তদন্তে নেমে চক্রের সন্ধান
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার নগরের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মোবাইল ফোন হ্যাক করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ টাকা লোপাটের মামলা তদন্তে নেমে সংঘবদ্ধ একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লা।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মামলার চক্রের অন্যতম আসামি ফারুক হোসেনকে (৫৫) যশোর থেকে গ্রেপ্তারের পর সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে পুরো চক্রের নাম প্রকাশ করে। তবে গত দুই মাসেও উদ্ধার করা যায়নি ওই টাকা। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পিবিআই।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই কুমিল্লার পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ।
পিবিআই ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ কুমিল্লা নগরের ফরিদা বিদ্যায়তনের প্রধান শিক্ষক মো. হানিফ মজুমদারের মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে প্রতারক চক্রটি সিটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট চেক করার জন্য প্রলুব্ধ করে। সিটি টাচ অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট চেক করার পরপরই ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোনটি হ্যাক হয়ে যায় এবং মোবাইল কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ভুক্তভোগী জানতে পারেন, প্রতারক চক্রটি হ্যাক করা মোবাইলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিটি ব্যাংক কুমিল্লা শাখা থেকে দুটি পৃথক অ্যাকাউন্টে (ফারুক রাইস এজেন্সির ব্র্যাক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মেহেরপুর শাখার জে. জে. এন্টারপ্রাইজের পূবালী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট) মোট ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা স্থানান্তর করে নেয়। এর পাশাপাশি, জনতা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ/নগদ) মাধ্যমে দুই দফায় মোট ৪৬ হাজার ৭৮৯ টাকা হাতিয়ে নেয়। সর্বমোট ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৯ টাকা প্রতারণামূলকভাবে হাতিয়ে নেয় চক্রটি।
পিবিআই আরও জানায়, এ ঘটনায় গত ১৬ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই প্রধান শিক্ষক। পরবর্তীতে পিবিআই কুমিল্লা মামলাটির তদন্ত শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারক চক্রটিকে শনাক্ত করেন। গত ১৭ জুন পিবিআই কুমিল্লা ও যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ সহায়তায় যশোর জেলার লেবুতলা এলাকা থেকে মামলা চক্রের অন্যতম আসামি ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি যশোর সদর থানার লেবুতলা এলাকারমৃত মোসলের মোল্লার ছেলে।
পিবিআই তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘গ্রেপ্তারের পর প্রতারক ফারুক হোসেন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের তথ্য প্রদান করে। এতে প্রতারণার পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে। এ চক্রটি প্রযুক্তিতে অনেক দক্ষ। কম সময়ে একাধিক ব্যাংক হ্যাক করে হিসাবে টাকা স্থানান্তর করে নেওয়া এবং উত্তোলন করতেও ওরা পারদর্শী হয়। এতে ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষকের টাকা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’
পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমান বলেন, মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা এবং ওটিপি পাঠিয়ে মোবাইল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে লোকজনের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার নেপথ্যে একটি বড় চক্র রয়েছে। কুমিল্লার স্কুল শিক্ষকের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে যশোর থেকে প্রধান আসামি ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর বের হয়েছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আসামির জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্য অনুসারে, এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পিবিআই। এ কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘মোবাইলে সন্দেহজনক কোনো ক্ষুদে বার্তা কিংবা কোনো ওটিপি এলে তা এড়িয়ে না গেলে নিশ্চিত প্রতারণার শিকার হতে হবে।’

কুমিল্লার নগরের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মোবাইল ফোন হ্যাক করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ টাকা লোপাটের মামলা তদন্তে নেমে সংঘবদ্ধ একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লা।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মামলার চক্রের অন্যতম আসামি ফারুক হোসেনকে (৫৫) যশোর থেকে গ্রেপ্তারের পর সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে পুরো চক্রের নাম প্রকাশ করে। তবে গত দুই মাসেও উদ্ধার করা যায়নি ওই টাকা। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পিবিআই।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই কুমিল্লার পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ।
পিবিআই ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ কুমিল্লা নগরের ফরিদা বিদ্যায়তনের প্রধান শিক্ষক মো. হানিফ মজুমদারের মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে প্রতারক চক্রটি সিটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট চেক করার জন্য প্রলুব্ধ করে। সিটি টাচ অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট চেক করার পরপরই ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোনটি হ্যাক হয়ে যায় এবং মোবাইল কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ভুক্তভোগী জানতে পারেন, প্রতারক চক্রটি হ্যাক করা মোবাইলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিটি ব্যাংক কুমিল্লা শাখা থেকে দুটি পৃথক অ্যাকাউন্টে (ফারুক রাইস এজেন্সির ব্র্যাক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মেহেরপুর শাখার জে. জে. এন্টারপ্রাইজের পূবালী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট) মোট ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা স্থানান্তর করে নেয়। এর পাশাপাশি, জনতা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ/নগদ) মাধ্যমে দুই দফায় মোট ৪৬ হাজার ৭৮৯ টাকা হাতিয়ে নেয়। সর্বমোট ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৯ টাকা প্রতারণামূলকভাবে হাতিয়ে নেয় চক্রটি।
পিবিআই আরও জানায়, এ ঘটনায় গত ১৬ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই প্রধান শিক্ষক। পরবর্তীতে পিবিআই কুমিল্লা মামলাটির তদন্ত শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারক চক্রটিকে শনাক্ত করেন। গত ১৭ জুন পিবিআই কুমিল্লা ও যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ সহায়তায় যশোর জেলার লেবুতলা এলাকা থেকে মামলা চক্রের অন্যতম আসামি ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি যশোর সদর থানার লেবুতলা এলাকারমৃত মোসলের মোল্লার ছেলে।
পিবিআই তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘গ্রেপ্তারের পর প্রতারক ফারুক হোসেন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের তথ্য প্রদান করে। এতে প্রতারণার পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে। এ চক্রটি প্রযুক্তিতে অনেক দক্ষ। কম সময়ে একাধিক ব্যাংক হ্যাক করে হিসাবে টাকা স্থানান্তর করে নেওয়া এবং উত্তোলন করতেও ওরা পারদর্শী হয়। এতে ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষকের টাকা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’
পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমান বলেন, মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা এবং ওটিপি পাঠিয়ে মোবাইল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে লোকজনের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার নেপথ্যে একটি বড় চক্র রয়েছে। কুমিল্লার স্কুল শিক্ষকের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে যশোর থেকে প্রধান আসামি ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর বের হয়েছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আসামির জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্য অনুসারে, এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পিবিআই। এ কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘মোবাইলে সন্দেহজনক কোনো ক্ষুদে বার্তা কিংবা কোনো ওটিপি এলে তা এড়িয়ে না গেলে নিশ্চিত প্রতারণার শিকার হতে হবে।’