নিজস্ব প্রতিবেদক

ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন আজ। ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর অবিভক্ত কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখেন। একসঙ্গে বায়ান্ন ও একাত্তরের আন্দোলনের নেতা খুবই কম ছিলেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন উভয় আন্দোলনের নেতা, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি কুমিল্লা শহরের ধর্মসাগরের পশ্চিমপাড়ে বসবাস করতেন।
তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ কুমিল্লার উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় কান্দিরপাড় দেশপ্রিয় কনভেনশন হলে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
পরিষদের আহ্বায়ক শাহ মো. সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক তাপস বকসী ও সদস্য সচিব বশির উল আনোয়ার সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন।
জানা গেছে, ১৯৫২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ ধর্মসাগরপাড়ের বাসা থেকে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও তাঁর ছেলে দিলীপ কুমার দত্তকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী। ৩০ মার্চ কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসে তাঁদের অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।
শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ কুমিল্লার আহ্বায়ক শাহ মো. সেলিম বলেন, এবার আমরা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন পালন করছি। এছাড়া ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও নওয়াব ফয়জুন্নেছাকে নিয়ে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লায় মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে এনে একটি বড় আকারের অনুষ্ঠান করবেন। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন আজ। ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর অবিভক্ত কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখেন। একসঙ্গে বায়ান্ন ও একাত্তরের আন্দোলনের নেতা খুবই কম ছিলেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন উভয় আন্দোলনের নেতা, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি কুমিল্লা শহরের ধর্মসাগরের পশ্চিমপাড়ে বসবাস করতেন।
তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ কুমিল্লার উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় কান্দিরপাড় দেশপ্রিয় কনভেনশন হলে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
পরিষদের আহ্বায়ক শাহ মো. সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক তাপস বকসী ও সদস্য সচিব বশির উল আনোয়ার সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন।
জানা গেছে, ১৯৫২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ ধর্মসাগরপাড়ের বাসা থেকে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও তাঁর ছেলে দিলীপ কুমার দত্তকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী। ৩০ মার্চ কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসে তাঁদের অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।
শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ কুমিল্লার আহ্বায়ক শাহ মো. সেলিম বলেন, এবার আমরা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন পালন করছি। এছাড়া ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও নওয়াব ফয়জুন্নেছাকে নিয়ে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লায় মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে এনে একটি বড় আকারের অনুষ্ঠান করবেন। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।