নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই কুমিল্লা শহরতলির ছায়াবিতান এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সামান্য বৃষ্টিতেই অশোকত-লা-দৌলতপুর সড়কটি পানিতে ডুবে যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
এলাকাবাসী জানান, কুমিল্লা শহরতলির দৌলতপুর, ছায়াবিতান ও ধর্মপুর এলাকা দিয়ে প্রবহমান ড্রেন দিয়ে রেললাইনের নিচ দিয়ে নির্মিত কালভার্টের মাধ্যমে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার অশোকতলা, বিসিক ও ঠাকুরপাড়া এলাকা, দৌলতপুর, ছায়াবিতান ও ধর্মপুর এবং ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ডিগ্রি শাখার ময়লা পানি এবং বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হয়। এই ড্রেন সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে হওয়ায় অনেক বছর যাবত এটি খনন ও পরিষ্কার করা হয় না।
বর্তমানে এটি ময়লা আবর্জনায় প্রায় ভরট হয়ে আছে। এছাড়া ড্রেনটির অশোকতলার রেললাইনের নিচের কালভার্ট থেকে পশ্চিম অংশে ধর্মপুর তোয়া হাউজিং এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা ও ময়লা আর্বজনার কারণে পানি প্রবাহপথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সিটি এলাকার পানি করপোরেশন ও ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখা প্রবাহের কারণে ছায়াবিতান, দৌলতপুর এলাকার রাস্তা ও নিচু ঘরবাড়িতে তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।
জলাবদ্ধতার কারণে এই এলাকায় বসবাসকারী ৫০ সহস্রাধিক মানুষ, ছায়াবিতান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থী, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ডিগ্রি শাখার হাজার হাজার শিক্ষার্থীসহ পথচারীগণের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
জনভোগান্তি লাঘবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই ড্রেন বা নালাটি জরুরি ভিত্তিতে পরিষ্কার করার জন্য ইতোমধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক এবং আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার নিকট আবেদন দেওয়া হয়। দৌলতপুর ও ছায়াবিতান এলাকাবাসীর পক্ষে মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন বশির, মেহেদী চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম, মানিক মিয়া সরদার, মো. রিপন হোসেন, মো. ইয়াসীন প্রমুখ এই আবেদন দেন।
ছায়াবিতান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সভাপতি মোহম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এই এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র নালাটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করা এবং অনেক জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ছায়াবিতান ও ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখা এলংকায় তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।
এছাড়া এই নালা দিয়েই সিটি এলাকার অশোকতলা, বিসিক ও ঠাকুরপাড়া এলাকায় পানি রেললাইনের নিচের কালভার্ট দিয়ে প্রবাহিত হলেও দৌলতপুর-ছায়াবিতান-ধর্মপুর অংশ সিটির বাইরে হওয়ায় প্রতি বছর সিটি করপোরেশনে আবেদন জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না।
তাই আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জনভোগান্তি নিরসনে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষপ গ্রহণের জন্য কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এবং আদর্শ সদর উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই সমস্যা সমাধানে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য সিটি করপোরেশন কাজ করবে। মানুষ বাড়িঘর উঁচু করায় এবং পানি নামার পথ রদ্ধ করায় এ অবস্থা হচ্ছে। একই সঙ্গে নালায় ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কুমিল্লা শহরের ও শহরতলির জলাবদ্ধতা দূর করা হবে। এজন্য সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ মিলে যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই কুমিল্লা শহরতলির ছায়াবিতান এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সামান্য বৃষ্টিতেই অশোকত-লা-দৌলতপুর সড়কটি পানিতে ডুবে যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
এলাকাবাসী জানান, কুমিল্লা শহরতলির দৌলতপুর, ছায়াবিতান ও ধর্মপুর এলাকা দিয়ে প্রবহমান ড্রেন দিয়ে রেললাইনের নিচ দিয়ে নির্মিত কালভার্টের মাধ্যমে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার অশোকতলা, বিসিক ও ঠাকুরপাড়া এলাকা, দৌলতপুর, ছায়াবিতান ও ধর্মপুর এবং ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ডিগ্রি শাখার ময়লা পানি এবং বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হয়। এই ড্রেন সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে হওয়ায় অনেক বছর যাবত এটি খনন ও পরিষ্কার করা হয় না।
বর্তমানে এটি ময়লা আবর্জনায় প্রায় ভরট হয়ে আছে। এছাড়া ড্রেনটির অশোকতলার রেললাইনের নিচের কালভার্ট থেকে পশ্চিম অংশে ধর্মপুর তোয়া হাউজিং এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা ও ময়লা আর্বজনার কারণে পানি প্রবাহপথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সিটি এলাকার পানি করপোরেশন ও ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখা প্রবাহের কারণে ছায়াবিতান, দৌলতপুর এলাকার রাস্তা ও নিচু ঘরবাড়িতে তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।
জলাবদ্ধতার কারণে এই এলাকায় বসবাসকারী ৫০ সহস্রাধিক মানুষ, ছায়াবিতান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থী, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ডিগ্রি শাখার হাজার হাজার শিক্ষার্থীসহ পথচারীগণের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
জনভোগান্তি লাঘবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই ড্রেন বা নালাটি জরুরি ভিত্তিতে পরিষ্কার করার জন্য ইতোমধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক এবং আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার নিকট আবেদন দেওয়া হয়। দৌলতপুর ও ছায়াবিতান এলাকাবাসীর পক্ষে মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন বশির, মেহেদী চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম, মানিক মিয়া সরদার, মো. রিপন হোসেন, মো. ইয়াসীন প্রমুখ এই আবেদন দেন।
ছায়াবিতান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সভাপতি মোহম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এই এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র নালাটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করা এবং অনেক জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ছায়াবিতান ও ভিক্টোরিয়া কলেজের ডিগ্রি শাখা এলংকায় তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।
এছাড়া এই নালা দিয়েই সিটি এলাকার অশোকতলা, বিসিক ও ঠাকুরপাড়া এলাকায় পানি রেললাইনের নিচের কালভার্ট দিয়ে প্রবাহিত হলেও দৌলতপুর-ছায়াবিতান-ধর্মপুর অংশ সিটির বাইরে হওয়ায় প্রতি বছর সিটি করপোরেশনে আবেদন জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না।
তাই আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জনভোগান্তি নিরসনে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষপ গ্রহণের জন্য কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এবং আদর্শ সদর উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই সমস্যা সমাধানে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য সিটি করপোরেশন কাজ করবে। মানুষ বাড়িঘর উঁচু করায় এবং পানি নামার পথ রদ্ধ করায় এ অবস্থা হচ্ছে। একই সঙ্গে নালায় ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কুমিল্লা শহরের ও শহরতলির জলাবদ্ধতা দূর করা হবে। এজন্য সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ মিলে যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।