নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে। উদ্ধারকৃত এসব চোরাচালানি পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ লাখ ৬ হাজার ৮৫০ টাকা।
বিজিবি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে—এমন সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস বিশেষ টহল দল অভিযানটি পরিচালনা করে। বিজিবি টহল দল সীমান্ত লাইনের কাছাকাছি কৌশলগত অবস্থান নিলে চোরাকারবারিরা মালামালসহ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে এবং তাদের ধাওয়ার মুখে চোরাকারবারিরা মালামালের বস্তাগুলো ফেলে অন্ধকারে সুকৌশলে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে পালিয়ে যায়। ফলে এই অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে টহল দল ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পরিত্যক্ত অবস্থায় চোরাচালানি মালামালগুলো জব্দ করে। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ি, থ্রি-পিস, থান কাপড়, কসমেটিকস সামগ্রী, বিভিন্ন প্রকারের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, বাজি এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য। চোরাচালানিরা এই বিপুল পরিমাণ পণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচারের উদ্দেশ্যে এনেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) অধিনায়ক এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দেশের অর্থনীতি রক্ষা, মাদক চোরাচালান রোধ এবং সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সর্বদা বদ্ধপরিকর। সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান বন্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় রেখে বিজিবি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। চোরাকারবারিদের যেকোনো অপতৎপরতা নস্যাৎ করতে সীমান্তে এই ধরনের কঠোর ও ঝটিকা অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
বিজিবি সূত্রে আরও জানা গেছে, জব্দকৃত অবৈধ ভারতীয় মালামাল বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কুমিল্লার সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে। উদ্ধারকৃত এসব চোরাচালানি পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ লাখ ৬ হাজার ৮৫০ টাকা।
বিজিবি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে—এমন সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস বিশেষ টহল দল অভিযানটি পরিচালনা করে। বিজিবি টহল দল সীমান্ত লাইনের কাছাকাছি কৌশলগত অবস্থান নিলে চোরাকারবারিরা মালামালসহ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে এবং তাদের ধাওয়ার মুখে চোরাকারবারিরা মালামালের বস্তাগুলো ফেলে অন্ধকারে সুকৌশলে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে পালিয়ে যায়। ফলে এই অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে টহল দল ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পরিত্যক্ত অবস্থায় চোরাচালানি মালামালগুলো জব্দ করে। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ি, থ্রি-পিস, থান কাপড়, কসমেটিকস সামগ্রী, বিভিন্ন প্রকারের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, বাজি এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য। চোরাচালানিরা এই বিপুল পরিমাণ পণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচারের উদ্দেশ্যে এনেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) অধিনায়ক এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দেশের অর্থনীতি রক্ষা, মাদক চোরাচালান রোধ এবং সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সর্বদা বদ্ধপরিকর। সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান বন্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় রেখে বিজিবি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। চোরাকারবারিদের যেকোনো অপতৎপরতা নস্যাৎ করতে সীমান্তে এই ধরনের কঠোর ও ঝটিকা অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
বিজিবি সূত্রে আরও জানা গেছে, জব্দকৃত অবৈধ ভারতীয় মালামাল বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।