লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও লালমাই
তৈয়বুর রহমান সোহেল

বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফুটল যথাসময়ে। পরিষ্কার আকাশ। সড়কে নেই গণপরিবহন। মনে হচ্ছিল একদম ধবধবে সড়ক। সুনসান নীরবতা। কিন্তু এক এক করে ভোট কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ করতেই দেখা গেল অন্য পরিবশে। ভোটাররা লাইন ধরে আছেন। কোথাও কোথাও এই সারি কেন্দ্র ছাপিয়ে চলে গেছে পাশের সড়কে। বাইরে নীরবতা, ভেতরে বাঁধ ভাঙা ঢল। এ যেন অন্য বাংলাদেশ!
সকাল সাড়ে আটটা। লাকসামের ধামৈচা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ভোটারের ঢল। বিশেষ করে নারী ভোটারের ব্যাপক উপস্থিতি। সবার চোখেমুখে উৎসবের ঝলক। ভোটারদের অনেকে ১৭ বছর পর ভোট দিতে এসেছেন।

ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা আবু ইসহাক জানান, ১০ বছর পূর্বে ভোটার হয়েছি। এবারই প্রথম ভোট দিতে আসলাম। নিজের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছি।
নাঙ্গলকোটের মক্রবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা মেলে অন্যরকম চিত্র। পুরুষ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়লেও নারী ভোটারের ভিড়। সবাই গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে ভোটের জন্য অপেক্ষমাণ।
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ওই কেন্দ্রের ভোটার পুষ্পা রাণী দাস জানান, সাড়ে সাতটায় ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছি। এখনও ভোট দিতে পারিনি। মেলা দিন পর ভোট দিতে পারব। এটাই বড় আনন্দের।
মক্রবপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম ছুপু বলেন, ভোট ডাকাতি করে গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাকে হারানো হয়েছিল। আজ মানুষ সত্যিকারের গণ রায় দিয়ে দিবে।

ওই আসনের নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ শিশু নিকেতন কেন্দ্রে গিয়ে কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। সকাল ১০টার পরপর সেখানে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত পরস্পরকে দোষারপ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে শক্ত অবস্থান না নিলেও পরবর্তীতে কঠোর অবস্থান নেয়। তবে বটতলী এ মতিন হাইস্কুল ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, জোড্ডা বাজার পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে বিএনপির লোকজনকে আধিপত্য বিস্তার করতে দেখা যায়। ঢালুয়া, চান্দগড়া, পাটোয়ার কেন্দ্রে ভালো ভোট হয়।
লালমাইয়ের ফয়েজগঞ্জ ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার পরিবেশ ছিল অন্যরকম। ভোট শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগেও বাইরে কর্মী-সমর্থকদের অবস্থান ছিল বেশ শান্তিপূর্ণ। ওই কেন্দ্রে প্রায় ৬৩ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মজিবুর রহমান খান বলেন, এর আগেও সাতটি নির্বাচনে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছি। এমন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কখনো দেখিনি। একবার জন্যও কেউ আমাকে বিরক্ত করেনি।
লাকসামের উত্তরদা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বেলাল হোসেন জানান, আগের রাত থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত চাপমুক্তভাবে কাজ করতে পেরেছি।

বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফুটল যথাসময়ে। পরিষ্কার আকাশ। সড়কে নেই গণপরিবহন। মনে হচ্ছিল একদম ধবধবে সড়ক। সুনসান নীরবতা। কিন্তু এক এক করে ভোট কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ করতেই দেখা গেল অন্য পরিবশে। ভোটাররা লাইন ধরে আছেন। কোথাও কোথাও এই সারি কেন্দ্র ছাপিয়ে চলে গেছে পাশের সড়কে। বাইরে নীরবতা, ভেতরে বাঁধ ভাঙা ঢল। এ যেন অন্য বাংলাদেশ!
সকাল সাড়ে আটটা। লাকসামের ধামৈচা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ভোটারের ঢল। বিশেষ করে নারী ভোটারের ব্যাপক উপস্থিতি। সবার চোখেমুখে উৎসবের ঝলক। ভোটারদের অনেকে ১৭ বছর পর ভোট দিতে এসেছেন।

ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা আবু ইসহাক জানান, ১০ বছর পূর্বে ভোটার হয়েছি। এবারই প্রথম ভোট দিতে আসলাম। নিজের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছি।
নাঙ্গলকোটের মক্রবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা মেলে অন্যরকম চিত্র। পুরুষ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়লেও নারী ভোটারের ভিড়। সবাই গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে ভোটের জন্য অপেক্ষমাণ।
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ওই কেন্দ্রের ভোটার পুষ্পা রাণী দাস জানান, সাড়ে সাতটায় ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছি। এখনও ভোট দিতে পারিনি। মেলা দিন পর ভোট দিতে পারব। এটাই বড় আনন্দের।
মক্রবপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম ছুপু বলেন, ভোট ডাকাতি করে গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাকে হারানো হয়েছিল। আজ মানুষ সত্যিকারের গণ রায় দিয়ে দিবে।

ওই আসনের নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ শিশু নিকেতন কেন্দ্রে গিয়ে কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। সকাল ১০টার পরপর সেখানে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত পরস্পরকে দোষারপ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে শক্ত অবস্থান না নিলেও পরবর্তীতে কঠোর অবস্থান নেয়। তবে বটতলী এ মতিন হাইস্কুল ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, জোড্ডা বাজার পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে বিএনপির লোকজনকে আধিপত্য বিস্তার করতে দেখা যায়। ঢালুয়া, চান্দগড়া, পাটোয়ার কেন্দ্রে ভালো ভোট হয়।
লালমাইয়ের ফয়েজগঞ্জ ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার পরিবেশ ছিল অন্যরকম। ভোট শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগেও বাইরে কর্মী-সমর্থকদের অবস্থান ছিল বেশ শান্তিপূর্ণ। ওই কেন্দ্রে প্রায় ৬৩ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মজিবুর রহমান খান বলেন, এর আগেও সাতটি নির্বাচনে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছি। এমন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কখনো দেখিনি। একবার জন্যও কেউ আমাকে বিরক্ত করেনি।
লাকসামের উত্তরদা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বেলাল হোসেন জানান, আগের রাত থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত চাপমুক্তভাবে কাজ করতে পেরেছি।