নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, আইন অমান্য করে আর যেন কোনো উঁচু ভবন নির্মাণ করা না হয়। আর কেনো উঁচু ভবন আর করতে দেওয়া হবে না এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এ বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে।
আজ শনিবার বিকেলে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, আগে যারা আইন অমান্য করে উঁচু দালান নির্মাণ করেছেন, সেসব ভবন এখন ভেঙে ফেলা হয়তো সমীচীন হবে না। তবে অবৈধ দালান মালিকদের জরিমানা করা যেতে পারে। ভবিষ্যতে যেন কেউ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করতে না পারে, সে জন্য সরকার কঠোর হবে।
তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়ে কুমিল্লাবাসীর সঙ্গে তার মতের মিল রয়েছে। কারাগারটি শহরের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া কুমিল্লা শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন মন্ত্রী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম, জেলা পুলিশ মো. আনিসুজ্জামান।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, আইন অমান্য করে আর যেন কোনো উঁচু ভবন নির্মাণ করা না হয়। আর কেনো উঁচু ভবন আর করতে দেওয়া হবে না এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এ বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে।
আজ শনিবার বিকেলে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, আগে যারা আইন অমান্য করে উঁচু দালান নির্মাণ করেছেন, সেসব ভবন এখন ভেঙে ফেলা হয়তো সমীচীন হবে না। তবে অবৈধ দালান মালিকদের জরিমানা করা যেতে পারে। ভবিষ্যতে যেন কেউ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করতে না পারে, সে জন্য সরকার কঠোর হবে।
তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়ে কুমিল্লাবাসীর সঙ্গে তার মতের মিল রয়েছে। কারাগারটি শহরের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া কুমিল্লা শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন মন্ত্রী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম, জেলা পুলিশ মো. আনিসুজ্জামান।