বরুড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার বরুড়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সরেজমিনে ইউএনওর হস্তক্ষেপে ঘরে ফিরল বৃদ্ধ বাবা। তিন এতদিন প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মুরগির খামারে ছিলেন। তাঁর ছয় ছেলে। তাঁদের বাড়ি বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড রাজপুর গ্রামে।

ছেলেরা তাদের পরিবার নিয়ে থাকেন বিল্ডিং ঘরে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সশরীরে ঘটনা স্থলে গিয়ে বৃদ্ধ বাবা ফজল করিমের খোঁজখবর নেন এবং ছেলের ঘরে দিয়ে আসেন। তিনি কড়া হুঁশিয়ার করে বলেন, যিনি বাবার দেখাশোনা করবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হচ্ছে এবং প্রশংসায় ভাসছেন বরুড়া উপজেলার ইউএনও আসাদুজ্জামান রনি।

কুমিল্লার বরুড়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর সরেজমিনে ইউএনওর হস্তক্ষেপে ঘরে ফিরল বৃদ্ধ বাবা। তিন এতদিন প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মুরগির খামারে ছিলেন। তাঁর ছয় ছেলে। তাঁদের বাড়ি বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড রাজপুর গ্রামে।

ছেলেরা তাদের পরিবার নিয়ে থাকেন বিল্ডিং ঘরে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সশরীরে ঘটনা স্থলে গিয়ে বৃদ্ধ বাবা ফজল করিমের খোঁজখবর নেন এবং ছেলের ঘরে দিয়ে আসেন। তিনি কড়া হুঁশিয়ার করে বলেন, যিনি বাবার দেখাশোনা করবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হচ্ছে এবং প্রশংসায় ভাসছেন বরুড়া উপজেলার ইউএনও আসাদুজ্জামান রনি।