নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় বিজিবির পৃথক অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী এবং আতশবাজি উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সদর দক্ষিণ উপজেলার রসুলপুর রেলস্টেশনে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেসে এবং আদর্শ সদর উপজেলার পালপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
১০ বিজিবি এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ টাস্কফোর্সের অভিযানে এসব অবৈধ পণ্য আটক করা হয়।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালমান ফারসির উপস্থিতিতে বিজিবি ও পুলিশের টাস্কফোর্স জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন রসুলপুর রেলস্টেশনে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান পরিচালনা করে। এতে মালিকবিহীন অবস্থায় ১ কোটি ৬৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকার আতশবাজি এবং প্রসাধনী সামগ্রী আটক করা হয়।
এদিন জেলার আদর্শ সদর উপজেলাধীন পালপাড়া এবং জোড়া ব্রিজ এলাকায় ১০ বিজিবির টহল দলের অভিযানে মালিকবিহীন ৯৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকার চোরাই আতশবাজি উদ্ধার করা হয়।
কুমিল্লার ১০ বিজিবির কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে প্রায় আড়াই কোটি টাকার অধিক মূল্যের চোরাই প্রসাধনী এবং আতশবাজি উদ্ধার করা হয়। এসব অবৈধ পণ্য জব্দ করে কাস্টমসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুমিল্লায় বিজিবির পৃথক অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী এবং আতশবাজি উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সদর দক্ষিণ উপজেলার রসুলপুর রেলস্টেশনে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেসে এবং আদর্শ সদর উপজেলার পালপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
১০ বিজিবি এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ টাস্কফোর্সের অভিযানে এসব অবৈধ পণ্য আটক করা হয়।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালমান ফারসির উপস্থিতিতে বিজিবি ও পুলিশের টাস্কফোর্স জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন রসুলপুর রেলস্টেশনে চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান পরিচালনা করে। এতে মালিকবিহীন অবস্থায় ১ কোটি ৬৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকার আতশবাজি এবং প্রসাধনী সামগ্রী আটক করা হয়।
এদিন জেলার আদর্শ সদর উপজেলাধীন পালপাড়া এবং জোড়া ব্রিজ এলাকায় ১০ বিজিবির টহল দলের অভিযানে মালিকবিহীন ৯৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকার চোরাই আতশবাজি উদ্ধার করা হয়।
কুমিল্লার ১০ বিজিবির কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে প্রায় আড়াই কোটি টাকার অধিক মূল্যের চোরাই প্রসাধনী এবং আতশবাজি উদ্ধার করা হয়। এসব অবৈধ পণ্য জব্দ করে কাস্টমসে হস্তান্তর করা হয়েছে।