সরেজমিন বরুড়া
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল সাতটা ৩৫ মিনিট। কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনের আমড়াতলি চেরাগ আলী উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারের সারি। সকাল আটটা ৩০ মিনিটে পেরপেটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নারী ভোটারের দীর্ঘ সারি। সকাল নয়টায় কাকৈরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও একই অবস্থা। শুধু ওই তিন কেন্দ্র নয়, পুরো নির্বাচনী এলাকার অন্তত ৩৫ টি ভোটকেন্দ্র ঘুরে নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। এদের মধ্যে সনাতন নারী ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল বেশ। বিকেলে এই নির্বাচনী এলাকার ১০৫ টি ভোটকেন্দ্রের সবকয়টি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নারী ভোটারেরাই এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে জয়ী করতে নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁদের ভোটে দ্বিতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন জাকারিয়া তাহের সুমন। ২২ বছর পর তিনি আবারও সংসদ সদস্য হলেন।
জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক।
গতকাল বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া বরুড়া উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। যদিও জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল দাবি করেছেন, ৩০টি কেন্দ্রে ভোটে অনিয়ম হয়েছে।
উপজেলার মুড়িয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে, নারী ভোটার উপস্থিতি। এই কেন্দ্রের ভোটার নাজমা বেগম (৪০) বলেন, এতো সুন্দর ভোট দেখিনি আর।
ওড্ডা নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোটারের উপচে পড়া ভিড়। ওড্ডা দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সেনাবাহিনী ছিল তৎপর। সেখানেও নারী ভোটারের সারি। মুকুন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভংগুয়া, শশইয়া, মহিদপুর, আড্ডা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র ও একবাড়িয়া ভোটকেন্দ্র নারীদের উপস্থিতি।
কাকৈরতলা কেন্দ্রের ভোটার আয়েশা আক্তার (৩৫) বলেন, দীর্ঘ লাইন। লাইন লড়ে না। দাঁড়িয়ে আছি।
এবার ভোটারেরা ঈদের ছুটির মতো বাড়ি এসেছেন। তাঁরা পরিবার নিয়ে চারদিনের ছুটিতে বাড়ি ফিরেছেন। ভোটার সন্তানদের নিয়ে এসেছেন। দলবেঁধে ভোট দিতে যান কেন্দ্রে।
আড্ডা কেন্দ্রে এক সনাতন নারী ভোটার বলেন, দেশকে বাঁচাতে ভোট কেন্দ্রে আইছি।
এদিকে রাতে জানা গেছে বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন পেয়েছেন ১০৫ কেন্দ্রে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬ ভোট ও জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪১ হাজার ২০৯ ভোট।
জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, এই জয় বরুড়ার সর্বস্তরের মানুষের। আমি আগেও বলেছি, বরুড়ায় আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। সবাই ধানের শীষের জন্য কাজ করেছেন।

ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল সাতটা ৩৫ মিনিট। কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনের আমড়াতলি চেরাগ আলী উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারের সারি। সকাল আটটা ৩০ মিনিটে পেরপেটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নারী ভোটারের দীর্ঘ সারি। সকাল নয়টায় কাকৈরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও একই অবস্থা। শুধু ওই তিন কেন্দ্র নয়, পুরো নির্বাচনী এলাকার অন্তত ৩৫ টি ভোটকেন্দ্র ঘুরে নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। এদের মধ্যে সনাতন নারী ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল বেশ। বিকেলে এই নির্বাচনী এলাকার ১০৫ টি ভোটকেন্দ্রের সবকয়টি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নারী ভোটারেরাই এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে জয়ী করতে নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁদের ভোটে দ্বিতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন জাকারিয়া তাহের সুমন। ২২ বছর পর তিনি আবারও সংসদ সদস্য হলেন।
জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক।
গতকাল বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া বরুড়া উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। যদিও জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল দাবি করেছেন, ৩০টি কেন্দ্রে ভোটে অনিয়ম হয়েছে।
উপজেলার মুড়িয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে, নারী ভোটার উপস্থিতি। এই কেন্দ্রের ভোটার নাজমা বেগম (৪০) বলেন, এতো সুন্দর ভোট দেখিনি আর।
ওড্ডা নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোটারের উপচে পড়া ভিড়। ওড্ডা দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সেনাবাহিনী ছিল তৎপর। সেখানেও নারী ভোটারের সারি। মুকুন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভংগুয়া, শশইয়া, মহিদপুর, আড্ডা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র ও একবাড়িয়া ভোটকেন্দ্র নারীদের উপস্থিতি।
কাকৈরতলা কেন্দ্রের ভোটার আয়েশা আক্তার (৩৫) বলেন, দীর্ঘ লাইন। লাইন লড়ে না। দাঁড়িয়ে আছি।
এবার ভোটারেরা ঈদের ছুটির মতো বাড়ি এসেছেন। তাঁরা পরিবার নিয়ে চারদিনের ছুটিতে বাড়ি ফিরেছেন। ভোটার সন্তানদের নিয়ে এসেছেন। দলবেঁধে ভোট দিতে যান কেন্দ্রে।
আড্ডা কেন্দ্রে এক সনাতন নারী ভোটার বলেন, দেশকে বাঁচাতে ভোট কেন্দ্রে আইছি।
এদিকে রাতে জানা গেছে বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন পেয়েছেন ১০৫ কেন্দ্রে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬ ভোট ও জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪১ হাজার ২০৯ ভোট।
জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, এই জয় বরুড়ার সর্বস্তরের মানুষের। আমি আগেও বলেছি, বরুড়ায় আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। সবাই ধানের শীষের জন্য কাজ করেছেন।