শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষার মানোন্নয়নে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। তিনি এবার আয়োজন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির সভাপতিদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
আজ শনিবার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিদের নিয়ে দিনব্যাপী পেশাগত প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে সিটিজেন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (সিডিএস)।
প্রশিক্ষণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের দায়িত্ব, নেতৃত্ব, জবাবদিহি, ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দক্ষতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া এর আগেই তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ঘোষণা দিয়েছেন, তার নির্বাচনী এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় রাজনৈতিক নেতা বা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে নেতৃত্বে আনা হবে না। বরং যারা শিক্ষিত, সৎ, যোগ্য এবং সত্যিকার অর্থে শিক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করতে সক্ষম, তাদেরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সম্পৃক্ত করা হবে।
মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হওয়া শুধু একটি পদ বা সামাজিক মর্যাদার বিষয় নয়। একজন সভাপতিকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমস্যা, শৃঙ্খলা, জবাবদিহি এবং সামগ্রিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সক্রিয় ভ‚মিকা পালন করতে হবে।
দিনব্যাপী কর্মশালায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি, গভর্নিং বডি এবং সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, চট্টগ্রামের সহকারী অধ্যাপক. ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ও ড. শামসুদ্দীন শিশির।
শিক্ষায় সভাপতির ভূমিকা, অংশীজনের দায়বদ্ধতা এবং ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন লালমাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ।
বিশেষ সেশনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. জামাল নাছের 'শিক্ষার মানোন্নয়নে সভাপতির ভূমিকা' নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতিদের শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার ফলাফল, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক, শৃঙ্খলা এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
‘প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা উন্নয়নের জন্য পরিবর্তন পরিচালন দক্ষতা অর্জনের কৌশল’ বিষয়ে বক্তব্য দেন সৈয়দ মোহাম্মদ নুরুল আফসার, অর্গানাইজেশন ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্ট।
পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে ট্র্যাকিং সিস্টেম নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন নিশ্চিন্তপুর আব্দুল গফুর ভূঁইয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ নেওয়াজ নিজাম।
কর্মশালায় ২০২৬ সালের ফলাফল পর্যালোচনা, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শনাক্তকরণ, সভাপতিদের করণীয়, প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তব সমস্যা নিয়ে দলগত কাজ ও উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান এবং লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস দাশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিডিএস চেয়ারম্যান আফসানা ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন সিডিএস পরিচালক ও নাঙ্গলকোট-লালমাই উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য সামছুদ্দিন ইলিয়াস। প্রধান অতিথি হিসেবে দিনব্যাপী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
আয়োজকরা বলেন, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতিদেরও কাঠামোবদ্ধ পেশাগত প্রশিক্ষণের আওতায় আনার এই উদ্যোগটি বাংলাদেশে অত্যন্ত ব্যতিক্রমী। এর মূল লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষার মানে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা।

শিক্ষার মানোন্নয়নে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। তিনি এবার আয়োজন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির সভাপতিদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
আজ শনিবার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিদের নিয়ে দিনব্যাপী পেশাগত প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে সিটিজেন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (সিডিএস)।
প্রশিক্ষণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের দায়িত্ব, নেতৃত্ব, জবাবদিহি, ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দক্ষতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া এর আগেই তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ঘোষণা দিয়েছেন, তার নির্বাচনী এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় রাজনৈতিক নেতা বা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে নেতৃত্বে আনা হবে না। বরং যারা শিক্ষিত, সৎ, যোগ্য এবং সত্যিকার অর্থে শিক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করতে সক্ষম, তাদেরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সম্পৃক্ত করা হবে।
মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হওয়া শুধু একটি পদ বা সামাজিক মর্যাদার বিষয় নয়। একজন সভাপতিকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমস্যা, শৃঙ্খলা, জবাবদিহি এবং সামগ্রিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সক্রিয় ভ‚মিকা পালন করতে হবে।
দিনব্যাপী কর্মশালায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি, গভর্নিং বডি এবং সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, চট্টগ্রামের সহকারী অধ্যাপক. ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ও ড. শামসুদ্দীন শিশির।
শিক্ষায় সভাপতির ভূমিকা, অংশীজনের দায়বদ্ধতা এবং ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন লালমাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ।
বিশেষ সেশনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. জামাল নাছের 'শিক্ষার মানোন্নয়নে সভাপতির ভূমিকা' নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতিদের শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার ফলাফল, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক, শৃঙ্খলা এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
‘প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা উন্নয়নের জন্য পরিবর্তন পরিচালন দক্ষতা অর্জনের কৌশল’ বিষয়ে বক্তব্য দেন সৈয়দ মোহাম্মদ নুরুল আফসার, অর্গানাইজেশন ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্ট।
পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে ট্র্যাকিং সিস্টেম নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন নিশ্চিন্তপুর আব্দুল গফুর ভূঁইয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ নেওয়াজ নিজাম।
কর্মশালায় ২০২৬ সালের ফলাফল পর্যালোচনা, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শনাক্তকরণ, সভাপতিদের করণীয়, প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তব সমস্যা নিয়ে দলগত কাজ ও উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান এবং লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস দাশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিডিএস চেয়ারম্যান আফসানা ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন সিডিএস পরিচালক ও নাঙ্গলকোট-লালমাই উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য সামছুদ্দিন ইলিয়াস। প্রধান অতিথি হিসেবে দিনব্যাপী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
আয়োজকরা বলেন, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতিদেরও কাঠামোবদ্ধ পেশাগত প্রশিক্ষণের আওতায় আনার এই উদ্যোগটি বাংলাদেশে অত্যন্ত ব্যতিক্রমী। এর মূল লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষার মানে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা।