া মনোজিত ধীমন ও জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেকার আহসান; কুমিল্লা-২ আসনে ইসলামিক ফ্রন্টের মো. আবদুস সালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেন, সিরাজুল ইসলাম ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. শাহাবুদ্দিন; কুমিল্লা-৩ আসনে গণ অধিকার পরিষদের মনিরুজ্জামান ও জামায়াত ইসলামের মো. ইউসুফ সোহেল; কুমিল্লা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের আ. করিম ও আমজনতার দলের মাসুদ রানা; কুমিল্লা-৫ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল ক্বাফী এবং কুমিল্লা-৬ আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কামরুন্নাহার সাথী ও ইসলামী আন্দোন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ হারুনুর রশিদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়া মনোনয়নগুলোর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভোটারের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। হলফনামায় প্রার্থীর স্বাক্ষর না থাকা, অসম্পূর্ণ হলফনামা ও যাচাইকারীর স্বাক্ষর না থাকার কারণেও কেউ কেউ বাদ পড়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান বলেন, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবেন। আন্তরিকভাবে যাচাই-বাছাই করতে দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
আজ শনিবার কুমিল্লা বাকি ৫ আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে কুমিল্লা-১, ২, ৩, ৪, ৫ ও ৬ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় জামায়াতসহ ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানের কার্যালয়ে এ যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই-বাছাই শেষে এই ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৬০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
কুমিল্লা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জায়েদ আল মাহমুদ, ওমর ফারুক, কাজী মো. ওবায়েদ উল্লাহ, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের বড়ুয়া মনোজিত ধীমন ও জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেকার আহসান; কুমিল্লা-২ আসনে ইসলামিক ফ্রন্টের মো. আবদুস সালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেন, সিরাজুল ইসলাম ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. শাহাবুদ্দিন; কুমিল্লা-৩ আসনে গণ অধিকার পরিষদের মনিরুজ্জামান ও জামায়াত ইসলামের মো. ইউসুফ সোহেল; কুমিল্লা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের আ. করিম ও আমজনতার দলের মাসুদ রানা; কুমিল্লা-৫ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল ক্বাফী এবং কুমিল্লা-৬ আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের কামরুন্নাহার সাথী ও ইসলামী আন্দোন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ হারুনুর রশিদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়া মনোনয়নগুলোর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভোটারের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। হলফনামায় প্রার্থীর স্বাক্ষর না থাকা, অসম্পূর্ণ হলফনামা ও যাচাইকারীর স্বাক্ষর না থাকার কারণেও কেউ কেউ বাদ পড়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান বলেন, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবেন। আন্তরিকভাবে যাচাই-বাছাই করতে দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
আজ শনিবার কুমিল্লা বাকি ৫ আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।