কুমিল্লা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর
নিজস্ব প্রতিবেদক

এই প্রথমবারের মতো নজরুল বিষয়ক সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো ব্যতিক্রমী একটি আয়োজন উপভোগ করলেন প্রত্নতত্ত্বসংশ্লিষ্টরা। কুমিল্লার কোটবাড়িস্থ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে আজ সোমবার দিনব্যাপী পৃথক দুটি পর্বে এই অনুষ্ঠান হয়।
কুমিল্লা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে এ ধরনের ব্যতিক্রমী ও সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক আয়োজন এই প্রথম বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
‘নজরুলবর্ষ’ পালন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বেলা ১১টায় ‘কাজী নজরুল ইসলামের গানে প্রতিফলিত জীবনদর্শন’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান। উপস্থাপিত প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন নজরুল ইনস্টিটিউট কুমিল্লার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল-আমিন, গণমাধ্যমকর্মী জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল এবং লেখক ও নজরুল গবেষক পীযূষ কুমার ভট্টাচার্য।
লেখক ও নজরুল গবেষক পীযূষ কুমার ভট্টাচার্য তাঁর আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কবি নজরুলের প্রত্নপ্রেম ও কুমিল্লার ময়নামতি এলাকার প্রভাব কবির রচনায় প্রতিফলিত হয়েছে।
সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন রেজোয়ানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা।
দিনের দ্বিতীয় পর্বে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত প্রেক্ষাপট নিয়ে ‘দৌলতপুরে নজরুল’ শীর্ষক একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাতীয় কবির কালজয়ী গান পরিবেশন করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক এবং বিশিষ্ট নজরুলসংগীতশিল্পী আফরোজা খান মিতা।
এ ছাড়া প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কবির বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তি করেন। প্রত্নতত্ত্বসংশ্লিষ্টদের জন্য এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা বলে মনে করেন অংশগ্রহণকারীরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক জয়াশিস বণিক, কবি ও গবেষক এফ. এইচ. জারদিস, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ছাত্রী তাসিন সাইয়্যরো সোহা, ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. শাহীন আলম, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার মো. সজিব মিয়া এবং গবেষণা সহকারী মো. ওমর ফারুক।
দিনব্যাপী এই সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি স্থানীয় সুধীজন, গবেষক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।

এই প্রথমবারের মতো নজরুল বিষয়ক সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো ব্যতিক্রমী একটি আয়োজন উপভোগ করলেন প্রত্নতত্ত্বসংশ্লিষ্টরা। কুমিল্লার কোটবাড়িস্থ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে আজ সোমবার দিনব্যাপী পৃথক দুটি পর্বে এই অনুষ্ঠান হয়।
কুমিল্লা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে এ ধরনের ব্যতিক্রমী ও সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক আয়োজন এই প্রথম বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
‘নজরুলবর্ষ’ পালন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বেলা ১১টায় ‘কাজী নজরুল ইসলামের গানে প্রতিফলিত জীবনদর্শন’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান। উপস্থাপিত প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন নজরুল ইনস্টিটিউট কুমিল্লার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল-আমিন, গণমাধ্যমকর্মী জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল এবং লেখক ও নজরুল গবেষক পীযূষ কুমার ভট্টাচার্য।
লেখক ও নজরুল গবেষক পীযূষ কুমার ভট্টাচার্য তাঁর আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কবি নজরুলের প্রত্নপ্রেম ও কুমিল্লার ময়নামতি এলাকার প্রভাব কবির রচনায় প্রতিফলিত হয়েছে।
সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন রেজোয়ানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা।
দিনের দ্বিতীয় পর্বে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত প্রেক্ষাপট নিয়ে ‘দৌলতপুরে নজরুল’ শীর্ষক একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাতীয় কবির কালজয়ী গান পরিবেশন করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক এবং বিশিষ্ট নজরুলসংগীতশিল্পী আফরোজা খান মিতা।
এ ছাড়া প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কবির বিভিন্ন কবিতা আবৃত্তি করেন। প্রত্নতত্ত্বসংশ্লিষ্টদের জন্য এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা বলে মনে করেন অংশগ্রহণকারীরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক জয়াশিস বণিক, কবি ও গবেষক এফ. এইচ. জারদিস, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ছাত্রী তাসিন সাইয়্যরো সোহা, ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. শাহীন আলম, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার মো. সজিব মিয়া এবং গবেষণা সহকারী মো. ওমর ফারুক।
দিনব্যাপী এই সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি স্থানীয় সুধীজন, গবেষক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।