নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখায় মো. হাসান মজুমদার (৪৬) নামে এক গ্রাহকের একাউন্ট থেকে ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। এ ঘটনায় গ্রাহক বাদী হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
গতকাল রোববার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলি আদালতের বিচারক মমিনুল হকের আদালতে তিনি মামলাটি দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানাকে সরাসরি এফআইআরের জন্য নির্দেশ নিয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন, রাজধানীর মিরপুর- ১ এর ১৮৪ আহমেদ নগর পাইকপাড়ার শাহ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ও বরিশাল ধামুড়া বাজার এলাকার মো. সোহেলসহ মোট ৬ জন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ১ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে একটি চক্র মো. হাসান মজুমদারের একাউন্ট থেকে সর্বমোট ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ট্রান্সফার করে অন্য ব্যাংকের একাউন্টে নিয়ে যান। এতে ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার ফোনকল ও মেসেজের মাধ্যমে গ্রাহককে অবগত করা হয়নি। গত ৭ জুন দুপুরে তিনি ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখায় টাকা উত্তোলনের জন্য গিয়ে জানতে পারেন তার একাউন্ট নম্বর ২০৫০১২....২০০ থেকে ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হয়ে গেছে। পরবর্তীতে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, এনআরবিসি ব্যাংকের গ্রাহক রাজধানীর মিরপুর-১ এর শাহ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারীর একাউন্ট, পূবালী ব্যাংকের বরিশাল ধামুড়া বাজার উপশাখার গ্রাহক মো. সোহেলের একাউন্ট এবং একাধিক বিকাশ ও নগদ নম্বরে ট্রান্সফার করা হয়। ভুক্তভোগী হাসান মজুমদার টাকা উদ্ধারের বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখার ম্যানেজার মোহাম্মদ হোসাইন আখতার বলেন, গ্রাহকের একাউন্ট থেকে টাকা তুলতে গেলে অবশ্যই তার ফোন মেসেজ বা নোটিফিকেশন যাবে। আমার শাখায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। কোর্টে মামলা হয়েছে কিনা সেই তথ্যও আমাদের কাছে নেই। আদালত আমাদের কাছে তথ্য চাইলে সহযোগিতা করব।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, আদালতের নির্দেশনার কাগজপত্র আমরা এখনো হাতে পাইনি। নথি পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখায় মো. হাসান মজুমদার (৪৬) নামে এক গ্রাহকের একাউন্ট থেকে ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। এ ঘটনায় গ্রাহক বাদী হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
গতকাল রোববার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলি আদালতের বিচারক মমিনুল হকের আদালতে তিনি মামলাটি দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানাকে সরাসরি এফআইআরের জন্য নির্দেশ নিয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন, রাজধানীর মিরপুর- ১ এর ১৮৪ আহমেদ নগর পাইকপাড়ার শাহ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ও বরিশাল ধামুড়া বাজার এলাকার মো. সোহেলসহ মোট ৬ জন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ১ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে একটি চক্র মো. হাসান মজুমদারের একাউন্ট থেকে সর্বমোট ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ট্রান্সফার করে অন্য ব্যাংকের একাউন্টে নিয়ে যান। এতে ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার ফোনকল ও মেসেজের মাধ্যমে গ্রাহককে অবগত করা হয়নি। গত ৭ জুন দুপুরে তিনি ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখায় টাকা উত্তোলনের জন্য গিয়ে জানতে পারেন তার একাউন্ট নম্বর ২০৫০১২....২০০ থেকে ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হয়ে গেছে। পরবর্তীতে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, এনআরবিসি ব্যাংকের গ্রাহক রাজধানীর মিরপুর-১ এর শাহ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারীর একাউন্ট, পূবালী ব্যাংকের বরিশাল ধামুড়া বাজার উপশাখার গ্রাহক মো. সোহেলের একাউন্ট এবং একাধিক বিকাশ ও নগদ নম্বরে ট্রান্সফার করা হয়। ভুক্তভোগী হাসান মজুমদার টাকা উদ্ধারের বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখার ম্যানেজার মোহাম্মদ হোসাইন আখতার বলেন, গ্রাহকের একাউন্ট থেকে টাকা তুলতে গেলে অবশ্যই তার ফোন মেসেজ বা নোটিফিকেশন যাবে। আমার শাখায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। কোর্টে মামলা হয়েছে কিনা সেই তথ্যও আমাদের কাছে নেই। আদালত আমাদের কাছে তথ্য চাইলে সহযোগিতা করব।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, আদালতের নির্দেশনার কাগজপত্র আমরা এখনো হাতে পাইনি। নথি পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।