কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ
সাজিদুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হয় একটি নতুন নাম, রোভার স্কাউট গ্রুপ। একই বছরের ২১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ তা এক যুগের গৌরবময় পথচলায় পরিণত হয়েছে। গত ১২ বছরে সংগঠনটি শুধু একটি স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য শিক্ষাঙ্গনে পরিণত হয়েছে।
রোভার স্কাউটিং এমন একটি আন্দোলন, যেখানে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব জীবনের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়। দলগত কাজ, আত্মনির্ভরশীলতা, সময়ানুবর্তিতা, সংকট মোকাবিলা এবং সমাজসেবার মতো মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে তারা নিজেদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। আজ আমরা জানবো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউটের সেবা, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার ইতিহাস, ঐতিহ্যের দীর্ঘ পথচলার গল্প।

বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি হিসেবে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম। গ্রুপ সম্পাদক ও রোভার স্কাউট লিডার (আরএসএল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লোক-প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়া উদ্দিন। গার্ল-ইন-রোভার স্কাউট লিডার হিসেবে রয়েছেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে সিনিয়র রোভারমেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাঈদ হাসান কানন এবং গার্ল-ইন সিনিয়র রোভারমেট হিসেবে রয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাবিহা সুলতানা বেলী।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী রোভার স্কাউট সদস্য হতে হলে প্রথমে মৌলিক প্রশিক্ষণ ও দীক্ষা গ্রহণ করতে হয়। এরপর ধাপে ধাপে ডে ক্যাম্প, সার্ভিস ক্যাম্প, হাইকিং, নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একজন সদস্য দক্ষ রোভারে পরিণত হন। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে তারা শুধু স্কাউটিংয়ের নীতি নয়, বরং বাস্তব জীবনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, দায়িত্ব পালন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাও অর্জন করেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভারদের কাজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও মানবিক দুর্যোগে তারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার সহায়তা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নেয়। পাশাপাশি রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও সংগঠনটির সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে।
জাতীয় থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউটের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্কাউটিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছেন। উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের মধ্যে রয়েছে সুবর্ণ জয়ন্তী রোভার মুট-২০২৪, দ্বিতীয় ইন্দো-বাংলা স্কাউট ফ্রেন্ডশিপ ক্যাম্প, ৩২তম এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল জাম্বুরি এবং ১১তম জাতীয় স্কাউট জাম্বুরি। এছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটসের হজ ক্যাম্পে প্রতিবছর স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সেবা প্রদানও তাদের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের একটি অংশ।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও বিভাগীয় প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারে অংশ নিয়ে সদস্যরা নিজেদের দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করছেন।
রোভার সদস্যদের জন্য সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ অর্জনগুলোর একটি হলো প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট (পিআরএস) অ্যাওয়ার্ড। নির্ধারিত প্রশিক্ষণ, সেবা ও দক্ষতার শর্ত পূরণকারী সদস্যরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির হাত থেকে এ সম্মাননা গ্রহণের সুযোগ পান। এটি একজন রোভারের নেতৃত্ব ও সেবার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট সাঈদ হাসান কানন বলেন, 'রোভার স্কাউটিং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে তারা দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংকট মোকাবিলার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বন্যা ও অন্যান্য মানবিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের লক্ষ্য দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।'
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট সাঈদ হাসান কানন বলেন, 'রোভার স্কাউটিং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে তারা দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংকট মোকাবিলার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বন্যা ও অন্যান্য মানবিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের লক্ষ্য দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।'

