নিজস্ব প্রতিবেদক

অনুন্নত ও স্বল্প উৎপাদনশীল কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা, টেকসই, স্বল্প ব্যয় ও কৃষকবান্ধব কৃষি পদ্ধতির প্রসার—গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন কুমিল্লার সন্তান পরিবেশ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মতিন সৈকত। এরই প্রেক্ষিতে কৃষি উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ সম্মাননা এবং ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।

জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস লেঙ্গুইজ এন্ড ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার আইসিএএলডিআরসি ভাষাবিজ্ঞান ইউনিটের আয়োজিত ‘মনন সমৃদ্ধকরণ ও জীবন অনুপ্রেরণায় ভাষা ও সাহিত্যের প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনার এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবদানের স্বীকৃত স্বরূপ দেশের স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সাফল্যের অবদানের জন্য বিশিষ্টজনদের এই সম্মাননা, পুরস্কার দিয়ে থাকে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর. সি. মজুমদার অডিটোরিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ ও ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ভাষা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসার ইউ আহমেদ । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইসিএএলডিআরসি সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক লুৎফর রহমান জয়।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বিদেশি অতিথি, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরিবেশবিদ মতিন সৈকত বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং আজীবন সদস্য। বাপা কুমিল্লা অঞ্চলের সহ সভাপতি তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যবহার এবং সম্প্রসারণের জন্য দুইবার জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় পরিবেশ পদক অর্জন করেন। মতিন বাংলাদেশে কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সিআইপি পদমর্যাদায় এগ্রিকালচারাল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) খেতাব পেয়েছেন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে মতিন সৈকত কৃষি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বিষমুক্ত ফসল, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, খাল-নদী জলাধার রক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার আদমপুর গ্রামে।
জানতে চাইলে মতিন সৈকত বলেন, পরিবেশ নিয়ে কাজ করায় এমন সম্মাননা পেয়েছি। আরও বেশি কাজ করতে চাই।

অনুন্নত ও স্বল্প উৎপাদনশীল কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা, টেকসই, স্বল্প ব্যয় ও কৃষকবান্ধব কৃষি পদ্ধতির প্রসার—গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন কুমিল্লার সন্তান পরিবেশ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মতিন সৈকত। এরই প্রেক্ষিতে কৃষি উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ সম্মাননা এবং ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।

জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস লেঙ্গুইজ এন্ড ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার আইসিএএলডিআরসি ভাষাবিজ্ঞান ইউনিটের আয়োজিত ‘মনন সমৃদ্ধকরণ ও জীবন অনুপ্রেরণায় ভাষা ও সাহিত্যের প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনার এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবদানের স্বীকৃত স্বরূপ দেশের স্ব-স্ব ক্ষেত্রে সাফল্যের অবদানের জন্য বিশিষ্টজনদের এই সম্মাননা, পুরস্কার দিয়ে থাকে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর. সি. মজুমদার অডিটোরিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ ও ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ভাষা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসার ইউ আহমেদ । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইসিএএলডিআরসি সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক লুৎফর রহমান জয়।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বিদেশি অতিথি, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরিবেশবিদ মতিন সৈকত বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং আজীবন সদস্য। বাপা কুমিল্লা অঞ্চলের সহ সভাপতি তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যবহার এবং সম্প্রসারণের জন্য দুইবার জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় পরিবেশ পদক অর্জন করেন। মতিন বাংলাদেশে কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সিআইপি পদমর্যাদায় এগ্রিকালচারাল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) খেতাব পেয়েছেন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে মতিন সৈকত কৃষি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বিষমুক্ত ফসল, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, খাল-নদী জলাধার রক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার আদমপুর গ্রামে।
জানতে চাইলে মতিন সৈকত বলেন, পরিবেশ নিয়ে কাজ করায় এমন সম্মাননা পেয়েছি। আরও বেশি কাজ করতে চাই।