মেঘনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে সেতু থেকে খাদে পড়ে অন্তত ১১ যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর সাতজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ওমরাকান্দা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন মির্জা মাহবুব, সাকিব, বাদল খান, আমেনা বেগম ও মাজেদা বেগম। তাদের বাড়ি মেঘনা উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকায়।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রূপান্তর পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি ওমরাকান্দা সেতুর থেকে উল্টে নিচে পড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। আহত যাত্রীদের মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
বাসযাত্রী শামসুদ্দিন শামস জানান, দুর্ঘটনার সময় বাসে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেক যাত্রী নিজ চেষ্টায় বাস থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।
আরেক যাত্রী আমেনা বেগম বলেন, চালক হঠাৎ বাসটি সাইডে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বাসটি অনেক পুরোনো ছিল। কিছু বুঝে ওঠার ব্রিজের নিচে পড়ে যায়।
মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সায়মা জানান, হাসপাতালে পাঁচজন আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, যাত্রীবাহী একটি বাস ব্রিজ থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, আহতদের পরিচয় ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে সেতু থেকে খাদে পড়ে অন্তত ১১ যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর সাতজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ওমরাকান্দা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন মির্জা মাহবুব, সাকিব, বাদল খান, আমেনা বেগম ও মাজেদা বেগম। তাদের বাড়ি মেঘনা উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকায়।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রূপান্তর পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি ওমরাকান্দা সেতুর থেকে উল্টে নিচে পড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। আহত যাত্রীদের মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
বাসযাত্রী শামসুদ্দিন শামস জানান, দুর্ঘটনার সময় বাসে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অনেক যাত্রী নিজ চেষ্টায় বাস থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।
আরেক যাত্রী আমেনা বেগম বলেন, চালক হঠাৎ বাসটি সাইডে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বাসটি অনেক পুরোনো ছিল। কিছু বুঝে ওঠার ব্রিজের নিচে পড়ে যায়।
মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সায়মা জানান, হাসপাতালে পাঁচজন আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, যাত্রীবাহী একটি বাস ব্রিজ থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, আহতদের পরিচয় ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।