নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে নিখোঁজের ৪ দিন পর গলায় এবং পিঠে ইট বাঁধা অবস্থায় হতদরিদ্র ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালক আব্দুল রহিম জাহাঙ্গীরের (৩৮) লাশ উদ্ধার করেছে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ। তিনি উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে। আজ বৃহষ্পতিবার সকালে উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের দৌঁলখাঁড় পুর্ব পাড়া কালার মার পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জাহাঙ্গীর এর ছোট ভাই মাহফুজ আলম বলেন, গত রোববার সকালে প্রতিদিনের মত আমার ভাই তার ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাঙ্গলকোট সোনালী ব্যাংকের সামনে আমার ভাইয়ের সাথে আমার শেষ দেখা হয়। পরে একইদিন রাতে বাড়ি গেলে আমার ভাইয়ের স্ত্রী রাশেদা আক্তার জানান, আমার ভাই বাড়িতে আসেনি। পরে গত ২৬ জানুয়ারি আমার ভাবি রাশেদা আক্তার বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় আমার ভাইয়ের নিখোঁজের জিডি করেন। পরবর্তীতে গত তিনদিন বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজ বৃহষ্পতিবার সকালে উপজেলার দৌঁলখাঁড় ইউনিয়নের দৌঁলখাঁড় পূর্ব পাড়া গ্রামের আমার বোনের শ্বশুর আনা মিয়া মুঠোফোনে ফোন করে জানায়, দৌলখাঁড় পূর্ব পাড়া কালারমার পুকুর পাড়ে একটি লাশ ভাসতে দেখেন। পরে আমি লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার ভাইয়ের লাশ সনাক্ত করি। এসময় তার মাথায় এবং মুখে আঘাতের চিহৃ দেখা যায়। এছাড়া তার গলায় এবং পিঠে ৭টি ইট বাঁধা অবস্থায় পুকুরে লাশ ভাসতে দেখা যায়। আব্দুল রহিম জাহাঙ্গীরের ৩ মেয়ে রয়েছে। তারা হলেন, জান্নাতুল ফেরদাউস (১২), জনি আক্তার (১০) ও শামু (৬)। মাহফুজুল আলম আরো জানান, তার ভাই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গত আড়াইমাস পূর্বে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সাটি ক্রয় করেন। সে খুব হতদরিদ্র। তার ঋণ পরিশোধ এবং পরিবারের ভরণ-পোষন নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হচ্ছে।
ধারণা করা হচ্ছে, ২৫ জানুয়ারী রাতে অজ্ঞাত দৃষ্কৃতিকারীরা যাত্রীবেশে আমার ভাই আব্দুর রহিম জাহাঙ্গীরের নতুন ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সাটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে দৌঁলখাঁড় এলাকায় নিয়ে যায়। পরে দৃষ্কৃতিকারীরা তাকে হত্যা করে ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। তারা তার গলায় এবং পিঠে ইট বেঁধে পুকুরে ফেলে দেয়। যাতে করে লাশ ভেসে উঠতে না পারে।
এই বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ জালাল বলেন, ৯৯৯ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ব্যাপারে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে নিখোঁজের ৪ দিন পর গলায় এবং পিঠে ইট বাঁধা অবস্থায় হতদরিদ্র ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালক আব্দুল রহিম জাহাঙ্গীরের (৩৮) লাশ উদ্ধার করেছে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ। তিনি উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে। আজ বৃহষ্পতিবার সকালে উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের দৌঁলখাঁড় পুর্ব পাড়া কালার মার পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জাহাঙ্গীর এর ছোট ভাই মাহফুজ আলম বলেন, গত রোববার সকালে প্রতিদিনের মত আমার ভাই তার ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাঙ্গলকোট সোনালী ব্যাংকের সামনে আমার ভাইয়ের সাথে আমার শেষ দেখা হয়। পরে একইদিন রাতে বাড়ি গেলে আমার ভাইয়ের স্ত্রী রাশেদা আক্তার জানান, আমার ভাই বাড়িতে আসেনি। পরে গত ২৬ জানুয়ারি আমার ভাবি রাশেদা আক্তার বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় আমার ভাইয়ের নিখোঁজের জিডি করেন। পরবর্তীতে গত তিনদিন বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজ বৃহষ্পতিবার সকালে উপজেলার দৌঁলখাঁড় ইউনিয়নের দৌঁলখাঁড় পূর্ব পাড়া গ্রামের আমার বোনের শ্বশুর আনা মিয়া মুঠোফোনে ফোন করে জানায়, দৌলখাঁড় পূর্ব পাড়া কালারমার পুকুর পাড়ে একটি লাশ ভাসতে দেখেন। পরে আমি লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার ভাইয়ের লাশ সনাক্ত করি। এসময় তার মাথায় এবং মুখে আঘাতের চিহৃ দেখা যায়। এছাড়া তার গলায় এবং পিঠে ৭টি ইট বাঁধা অবস্থায় পুকুরে লাশ ভাসতে দেখা যায়। আব্দুল রহিম জাহাঙ্গীরের ৩ মেয়ে রয়েছে। তারা হলেন, জান্নাতুল ফেরদাউস (১২), জনি আক্তার (১০) ও শামু (৬)। মাহফুজুল আলম আরো জানান, তার ভাই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গত আড়াইমাস পূর্বে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সাটি ক্রয় করেন। সে খুব হতদরিদ্র। তার ঋণ পরিশোধ এবং পরিবারের ভরণ-পোষন নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হচ্ছে।
ধারণা করা হচ্ছে, ২৫ জানুয়ারী রাতে অজ্ঞাত দৃষ্কৃতিকারীরা যাত্রীবেশে আমার ভাই আব্দুর রহিম জাহাঙ্গীরের নতুন ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সাটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে দৌঁলখাঁড় এলাকায় নিয়ে যায়। পরে দৃষ্কৃতিকারীরা তাকে হত্যা করে ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। তারা তার গলায় এবং পিঠে ইট বেঁধে পুকুরে ফেলে দেয়। যাতে করে লাশ ভেসে উঠতে না পারে।
এই বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ জালাল বলেন, ৯৯৯ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ব্যাপারে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।