মো. শরীফ উদ্দিন, বরুড়া

কুমিল্লার বরুড়ায় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নির্দেশনায় ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে গ্রামীণ জনপদের রাস্তা। প্রকল্পের রূপরেখায় তাঁর নির্বাচনী এলাকা বরুড়া উপজেলার একযোগে ১৫টি ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়কগুলোর চিত্র ধীরে ধীরে পাল্টে যাচ্ছে। উপজেলার দক্ষিণ খোশবাস ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড হোসেনপুর এলাকার জাকির ভূঁইয়ার বাড়ি থেকে ভদ্রারপাড় পর্যন্ত ৪৬০ ফুট কাঁচা সড়কটি ইতোমধ্যে ইটের সলিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতে কালামুড়ি, ভদ্রারপাড়, হোসেনপুর, মহেশপুরসহ তিন-চার গ্রামের প্রায় ১৫-২০ হাজার মানুষের চলাচলে ভোগান্তি কমেছে।
হোসেনপুর গ্রামের বাসিন্দা মো.জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এখন ঘর থেকেই দেখা যাবে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তাল গাছ, আর এর মাঝখানে বয়ে যাওয়া ইটগাঁথা লাল সড়কের নান্দনিক চিত্র। আগে ঘর থেকে বের হলে কর্দমাক্ত সড়ক পাড়িয়ে যাতায়াত করতে হতো। বর্ষার মৌসুমে চলাচলে বেগ পোহাতে হতো। ঘুরে গ্রামের প্রধান সড়ক হয়ে পাশের গ্রাম ভদ্রারপাড় যেতাম। এখন সড়কটিতে ইটের সলিং হওয়ায় ঘুরতে হবে না। সময়ও সাশ্রয় হবে। যানবাহন চলাচলেও সহজ হবে।
ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল বাশার বলেন, এলাকার সকল মুরুব্বিদের অনুরোধে মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি মহোদয়ের সুপারিশে এই সড়কটি সলিং করার জন্য বরাদ্দ দেয়। সড়কের কাজটি খুব কম সময়ে সম্পন্ন করায় আমরা গ্রামবাসী খুবই আনন্দিত এবং আমাদের নেতার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞ।
দক্ষিণ খোশবাস ইউনিয়নের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহপরান বলেন, এ রাস্তাটি বর্ষার মৌসুমে কাদাযুক্ত থাকত। এতে জনসাধারণের চলাচলে বিঘিœত হতো। মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী নির্বাচনের আগে আমাদের গ্রামে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছেন, আমি যদি আপনাদের ভোটে জয়ী হতে পারি-এই হোসেনপুর গ্রামকে সবার আগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি চলাচলে অসুবিধা হয় এমন রাস্তাগুলো ইটের সলিং এবং পাকা করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। আজ এটির বাস্তবায়ন হয়েছে। এ রাস্তাটি দিয়ে ৩-৪ গ্রামের মানুষের বর্ষাকালে চলাচলে এখন আর ভোগান্তি পোহাবে না। সড়কের উন্নয়ন দেখে গ্রামবাসী খুবই খুশি!

কুমিল্লার বরুড়ায় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নির্দেশনায় ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে গ্রামীণ জনপদের রাস্তা। প্রকল্পের রূপরেখায় তাঁর নির্বাচনী এলাকা বরুড়া উপজেলার একযোগে ১৫টি ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়কগুলোর চিত্র ধীরে ধীরে পাল্টে যাচ্ছে। উপজেলার দক্ষিণ খোশবাস ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড হোসেনপুর এলাকার জাকির ভূঁইয়ার বাড়ি থেকে ভদ্রারপাড় পর্যন্ত ৪৬০ ফুট কাঁচা সড়কটি ইতোমধ্যে ইটের সলিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতে কালামুড়ি, ভদ্রারপাড়, হোসেনপুর, মহেশপুরসহ তিন-চার গ্রামের প্রায় ১৫-২০ হাজার মানুষের চলাচলে ভোগান্তি কমেছে।
হোসেনপুর গ্রামের বাসিন্দা মো.জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এখন ঘর থেকেই দেখা যাবে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তাল গাছ, আর এর মাঝখানে বয়ে যাওয়া ইটগাঁথা লাল সড়কের নান্দনিক চিত্র। আগে ঘর থেকে বের হলে কর্দমাক্ত সড়ক পাড়িয়ে যাতায়াত করতে হতো। বর্ষার মৌসুমে চলাচলে বেগ পোহাতে হতো। ঘুরে গ্রামের প্রধান সড়ক হয়ে পাশের গ্রাম ভদ্রারপাড় যেতাম। এখন সড়কটিতে ইটের সলিং হওয়ায় ঘুরতে হবে না। সময়ও সাশ্রয় হবে। যানবাহন চলাচলেও সহজ হবে।
ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল বাশার বলেন, এলাকার সকল মুরুব্বিদের অনুরোধে মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি মহোদয়ের সুপারিশে এই সড়কটি সলিং করার জন্য বরাদ্দ দেয়। সড়কের কাজটি খুব কম সময়ে সম্পন্ন করায় আমরা গ্রামবাসী খুবই আনন্দিত এবং আমাদের নেতার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞ।
দক্ষিণ খোশবাস ইউনিয়নের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহপরান বলেন, এ রাস্তাটি বর্ষার মৌসুমে কাদাযুক্ত থাকত। এতে জনসাধারণের চলাচলে বিঘিœত হতো। মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী নির্বাচনের আগে আমাদের গ্রামে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছেন, আমি যদি আপনাদের ভোটে জয়ী হতে পারি-এই হোসেনপুর গ্রামকে সবার আগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি চলাচলে অসুবিধা হয় এমন রাস্তাগুলো ইটের সলিং এবং পাকা করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। আজ এটির বাস্তবায়ন হয়েছে। এ রাস্তাটি দিয়ে ৩-৪ গ্রামের মানুষের বর্ষাকালে চলাচলে এখন আর ভোগান্তি পোহাবে না। সড়কের উন্নয়ন দেখে গ্রামবাসী খুবই খুশি!