কুমিল্লায় টাউন হলের জনসভা
তৈয়বুর রহমান সোহেল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ এক বছর পর আবারও আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছি। এই টাউন হল ময়দানে দাঁড়িয়ে বলেছি কুমিল্লা বিভাগের কথা। জবান যখন দিয়েছি, নির্বাচিত হলে সেটি বাস্তবায়ন করব। দেশের প্রয়োজনে যতই বিভাগ হোক, কুমিল্লা নামেই কুমিল্লা বিভাগ হবে।
আজ শুক্রবার রাতে কুমিল্লা টাউন হল প্রাঙ্গণে জেলার দ্বিতীয় নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফুটপাত থেকে শুরু করে শিল্পপতি-কোনো ব্যবসায়ীই চাঁদাবাজদের জ্বালায় ঘুমাতে পারছে না। আমরা সরকারে গেলে দেশে কোনো চাঁদাবাজ থাকবে না। চাঁদাবাজি ভিক্ষার চেয়েও ঘৃণিত কাজ। আমরা তাদের জন্য মর্যাদাজনক কাজের ব্যবস্থা করব।
নিজেরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছরে সবচেয়ে নির্যাতিত দল ছিল জামায়াত। আর কোনো দলের প্রথম সারির ১১ নেতাকে হত্যা করা হয়নি। আর কেউ এমন জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়নি। আর কোনো দলের নেতাকর্মীকে এভাবে গুম করা হয়নি। তারপরও ৩৬ জুলাইয়ের পর আমরা কারও ওপর প্রতিশোধ নিইনি। ওয়াদা করছি, কারও ওপর প্রতিশোধ নিব না। তবে জুলাই আন্দোলনে ভিকটিম পরিবার যদি চায়, তাদের সাহায্য করব। আমরা চাঁদাবজি লুটপাটের রাজনীতি করিনি। ৫ আগস্টের পর শহীদ পরিবারের সদস্যদের কাছে গিয়েছি। তাদের প্রত্যেকের চোখে পানি দেখিনি, চোখের কোণে ফোটা ফোটা রক্ত দেখেছি। আজ আমি যখন ফেনীতে যাই, এক শহীদের মা আমাকে জড়িয়ে ধরেন। একটি পক্ষ এটি নিয়ে বুলিং করছে। তিনি আমাদের মা, শহীদের মা। তাকে নিয়ে বুলিং করতে তোদের বিবেকে বাধে না!

তিনি বলেন, মায়েরা, আপনারা ভয় পাবেন না। আপনারা শহীদ ওসমান হাদী, আবু সাঈদদের জন্ম দিয়েছেন। কেউ যদি মায়েদের গায়ে হাত তোলে তাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। এক এতিম শিশু বলেছে, দাদু, আমার বাবা কবে ফিরে আসবে? কোনো জবাব দিতে পারি না। এক মা বলছে, সন্তানকে এখন স্বপ্নেও দেখি না। কবরটা খুঁজে পেলে জড়িয়ে ধরতাম। এইসব শহীদ পরিবারকে আমরা কী জবাব দেব?
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মজলুম ছিলেন। জালিম হবেন না। যদি জালিম হন, আগামী ১২ তারিখ বাংলাদেশের মানুষ এর জবাব দেবে। আপনারা যারা নারীদের গায়ে হাত তুলছেন, আপনাদের জবাব দেওয়া হবে। আমরা পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি চাই না। রাজার ছেলে রাজা হবে, রানির মেয়ে রানি-এই সংস্কৃতি দেশকে ফ্যাসিবাদের দিকে ঠেলে দিয়েছে। দেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসুক-তা চাই না। আমরা চাই, যে যোগ্য সে দেশকে নেতৃত্ব দিবে। একজন রিকশাওয়ালার ছেলে উঠে আসবে। যাদের যোগ্যতা ও দেশপ্রেম আছে, আমরা তাদের উপযুক্ত জায়গায় বসাতে চাই।

