কুমিল্লা-৮(বরুড়া)
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমনের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণায় ও সাংগঠনিক শক্তিতে এগিয়ে আছেন। তাঁর কোন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বি নেই। তাঁর অনুসারীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রতিদিনই লিফলেট নিয়ে যাচ্ছেন। নারী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে একের পর এক মহিলা সমাবেশ ও মহিলা নির্বাচনী সমাবেশ করছেন তিনি। এবারই প্রথমবার তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন সহধর্মিনী নাজনীন আহমেদ।
কুমিল্লার রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেছেন, কুমিল্লা জেলায় বিএনপির কনফার্ম আসন বরুড়া। ক্লিন ইমেজের সুমনের সঙ্গে কোন শক্ত প্রার্থী নেই। সুমনের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আছে। সবার আগে বরুড়ার আসন বিএনপি গুনতেই পারে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বরুড়া উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে গ্রামে পাড়া মহল্লায় তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা গুছানো। দলে নেই কোন ধরণের কোন্দল। যেখানেই তিনি যাচ্ছেন সেখানেই বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হচ্ছেন। সাংগঠনিক তৎপরতাও বেশ। অন্য কোন দলের প্রার্থীর সমর্থকেরা ভোটারদের আইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর আনতে গেলে পাকড়াও করছেন তাঁর অনুসারীরা। ইতিমধ্যে রাজামারা গ্রামে দুইজনকে চ্যালেঞ্জ করছেন। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাঁকে নিয়ে করা কনটেন্ট ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে ভোটারদের মধ্যে। সনাতন ও ভিন্নমতের ভোটারেরাও তাঁকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন।
সম্প্রতি বরুড়া উপজেলার অন্তত ১৩ টি গ্রাম ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিন যুগ ধরে বংশ পরম্পরায় সুমনের পরিবার বরুড়া উপজেলার মানুষের জন্য দলমত নির্বিশেষে কাজ করে যাচ্ছেন। বিরোধী দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকেও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের পর বরুড়া উপজেলার স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেশির ভাগই ছিল বিএনপির। দলের প্রার্থীদের জেতাতে তিনি ছিলেন সাংগঠনিকভাবে বেশ তৎপর, তাঁদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন। এই কারণে বরুড়ার পেশাজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে অসম্ভব জনপ্রিয় ও আস্থার প্রতীক জাকারিয়া তাহের সুমন।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্বাচনের ফলাফল নথি দেখে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত ১২ টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। এবারসহ ১৩ টি নির্বাচন হচ্ছে। ১২ টি নির্বাচনের মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে জামায়াত ইসলামী এই আসনে প্রার্থী দেয়। এতে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭২ ভোটের মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন পেয়েছিলেন ২ হাজার ৭৯৭ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর ওই নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার আবারও জামায়াত প্রার্থী দিয়েছে কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুল আলম হেলালকে। তাঁকে বরুড়ার লোকজন সুমনের তুলনায় কম চেনেন। তিনি এই নির্বাচনে নতুন মুখ। বরুড়ার পুর্বাঞ্চলের শিলমুড়ি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গালিমপুর ইউনিয়নে তাঁর কিছুটা পরিচিতি আছে। তবে জামায়াত সাংগঠনিকভাবে তাঁদের এই প্রার্থীকে নিয়ে মাঠে তৎপর আছে। এবার এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৮২৬। এবার জামায়াত কত ভোট পায়, সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচন শেষে ভোট গণনা পর্যন্ত।
জানতে চাইলে জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল বলেন, আরও চার- পাঁচ মাস আগে মাঠে নামলে আরও বেশি ভালো করতে পারতাম। তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছি।
এদিকে গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক হন। এরপর তিনি কুমিল্লার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১০টি উপজেলা, একটি মহানগর, চারটি পৌরসভায় তৃণমূল থেকে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাই করেন। এতে করে দলের মধ্যে গণতন্ত্র ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে। নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁকে ঘিরে আস্থা তৈরি হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর প্রতি আস্থা রেখেছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি হয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক।
বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন বলেন, কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতবেন জাকারিয়া তাহের সুমন। তিনি সংগঠন করে রাজনীতি করছেন। জামায়াত বরুড়ায় কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারবে না। অতীতের নির্বাচনী রেকর্ড তা বলছে না। ওদের ভোট আগে ২ হাজার ৮০০ এর মতো ছিল।
জানতে চাইলে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন,‘ আধুনিক বরুড়া গড়তে নির্বাচন করছি। দলের ৩১ দফা কর্মসূচি ও বরুড়ার নানা সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়ে কাজ করব।
তিনি বলেন, হঠাৎ করে রাজনীতির মাঠে আসিনি। প্রায় তিন যুগ ৩৬ বছর ধরে আমরা রাজনীতি করছি। আমি বিএনপি করি। কিন্তু বরুড়ার মানুষের জন্য দলমত নির্বিশেষে কাজ করছি। এই উপজেলার বেশিরভাগ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। আমি বরুড়াবাসীর এমপি হতে চাই।

