রিপকর্ড, পদ্মা ল্যামডা, টলস্টার ও নোভাস্টারে মশা মরছে না
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরে মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে রিপকর্ড, পদ্মা ল্যামডা, টলস্টার ও নোভাস্টার ওষুধ ছিটানো হলেও মশা মরছে না। নগরের সব ওয়ার্ডে মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ নগরবাসী।
সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের দাবি, প্রতি বছর শীতে অন্তত একবার হলেও বৃষ্টি হয়। শীতে বৃষ্টি হলে মশার বংশবিস্তার হ্রাস পায়। এবার এখনও বৃষ্টির দেখা মেলেনি। তার উপর মশার ওষুধগুলো কার্যকর খুব বেশি হচ্ছে না। এরপরেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে দুইটি করে ৫৪ টি স্প্রে মেশিন আছে। এছাড়া সিটি করপোরেশনে আরও ১০ টি স্প্রে মেশিন আছে। পাঁচটি মেশিন প্রতিদিন নগরের কোন না কোন ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটায়। সিটি করপোরেশন দুইভাবে মশা নিধন করে। রিপকর্ড ১০ইসি ও পদ্মা ল্যামডার সঙ্গে পানি মিশিয়ে স্প্রে করে। আর টলস্টার ও নোভাস্টার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ফগার মেশিনের সঙ্গে দেওয়া হয়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সেনিটারি পরিদর্শক মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কিটতত্ত্ববিদ এসে বিভিন্ন সময়ে পরীক্ষা করেন। আমরা মশা নিধনের চেষ্টা করছি। কিন্তু নালায় ও খালে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখার কারণে মশার বংশবিস্তার প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মশা নিধন/ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাজেটে বরাদ্দ ২ কোটি টাকা। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ছিল ৫০ লাখ টাকা ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১ কোটি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪১০ টাকা। এছাড়া এ বছর মশক নিধনের জন্য ১ কোটি টাকা ব্যয়ে আলাদাভাবে নালা পরিস্কার করার জন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম বলেন, আমি যোগদান করেছি ছয়মাস আগে। এরপর ৫০ টির মতো স্প্রে মেশিন কিনেছি। আমরা ওষুধও ছিটাচ্ছি, কিন্তু মশার উৎপাত সেইভাবে কমছে না। অনেকদিন শীত মৌসুমে বৃষ্টি হয় না। প্রায় আটমাসের মতো। বৃষ্টি হলে এই মৌসুমে কিছু মশা মরতো। এরপরেও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।
নগরের জিলা স্কুল এলাকা, ঈশ্বর পাঠশালা, বাগিচাগাঁও এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মশা দলবেঁধে উড়ছে। ভনভন করছে। একটু দাঁড়ালে শরীর কামড়াছে।

কুমিল্লা নগরে মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে রিপকর্ড, পদ্মা ল্যামডা, টলস্টার ও নোভাস্টার ওষুধ ছিটানো হলেও মশা মরছে না। নগরের সব ওয়ার্ডে মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ নগরবাসী।
সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের দাবি, প্রতি বছর শীতে অন্তত একবার হলেও বৃষ্টি হয়। শীতে বৃষ্টি হলে মশার বংশবিস্তার হ্রাস পায়। এবার এখনও বৃষ্টির দেখা মেলেনি। তার উপর মশার ওষুধগুলো কার্যকর খুব বেশি হচ্ছে না। এরপরেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে দুইটি করে ৫৪ টি স্প্রে মেশিন আছে। এছাড়া সিটি করপোরেশনে আরও ১০ টি স্প্রে মেশিন আছে। পাঁচটি মেশিন প্রতিদিন নগরের কোন না কোন ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটায়। সিটি করপোরেশন দুইভাবে মশা নিধন করে। রিপকর্ড ১০ইসি ও পদ্মা ল্যামডার সঙ্গে পানি মিশিয়ে স্প্রে করে। আর টলস্টার ও নোভাস্টার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ফগার মেশিনের সঙ্গে দেওয়া হয়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সেনিটারি পরিদর্শক মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কিটতত্ত্ববিদ এসে বিভিন্ন সময়ে পরীক্ষা করেন। আমরা মশা নিধনের চেষ্টা করছি। কিন্তু নালায় ও খালে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখার কারণে মশার বংশবিস্তার প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মশা নিধন/ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাজেটে বরাদ্দ ২ কোটি টাকা। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ছিল ৫০ লাখ টাকা ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১ কোটি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪১০ টাকা। এছাড়া এ বছর মশক নিধনের জন্য ১ কোটি টাকা ব্যয়ে আলাদাভাবে নালা পরিস্কার করার জন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম বলেন, আমি যোগদান করেছি ছয়মাস আগে। এরপর ৫০ টির মতো স্প্রে মেশিন কিনেছি। আমরা ওষুধও ছিটাচ্ছি, কিন্তু মশার উৎপাত সেইভাবে কমছে না। অনেকদিন শীত মৌসুমে বৃষ্টি হয় না। প্রায় আটমাসের মতো। বৃষ্টি হলে এই মৌসুমে কিছু মশা মরতো। এরপরেও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।
নগরের জিলা স্কুল এলাকা, ঈশ্বর পাঠশালা, বাগিচাগাঁও এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মশা দলবেঁধে উড়ছে। ভনভন করছে। একটু দাঁড়ালে শরীর কামড়াছে।