দেবীদ্বার প্রতিনিধি

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৫) সড়ক থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় বুধবার দুপুরে কিশোরীর মা বাদী হয়ে দেবীদ্বার থানায় দুই যুবককে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
গত শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ধর্ষকরা পালিয়ে যান। এরপর গোপনে থেকে ৩ লাখ টাকায় ঘটনাটি দফারফা করার চেষ্টা করেন।
পুলিশ জানায়, ওই ঘটনা মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ভিক্টিমের বাবা, মা ঢাকা থেকে এলাকায় আসেন এবং বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বুধবার দুপুরে ভিক্টিমের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তরা হলেন, দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের মো. সবুজ মিয়া (২৪) ও একই গ্রামের মো. ইসমাইল (২৯)। উভয় ধর্ষক প্রবাস থেকে দেশে আসেন এবং তারা দুজনই সম্পর্কে খালাতো ভাই।
বারেরা দাখিল মহিলা মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আমির হোসেন জানান, যেদিন ঘটনা ঘটে সেদিন মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। এখন সাময়িক পরীক্ষা চলছে। গত রোববার আমি মেয়েটির দাদিকে ডেকে এনে নাতনিকে তাঁর কাছে তুলে দিয়ে বলি, পরীক্ষা নিয়মিত চালিয়ে যেতে। আর ওই ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেই।
কিশোরীর বাবা জানান, গত রোববার বিষয়টি আমার মেয়ে ফোনে জানায়। আমি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করি। আমার স্ত্রীও তখন ঢাকা ছিল। সংবাদ পেয়ে গতকাল আমরা বাড়ি আসি। অভিযুক্তরা নারী পাচারকারী। যারা আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
কিশোরী জানান, সবুজ আমাকে প্রেমের প্রস্তাবে বিরক্ত করে আসছিল। আমি রাজি না হওয়ায় ভয় দেখিয়ে গত শনিবার সকাল আটটায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বারেরা ফুলগাছ তলায় ডেকে নেয়। গলায় ছুরি ঠেকিয়ে এবং হুমকির মুখে, সবুজ ও ইসমাইল সেখান থেকে অটোরিকশাযোগে আমাকে সবুজের বাড়িতে নিয়ে যায়। সবুজের স্ত্রী ডেলিভারির কারণে কুমিল্লায় ছিল। সেখানে সবুজ এবং ইসমাইল আমাকে ধর্ষণ করে। এসময় এ ঘটনা কাউকে জানালে এসিড দিয়ে মুখ ঝলসে দেবে এবং আমার বাবাকে হত্যা করার হুমকি দেয়। ওই বাড়ির এক মহিলা ও একটি মেয়ে আসলে তাদের ধমকে তাড়িয়ে দেয়। দুজনই একটু আড়ালে গিয়ে কার সঙ্গে যেন ফোনে কথা বলছিল, টাকার বিনিময়ে আমাকে বিক্রি করে দেবে। দ্রুত টাকা নিয়ে চলে আসতে। তখন বুঝলাম সবুজ নারী পাচারকারী। আমি আমার হিজাব পরিবর্তন করে সবুজের স্ত্রীর হিজাব পওে কৌশলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি এবং বাড়িতে গিয়ে দাদিকে সব খুলে বলি।
কিশোরীর দাদি জানান, বারেরা এবং বড়আলমপুর গ্রামের কয়েকজন লোক বিষয়টি গোপন রাখতে বলে এবং ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে শেষ করার প্রস্তাব দেয়।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখি। পরে অভিভাবকদের ডেকে এনে থানায় মামলা দায়ের পূর্বক ভিক্টিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ২২ ধারায় ভিক্টিমের জবানবন্দি রেকর্ড করাই। আমরা খুব দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৫) সড়ক থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় বুধবার দুপুরে কিশোরীর মা বাদী হয়ে দেবীদ্বার থানায় দুই যুবককে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
গত শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ধর্ষকরা পালিয়ে যান। এরপর গোপনে থেকে ৩ লাখ টাকায় ঘটনাটি দফারফা করার চেষ্টা করেন।
পুলিশ জানায়, ওই ঘটনা মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ভিক্টিমের বাবা, মা ঢাকা থেকে এলাকায় আসেন এবং বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বুধবার দুপুরে ভিক্টিমের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তরা হলেন, দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের মো. সবুজ মিয়া (২৪) ও একই গ্রামের মো. ইসমাইল (২৯)। উভয় ধর্ষক প্রবাস থেকে দেশে আসেন এবং তারা দুজনই সম্পর্কে খালাতো ভাই।
বারেরা দাখিল মহিলা মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আমির হোসেন জানান, যেদিন ঘটনা ঘটে সেদিন মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। এখন সাময়িক পরীক্ষা চলছে। গত রোববার আমি মেয়েটির দাদিকে ডেকে এনে নাতনিকে তাঁর কাছে তুলে দিয়ে বলি, পরীক্ষা নিয়মিত চালিয়ে যেতে। আর ওই ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেই।
কিশোরীর বাবা জানান, গত রোববার বিষয়টি আমার মেয়ে ফোনে জানায়। আমি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করি। আমার স্ত্রীও তখন ঢাকা ছিল। সংবাদ পেয়ে গতকাল আমরা বাড়ি আসি। অভিযুক্তরা নারী পাচারকারী। যারা আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
কিশোরী জানান, সবুজ আমাকে প্রেমের প্রস্তাবে বিরক্ত করে আসছিল। আমি রাজি না হওয়ায় ভয় দেখিয়ে গত শনিবার সকাল আটটায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বারেরা ফুলগাছ তলায় ডেকে নেয়। গলায় ছুরি ঠেকিয়ে এবং হুমকির মুখে, সবুজ ও ইসমাইল সেখান থেকে অটোরিকশাযোগে আমাকে সবুজের বাড়িতে নিয়ে যায়। সবুজের স্ত্রী ডেলিভারির কারণে কুমিল্লায় ছিল। সেখানে সবুজ এবং ইসমাইল আমাকে ধর্ষণ করে। এসময় এ ঘটনা কাউকে জানালে এসিড দিয়ে মুখ ঝলসে দেবে এবং আমার বাবাকে হত্যা করার হুমকি দেয়। ওই বাড়ির এক মহিলা ও একটি মেয়ে আসলে তাদের ধমকে তাড়িয়ে দেয়। দুজনই একটু আড়ালে গিয়ে কার সঙ্গে যেন ফোনে কথা বলছিল, টাকার বিনিময়ে আমাকে বিক্রি করে দেবে। দ্রুত টাকা নিয়ে চলে আসতে। তখন বুঝলাম সবুজ নারী পাচারকারী। আমি আমার হিজাব পরিবর্তন করে সবুজের স্ত্রীর হিজাব পওে কৌশলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি এবং বাড়িতে গিয়ে দাদিকে সব খুলে বলি।
কিশোরীর দাদি জানান, বারেরা এবং বড়আলমপুর গ্রামের কয়েকজন লোক বিষয়টি গোপন রাখতে বলে এবং ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে শেষ করার প্রস্তাব দেয়।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখি। পরে অভিভাবকদের ডেকে এনে থানায় মামলা দায়ের পূর্বক ভিক্টিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ২২ ধারায় ভিক্টিমের জবানবন্দি রেকর্ড করাই। আমরা খুব দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।