ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সাপে কামড়ে মাহমুদা আক্তার (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাহমুদা আক্তার উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা ফিরোজ মিয়া ও মা মাহিনুর বেগম। সে ধান্যদৌল আব্দুর রাজ্জাক খান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত ৮টার দিকে নিজের ঘর থেকে চাচার ঘরে ঘুমাতে যাওয়ার সময় উঠানে মধ্যে মাহমুদাকে সাপে কামড় দেয়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত ডাক্তার নাঈম আব্দুল্লাহ তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং যদি অবস্থার অবনতি ঘটে তাহলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। রাতে ১১টার দিকে বাড়িতে ফেরার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাত ১ টায় ব্রাহ্মণপাড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার জানান এখানে আনার পূর্বেই রোগী মারা গিয়েছিল।
নিহতের দাদা খোরশেদ আলম জানান, সাপে কামড়ানোর পর মাহমুদাকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসা শেষে ডাক্তার নাঈম আব্দুল্লাহ রোগীকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন এবং রোগীর অবস্থা অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
শিক্ষার্থী মাহমুদার মৃত্যুতে তার পরিবার, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সাপে কামড়ে মাহমুদা আক্তার (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাহমুদা আক্তার উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা ফিরোজ মিয়া ও মা মাহিনুর বেগম। সে ধান্যদৌল আব্দুর রাজ্জাক খান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত ৮টার দিকে নিজের ঘর থেকে চাচার ঘরে ঘুমাতে যাওয়ার সময় উঠানে মধ্যে মাহমুদাকে সাপে কামড় দেয়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত ডাক্তার নাঈম আব্দুল্লাহ তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং যদি অবস্থার অবনতি ঘটে তাহলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। রাতে ১১টার দিকে বাড়িতে ফেরার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাত ১ টায় ব্রাহ্মণপাড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার জানান এখানে আনার পূর্বেই রোগী মারা গিয়েছিল।
নিহতের দাদা খোরশেদ আলম জানান, সাপে কামড়ানোর পর মাহমুদাকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসা শেষে ডাক্তার নাঈম আব্দুল্লাহ রোগীকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন এবং রোগীর অবস্থা অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
শিক্ষার্থী মাহমুদার মৃত্যুতে তার পরিবার, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।