জামায়াতের কুমিল্লা মহানগরের আমির ও কুমিল্লা-৬ আসনে দল মনোনীত প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ গোলাম পরওয়ার, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ প্রমুখ। জনসভায় কুমিল্লার বিভিন্ন আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ডা. শফিকুর রহমান প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ এক বছর পর আবারও আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছি। এই টাউন হল ময়দানে দাঁড়িয়ে বলেছি কুমিল্লা বিভাগের কথা। জবান যখন দিয়েছি, নির্বাচিত হলে সেটি বাস্তবায়ন করব। দেশের প্রয়োজনে যতই বিভাগ হোক, কুমিল্লা নামেই কুমিল্লা বিভাগ হবে।
আজ শুক্রবার রাতে কুমিল্লা টাউন হল প্রাঙ্গণে জেলার দ্বিতীয় নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফুটপাত থেকে শুরু করে শিল্পপতি-কোনো ব্যবসায়ীই চাঁদাবাজদের জ্বালায় ঘুমাতে পারছে না। আমরা সরকারে গেলে দেশে কোনো চাঁদাবাজ থাকবে না। চাঁদাবাজি ভিক্ষার চেয়েও ঘৃণিত কাজ। আমরা তাদের জন্য মর্যাদাজনক কাজের ব্যবস্থা করব।
নিজেরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছরে সবচেয়ে নির্যাতিত দল ছিল জামায়াত। আর কোনো দলের প্রথম সারির ১১ নেতাকে হত্যা করা হয়নি। আর কেউ এমন জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়নি। আর কোনো দলের নেতাকর্মীকে এভাবে গুম করা হয়নি। তারপরও ৩৬ জুলাইয়ের পর আমরা কারও ওপর প্রতিশোধ নিইনি। ওয়াদা করছি, কারও ওপর প্রতিশোধ নিব না। তবে জুলাই আন্দোলনে ভিকটিম পরিবার যদি চায়, তাদের সাহায্য করব। আমরা চাঁদাবজি লুটপাটের রাজনীতি করিনি। ৫ আগস্টের পর শহীদ পরিবারের সদস্যদের কাছে গিয়েছি। তাদের প্রত্যেকের চোখে পানি দেখিনি, চোখের কোণে ফোটা ফোটা রক্ত দেখেছি। আজ আমি যখন ফেনীতে যাই, এক শহীদের মা আমাকে জড়িয়ে ধরেন। একটি পক্ষ এটি নিয়ে বুলিং করছে। তিনি আমাদের মা, শহীদের মা। তাকে নিয়ে বুলিং করতে তোদের বিবেকে বাধে না!

তিনি বলেন, মায়েরা, আপনারা ভয় পাবেন না। আপনারা শহীদ ওসমান হাদী, আবু সাঈদদের জন্ম দিয়েছেন। কেউ যদি মায়েদের গায়ে হাত তোলে তাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। এক এতিম শিশু বলেছে, দাদু, আমার বাবা কবে ফিরে আসবে? কোনো জবাব দিতে পারি না। এক মা বলছে, সন্তানকে এখন স্বপ্নেও দেখি না। কবরটা খুঁজে পেলে জড়িয়ে ধরতাম। এইসব শহীদ পরিবারকে আমরা কী জবাব দেব?
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মজলুম ছিলেন। জালিম হবেন না। যদি জালিম হন, আগামী ১২ তারিখ বাংলাদেশের মানুষ এর জবাব দেবে। আপনারা যারা নারীদের গায়ে হাত তুলছেন, আপনাদের জবাব দেওয়া হবে। আমরা পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি চাই না। রাজার ছেলে রাজা হবে, রানির মেয়ে রানি-এই সংস্কৃতি দেশকে ফ্যাসিবাদের দিকে ঠেলে দিয়েছে। দেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরে আসুক-তা চাই না। আমরা চাই, যে যোগ্য সে দেশকে নেতৃত্ব দিবে। একজন রিকশাওয়ালার ছেলে উঠে আসবে। যাদের যোগ্যতা ও দেশপ্রেম আছে, আমরা তাদের উপযুক্ত জায়গায় বসাতে চাই।

জামায়াতের কুমিল্লা মহানগরের আমির ও কুমিল্লা-৬ আসনে দল মনোনীত প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ গোলাম পরওয়ার, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ প্রমুখ। জনসভায় কুমিল্লার বিভিন্ন আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ডা. শফিকুর রহমান প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।