১২ বছরের পথচলায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ অসংখ্য শিক্ষার্থীকে নেতৃত্বের শিক্ষা দিয়েছে, মানবিক কাজে যুক্ত করেছে, ক্যাম্পাসে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মুহূর্তে সংগঠনটির প্রত্যাশা, আগামী দিনেও আরও বেশি শিক্ষার্থীকে স্কাউটিংয়ের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে সেবা, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হয় একটি নতুন নাম, রোভার স্কাউট গ্রুপ। একই বছরের ২১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ তা এক যুগের গৌরবময় পথচলায় পরিণত হয়েছে। গত ১২ বছরে সংগঠনটি শুধু একটি স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য শিক্ষাঙ্গনে পরিণত হয়েছে।
রোভার স্কাউটিং এমন একটি আন্দোলন, যেখানে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব জীবনের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়। দলগত কাজ, আত্মনির্ভরশীলতা, সময়ানুবর্তিতা, সংকট মোকাবিলা এবং সমাজসেবার মতো মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে তারা নিজেদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। আজ আমরা জানবো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউটের সেবা, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার ইতিহাস, ঐতিহ্যের দীর্ঘ পথচলার গল্প।

বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি হিসেবে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম। গ্রুপ সম্পাদক ও রোভার স্কাউট লিডার (আরএসএল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লোক-প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়া উদ্দিন। গার্ল-ইন-রোভার স্কাউট লিডার হিসেবে রয়েছেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে সিনিয়র রোভারমেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাঈদ হাসান কানন এবং গার্ল-ইন সিনিয়র রোভারমেট হিসেবে রয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাবিহা সুলতানা বেলী।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী রোভার স্কাউট সদস্য হতে হলে প্রথমে মৌলিক প্রশিক্ষণ ও দীক্ষা গ্রহণ করতে হয়। এরপর ধাপে ধাপে ডে ক্যাম্প, সার্ভিস ক্যাম্প, হাইকিং, নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একজন সদস্য দক্ষ রোভারে পরিণত হন। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে তারা শুধু স্কাউটিংয়ের নীতি নয়, বরং বাস্তব জীবনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, দায়িত্ব পালন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাও অর্জন করেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভারদের কাজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও মানবিক দুর্যোগে তারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার সহায়তা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নেয়। পাশাপাশি রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও সংগঠনটির সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে।
জাতীয় থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউটের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্কাউটিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছেন। উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের মধ্যে রয়েছে সুবর্ণ জয়ন্তী রোভার মুট-২০২৪, দ্বিতীয় ইন্দো-বাংলা স্কাউট ফ্রেন্ডশিপ ক্যাম্প, ৩২তম এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল জাম্বুরি এবং ১১তম জাতীয় স্কাউট জাম্বুরি। এছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটসের হজ ক্যাম্পে প্রতিবছর স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সেবা প্রদানও তাদের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের একটি অংশ।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও বিভাগীয় প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারে অংশ নিয়ে সদস্যরা নিজেদের দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করছেন।
রোভার সদস্যদের জন্য সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ অর্জনগুলোর একটি হলো প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট (পিআরএস) অ্যাওয়ার্ড। নির্ধারিত প্রশিক্ষণ, সেবা ও দক্ষতার শর্ত পূরণকারী সদস্যরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির হাত থেকে এ সম্মাননা গ্রহণের সুযোগ পান। এটি একজন রোভারের নেতৃত্ব ও সেবার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট সাঈদ হাসান কানন বলেন, 'রোভার স্কাউটিং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে তারা দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংকট মোকাবিলার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বন্যা ও অন্যান্য মানবিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের লক্ষ্য দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।'
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট সাঈদ হাসান কানন বলেন, 'রোভার স্কাউটিং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর মাধ্যমে তারা দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংকট মোকাবিলার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। বন্যা ও অন্যান্য মানবিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের লক্ষ্য দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।'

১২ বছরের পথচলায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ অসংখ্য শিক্ষার্থীকে নেতৃত্বের শিক্ষা দিয়েছে, মানবিক কাজে যুক্ত করেছে, ক্যাম্পাসে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মুহূর্তে সংগঠনটির প্রত্যাশা, আগামী দিনেও আরও বেশি শিক্ষার্থীকে স্কাউটিংয়ের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে সেবা, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।