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমনের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণায় ও সাংগঠনিক শক্তিতে এগিয়ে আছেন। তাঁর কোন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বি নেই। তাঁর অনুসারীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রতিদিনই লিফলেট নিয়ে যাচ্ছেন। নারী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে একের পর এক মহিলা সমাবেশ ও মহিলা নির্বাচনী সমাবেশ করছেন তিনি। এবারই প্রথমবার তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন সহধর্মিনী নাজনীন আহমেদ।
কুমিল্লার রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেছেন, কুমিল্লা জেলায় বিএনপির কনফার্ম আসন বরুড়া। ক্লিন ইমেজের সুমনের সঙ্গে কোন শক্ত প্রার্থী নেই। সুমনের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আছে। সবার আগে বরুড়ার আসন বিএনপি গুনতেই পারে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বরুড়া উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে গ্রামে পাড়া মহল্লায় তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা গুছানো। দলে নেই কোন ধরণের কোন্দল। যেখানেই তিনি যাচ্ছেন সেখানেই বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হচ্ছেন। সাংগঠনিক তৎপরতাও বেশ। অন্য কোন দলের প্রার্থীর সমর্থকেরা ভোটারদের আইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর আনতে গেলে পাকড়াও করছেন তাঁর অনুসারীরা। ইতিমধ্যে রাজামারা গ্রামে দুইজনকে চ্যালেঞ্জ করছেন। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাঁকে নিয়ে করা কনটেন্ট ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে ভোটারদের মধ্যে। সনাতন ও ভিন্নমতের ভোটারেরাও তাঁকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন।
সম্প্রতি বরুড়া উপজেলার অন্তত ১৩ টি গ্রাম ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিন যুগ ধরে বংশ পরম্পরায় সুমনের পরিবার বরুড়া উপজেলার মানুষের জন্য দলমত নির্বিশেষে কাজ করে যাচ্ছেন। বিরোধী দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকেও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের পর বরুড়া উপজেলার স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেশির ভাগই ছিল বিএনপির। দলের প্রার্থীদের জেতাতে তিনি ছিলেন সাংগঠনিকভাবে বেশ তৎপর, তাঁদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন। এই কারণে বরুড়ার পেশাজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে অসম্ভব জনপ্রিয় ও আস্থার প্রতীক জাকারিয়া তাহের সুমন।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্বাচনের ফলাফল নথি দেখে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত ১২ টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। এবারসহ ১৩ টি নির্বাচন হচ্ছে। ১২ টি নির্বাচনের মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে জামায়াত ইসলামী এই আসনে প্রার্থী দেয়। এতে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭২ ভোটের মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন পেয়েছিলেন ২ হাজার ৭৯৭ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর ওই নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার আবারও জামায়াত প্রার্থী দিয়েছে কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুল আলম হেলালকে। তাঁকে বরুড়ার লোকজন সুমনের তুলনায় কম চেনেন। তিনি এই নির্বাচনে নতুন মুখ। বরুড়ার পুর্বাঞ্চলের শিলমুড়ি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গালিমপুর ইউনিয়নে তাঁর কিছুটা পরিচিতি আছে। তবে জামায়াত সাংগঠনিকভাবে তাঁদের এই প্রার্থীকে নিয়ে মাঠে তৎপর আছে। এবার এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৮২৬। এবার জামায়াত কত ভোট পায়, সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচন শেষে ভোট গণনা পর্যন্ত।
জানতে চাইলে জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল বলেন, আরও চার- পাঁচ মাস আগে মাঠে নামলে আরও বেশি ভালো করতে পারতাম। তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছি।
এদিকে গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক হন। এরপর তিনি কুমিল্লার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১০টি উপজেলা, একটি মহানগর, চারটি পৌরসভায় তৃণমূল থেকে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাই করেন। এতে করে দলের মধ্যে গণতন্ত্র ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে। নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁকে ঘিরে আস্থা তৈরি হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর প্রতি আস্থা রেখেছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি হয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক।
বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন বলেন, কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতবেন জাকারিয়া তাহের সুমন। তিনি সংগঠন করে রাজনীতি করছেন। জামায়াত বরুড়ায় কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারবে না। অতীতের নির্বাচনী রেকর্ড তা বলছে না। ওদের ভোট আগে ২ হাজার ৮০০ এর মতো ছিল।
জানতে চাইলে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন,‘ আধুনিক বরুড়া গড়তে নির্বাচন করছি। দলের ৩১ দফা কর্মসূচি ও বরুড়ার নানা সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়ে কাজ করব।
তিনি বলেন, হঠাৎ করে রাজনীতির মাঠে আসিনি। প্রায় তিন যুগ ৩৬ বছর ধরে আমরা রাজনীতি করছি। আমি বিএনপি করি। কিন্তু বরুড়ার মানুষের জন্য দলমত নির্বিশেষে কাজ করছি। এই উপজেলার বেশিরভাগ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। আমি বরুড়াবাসীর এমপি হতে চাই।