অভিযোগ ৩১ জনের নামে, ঋণ নেননি তিনি, মানহা কোম্পানি তাঁর নয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ নিয়ে কুমিল্লা- ৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমনের বিরুদ্ধে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত এক নেতার আত্মীয় ধারাবাহিক মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য দিয়ে নিউজ করাচ্ছেন। গত মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত তিনি ওই কাজ করে যাচ্ছেন বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন।
বরুড়া উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড মানহা প্রিকাস্ট টেকনোলজি লিমিটেডকে ৪০৩ দশমিক ১২ কোটি টাকা ঋণ দেয়। বর্তমানে ওই দেনা ৬৪৭ দশমিক ৬৮ কোটি টাকা। ব্যাংকের দিলকুশা শাখা, প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য ওই ঋণ দেয়। আওয়ামী লীগ শাসনামলে ওই ঋণ দেওয়া হয়। তখন বোর্ডের বেশির ভাগ সদস্য সিকদার পরিবার ও তাঁদের অনুগত অনুসারী ছিলেন। জাকারিয়া তাহের সুমন বেশির ভাগ মিটিংয়ে যেতেন না। জয়নুল হক সিকদার, তাঁর স্ত্রী মানোয়ারা সিকদার, মেয়ে পারভীন হক সিকদার, ছেলে রণ হক সিকদারেরা ব্যাংকটি দখলে নেয়। তারা ইচ্ছেমতো ব্যাংক চালায় ও পছন্দের লোকদের ঋণ দিতো। এরই মধ্যে মানহার ঋণ নিয়ে গত ২২ ডিসেম্বর বিকেল দুইটায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক আফরোজা হক খান একটি অভিযোগ দাখিল করেন দুদকে। এতে ৩১ জনের নামে অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে জাকারিয়া তাহের সুমনের নাম আট নম্বরে। সম্প্রতি কুমিল্লার কয়েকটি গণমাধ্যমে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের বিরুদ্ধে ৬৪৭ কোটি টাকার জালিয়াতি মামলার অভিযোগ শীর্ষক প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদন পড়ে মনে হয় জাকারিয়া তাহের সুমন ৬৪৭ কোটি টাকা জালিয়াতি করেছেন একলা। মানহা কারখানা তাঁর নয়। তিনি বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য। তাও তিনি নিয়মিত সভায় যেতেন না। যে সভায় যেতেন সেখানে নায্য কথা বলতেন।
কুমিল্লায় বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত এক নেতার আত্মীয় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে জাকারিয়া তাহের সুমনের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে আসছেন। ওই আত্মীয়ের তৈরি কিছু ফেক আইডি থেকে অপপ্রচার করছেন। ৩ নভেম্বরের পর মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ এনে ভুঁইফোড় গণমাধ্যমে কনটেন্ট করান। এখন তাঁর বিরুদ্ধে ৬৪৭ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ করেন। বিভিন্ন মাধ্যমে নিউজ করাচ্ছেন। আমরা এই ধরনের উদ্দেশ্য প্রণীত শিরোনামের খবরের তীব্র নিন্দা জানাই। নির্বাচনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় এই ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
মামলার অভিযোগে নাম আছে, ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জয়নুল হক সিকদারের স্ত্রী সাবেক পরিচালক মনোয়ারা সিকদার, সিকদারের মেয়ে সাবেক পরিচালক ও চেয়ারম্যান পারভীন হক সিকদার, সাবেক পরিচালক খলিলুর রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন, রন হক সিকদার, মো আনোয়ার হোসেন, মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে সাবেক পরিচালক মাবরুর হোসেন, সাবেক পরিচালক জাকারিয়া তাহের সুমন ও মো বদিউল আলম, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার শামীম আরা হক, আমিরুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট চন্দন কুমার দাস, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মুন্সী সারোয়ার জান, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, দিলীপ কুমার দাস, জাহানারা আকতার, মো. এনায়েতউল্লাহ, মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, ব্যবস্থাপক মো একরামুল হক, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিনা সুলতানা, মো সাইদুর রহমান, এটিএম এবাদুল হক, সৈয়দ রইস উদ্দিন, এ এস এম বুলবুল, সাবেক এমডি এম এ ওয়াদুদ, মো হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ আবু রাশেদ নোয়াব, সাবেক এমডি চৌধুরী মোসতাক আহমেদ, মানহা প্রিকাস্ট টেকনোলজি লিমিটেডর পরিচালক মো মনসুর আলী, মানহার সিইও সৈয়দ মাহতাব উদ্দিন মাহমুদ, আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি প্রয়াত আসলামুল হকের স্ত্রী মাহির রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ও মাইশা প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের পরিচালক মাকসুদা হক। মামলার ২৮ জনই ন্যাশনাল ব্যাংকের। তিনজন ঋণ নেওয়া ব্যক্তি।
দুদক জানিয়েছে , দুদক মামলাটি আগে তদন্ত করবে। ব্যাংকের লোকজন যোগসাজশে ওই ঋন দেয়।
বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন বলেন, , জাকারিয়া তাহের সুমন আওয়ামীলীগ আমলে ব্যাংকে যেতেন না। তিনি নিয়মরক্ষায় বোর্ড সভায় যেতেন। জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন। মনোনয়ন বঞ্চিত একটি গোষ্ঠী তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। পত্রিকার খবর পড়লে বুঝা যাবে, মনে হয় সুমন সাহেবের একার বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ।

ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ নিয়ে কুমিল্লা- ৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমনের বিরুদ্ধে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত এক নেতার আত্মীয় ধারাবাহিক মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য দিয়ে নিউজ করাচ্ছেন। গত মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত তিনি ওই কাজ করে যাচ্ছেন বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন।
বরুড়া উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড মানহা প্রিকাস্ট টেকনোলজি লিমিটেডকে ৪০৩ দশমিক ১২ কোটি টাকা ঋণ দেয়। বর্তমানে ওই দেনা ৬৪৭ দশমিক ৬৮ কোটি টাকা। ব্যাংকের দিলকুশা শাখা, প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য ওই ঋণ দেয়। আওয়ামী লীগ শাসনামলে ওই ঋণ দেওয়া হয়। তখন বোর্ডের বেশির ভাগ সদস্য সিকদার পরিবার ও তাঁদের অনুগত অনুসারী ছিলেন। জাকারিয়া তাহের সুমন বেশির ভাগ মিটিংয়ে যেতেন না। জয়নুল হক সিকদার, তাঁর স্ত্রী মানোয়ারা সিকদার, মেয়ে পারভীন হক সিকদার, ছেলে রণ হক সিকদারেরা ব্যাংকটি দখলে নেয়। তারা ইচ্ছেমতো ব্যাংক চালায় ও পছন্দের লোকদের ঋণ দিতো। এরই মধ্যে মানহার ঋণ নিয়ে গত ২২ ডিসেম্বর বিকেল দুইটায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক আফরোজা হক খান একটি অভিযোগ দাখিল করেন দুদকে। এতে ৩১ জনের নামে অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে জাকারিয়া তাহের সুমনের নাম আট নম্বরে। সম্প্রতি কুমিল্লার কয়েকটি গণমাধ্যমে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের বিরুদ্ধে ৬৪৭ কোটি টাকার জালিয়াতি মামলার অভিযোগ শীর্ষক প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদন পড়ে মনে হয় জাকারিয়া তাহের সুমন ৬৪৭ কোটি টাকা জালিয়াতি করেছেন একলা। মানহা কারখানা তাঁর নয়। তিনি বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য। তাও তিনি নিয়মিত সভায় যেতেন না। যে সভায় যেতেন সেখানে নায্য কথা বলতেন।
কুমিল্লায় বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত এক নেতার আত্মীয় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে জাকারিয়া তাহের সুমনের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে আসছেন। ওই আত্মীয়ের তৈরি কিছু ফেক আইডি থেকে অপপ্রচার করছেন। ৩ নভেম্বরের পর মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ এনে ভুঁইফোড় গণমাধ্যমে কনটেন্ট করান। এখন তাঁর বিরুদ্ধে ৬৪৭ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ করেন। বিভিন্ন মাধ্যমে নিউজ করাচ্ছেন। আমরা এই ধরনের উদ্দেশ্য প্রণীত শিরোনামের খবরের তীব্র নিন্দা জানাই। নির্বাচনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় এই ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
মামলার অভিযোগে নাম আছে, ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জয়নুল হক সিকদারের স্ত্রী সাবেক পরিচালক মনোয়ারা সিকদার, সিকদারের মেয়ে সাবেক পরিচালক ও চেয়ারম্যান পারভীন হক সিকদার, সাবেক পরিচালক খলিলুর রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন, রন হক সিকদার, মো আনোয়ার হোসেন, মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে সাবেক পরিচালক মাবরুর হোসেন, সাবেক পরিচালক জাকারিয়া তাহের সুমন ও মো বদিউল আলম, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার শামীম আরা হক, আমিরুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট চন্দন কুমার দাস, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মুন্সী সারোয়ার জান, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, দিলীপ কুমার দাস, জাহানারা আকতার, মো. এনায়েতউল্লাহ, মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, ব্যবস্থাপক মো একরামুল হক, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিনা সুলতানা, মো সাইদুর রহমান, এটিএম এবাদুল হক, সৈয়দ রইস উদ্দিন, এ এস এম বুলবুল, সাবেক এমডি এম এ ওয়াদুদ, মো হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ আবু রাশেদ নোয়াব, সাবেক এমডি চৌধুরী মোসতাক আহমেদ, মানহা প্রিকাস্ট টেকনোলজি লিমিটেডর পরিচালক মো মনসুর আলী, মানহার সিইও সৈয়দ মাহতাব উদ্দিন মাহমুদ, আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি প্রয়াত আসলামুল হকের স্ত্রী মাহির রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ও মাইশা প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের পরিচালক মাকসুদা হক। মামলার ২৮ জনই ন্যাশনাল ব্যাংকের। তিনজন ঋণ নেওয়া ব্যক্তি।
দুদক জানিয়েছে , দুদক মামলাটি আগে তদন্ত করবে। ব্যাংকের লোকজন যোগসাজশে ওই ঋন দেয়।
বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন বলেন, , জাকারিয়া তাহের সুমন আওয়ামীলীগ আমলে ব্যাংকে যেতেন না। তিনি নিয়মরক্ষায় বোর্ড সভায় যেতেন। জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন। মনোনয়ন বঞ্চিত একটি গোষ্ঠী তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। পত্রিকার খবর পড়লে বুঝা যাবে, মনে হয় সুমন সাহেবের একার বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ।