বরুড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার বরুড়ায় দর্জি মোবারক হোসেনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ মঙ্গলবার উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের চৌওড়ী এলাকার প্রধান সড়কে আয়োজিত এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
বক্তব্য রাখেন, শাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জহির হোসেন, কবির হোসেন, সমাজসেবক আবদুল মান্নান পাটোয়ারী, মাওলানা মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, শশিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা মোহাম্মদ মাসুদ আলম পাটোয়ারী এবং বরুড়া সুন্নীয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ মোতালেব হোসেন মজুমদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, মোবারক হোসেন হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে হবে। ঘটনার সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, আবার প্রকৃত অপরাধীও যেন পার পেয়ে না যান-তদন্তে এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত শেষ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা।
গত ২৪ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের চৌওড়ী কমিউনিটি ক্লিনিক ও শহীদ প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পেছন থেকে মোবারক হোসেনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে বরুড়া থানা পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানান, পবিত্র হজ পালনের জন্য অর্থের সংস্থান করতে মোবারক হোসেন সম্প্রতি তার কিছু জমি বিক্রি করেন। ওই জমি বিক্রির টাকা নিয়ে ছেলে, পুত্রবধূ ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে কয়েক দফায় পারিবারিক কলহের ঘটনাও ঘটেছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
তবে জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বিরোধের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের ছেলে শহীদ উল্ল্যাহ ও তার স্ত্রীর আচরণ নিয়ে সন্দেহের কথা জানায় সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এসব বিষয় সামনে আসার পর পুলিশ শহীদ উল্ল্যাহ ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শহীদ উল্ল্যাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
পুলিশ জানায়, গত ২৪ অক্টোবর রাতে শহীদ উল্ল্যাহ ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে শহীদ উল্ল্যাহকে আদালতে পাঠানো হয়। তার স্ত্রীকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বরুড়া থানা-পুলিশ জানায়, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে শহীদ উল্ল্যাহকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বিরোধের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চৌওড়ী এলাকার প্রধান সড়কে দুই শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে মোবারক হোসেন হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জোরালোভাবে উঠে আসে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হবে এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা আইনের আওতায় আসবেন।

কুমিল্লার বরুড়ায় দর্জি মোবারক হোসেনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ মঙ্গলবার উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের চৌওড়ী এলাকার প্রধান সড়কে আয়োজিত এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
বক্তব্য রাখেন, শাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জহির হোসেন, কবির হোসেন, সমাজসেবক আবদুল মান্নান পাটোয়ারী, মাওলানা মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, শশিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা মোহাম্মদ মাসুদ আলম পাটোয়ারী এবং বরুড়া সুন্নীয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ মোতালেব হোসেন মজুমদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, মোবারক হোসেন হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে হবে। ঘটনার সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, আবার প্রকৃত অপরাধীও যেন পার পেয়ে না যান-তদন্তে এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত শেষ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা।
গত ২৪ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের চৌওড়ী কমিউনিটি ক্লিনিক ও শহীদ প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পেছন থেকে মোবারক হোসেনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে বরুড়া থানা পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানান, পবিত্র হজ পালনের জন্য অর্থের সংস্থান করতে মোবারক হোসেন সম্প্রতি তার কিছু জমি বিক্রি করেন। ওই জমি বিক্রির টাকা নিয়ে ছেলে, পুত্রবধূ ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে কয়েক দফায় পারিবারিক কলহের ঘটনাও ঘটেছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
তবে জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বিরোধের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের ছেলে শহীদ উল্ল্যাহ ও তার স্ত্রীর আচরণ নিয়ে সন্দেহের কথা জানায় সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এসব বিষয় সামনে আসার পর পুলিশ শহীদ উল্ল্যাহ ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শহীদ উল্ল্যাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
পুলিশ জানায়, গত ২৪ অক্টোবর রাতে শহীদ উল্ল্যাহ ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে শহীদ উল্ল্যাহকে আদালতে পাঠানো হয়। তার স্ত্রীকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বরুড়া থানা-পুলিশ জানায়, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে শহীদ উল্ল্যাহকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বিরোধের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চৌওড়ী এলাকার প্রধান সড়কে দুই শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে মোবারক হোসেন হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জোরালোভাবে উঠে আসে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হবে এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা আইনের আওতায় আসবেন।