নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

নাঙ্গলকোটে একটি মৎস্য খামারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও জিআাই পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার পেড়িয়া ইউনিয়নের মগুয়া এলাকার আল বাশারাত মৎস্য খামার থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে স্থানীয় ভোটারদের মাঝে ভোট কেন্দ্রে নাশকতা ঘটানোর আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসময় যৌথবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ ২শতাধিক খালি জর্দার কৌটা ও শতাধিক জিআাই পাইপ উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন থেকে কতিপয় লোক আল বাশারাত মৎস্য খামারে হাত ব্যাগ নিয়ে আসা-যাওয়া করে আসছিলেন। বুধবার দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে একটি মাইক্রোবাস করে কতিপয় লোক আসে। কিছুক্ষণ পর তারা কয়েকটি হাত ব্যাগে ভরে এবং মাইক্রোবাসে করে কিছু মালামাল নিয়ে যায়। এসময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তারা পরিত্যক্ত ভবনে গিয়ে ককটেল তৈরির উদ্ধারকৃত সরঞ্জাম দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে থানা পুলিশকে খবর দিলে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হাত ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেন।
আল বাশারাত মৎস্য প্রজেক্টের দায়িত্বরত ম্যানেজার রায়হান রহমান রাজু বলেন, ৪-৫ জন লোক গত কয়েকদিন থেকে এখানে আসছিলেন। এসময় আমি এসে দেখি খামারের দুইজন কর্মচারীকে বাইরে বসিয়ে রেখেছে। আমি যেতে চাইলে আমাকেও তারা বাইরে বসিয়ে রাখে। পরে আমি ওপরের কক্ষে চলে যাওয়ার পরও তারা প্রায় এক ঘণ্টা এখানে ছিল।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে যৌথবাহিনী জিআাই পাইপসহ বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করে। বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা করে বলতে পারব এগুলো বিস্ফোরক কি না।

নাঙ্গলকোটে একটি মৎস্য খামারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও জিআাই পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার পেড়িয়া ইউনিয়নের মগুয়া এলাকার আল বাশারাত মৎস্য খামার থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে স্থানীয় ভোটারদের মাঝে ভোট কেন্দ্রে নাশকতা ঘটানোর আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসময় যৌথবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ ২শতাধিক খালি জর্দার কৌটা ও শতাধিক জিআাই পাইপ উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন থেকে কতিপয় লোক আল বাশারাত মৎস্য খামারে হাত ব্যাগ নিয়ে আসা-যাওয়া করে আসছিলেন। বুধবার দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে একটি মাইক্রোবাস করে কতিপয় লোক আসে। কিছুক্ষণ পর তারা কয়েকটি হাত ব্যাগে ভরে এবং মাইক্রোবাসে করে কিছু মালামাল নিয়ে যায়। এসময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তারা পরিত্যক্ত ভবনে গিয়ে ককটেল তৈরির উদ্ধারকৃত সরঞ্জাম দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে থানা পুলিশকে খবর দিলে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হাত ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেন।
আল বাশারাত মৎস্য প্রজেক্টের দায়িত্বরত ম্যানেজার রায়হান রহমান রাজু বলেন, ৪-৫ জন লোক গত কয়েকদিন থেকে এখানে আসছিলেন। এসময় আমি এসে দেখি খামারের দুইজন কর্মচারীকে বাইরে বসিয়ে রেখেছে। আমি যেতে চাইলে আমাকেও তারা বাইরে বসিয়ে রাখে। পরে আমি ওপরের কক্ষে চলে যাওয়ার পরও তারা প্রায় এক ঘণ্টা এখানে ছিল।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে যৌথবাহিনী জিআাই পাইপসহ বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করে। বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা করে বলতে পারব এগুলো বিস্ফোরক কি না।