কুমিল্লায় সেনাবাহিনীর ইমার্জেন্সি রেসপন্স মহড়া
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে 'ইমার্জেন্সি রেসপন্স' মহড়া সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার কুমিল্লা নগরের হাউজিং এস্টেট লাউয়া দিঘির মাঠে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এলো ট্যাঙ্ক, আহতদের উদ্ধার করে হেলিকপ্টার।

মহড়ায় দেখানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সকালে একটি ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, এমন একটি কৃত্রিম পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যক্রম শুরু করে। পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়। সেনাবাহিনীর একটি সশস্ত্র দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও কৌশলগত অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই সঙ্গে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের হেলিকপ্টারের মাধ্যমে কুমিল্লা সেনানিবাস সংলগ্ন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানো হয়।
এই মহড়ার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র দখল, সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সমন্বিত ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা বাস্তবভিত্তিকভাবে যাচাই করা হয়। এতে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়, কমান্ড ও কন্ট্রোল ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি মূল্যায়ন করা হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে 'ইমার্জেন্সি রেসপন্স' মহড়া সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার কুমিল্লা নগরের হাউজিং এস্টেট লাউয়া দিঘির মাঠে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এলো ট্যাঙ্ক, আহতদের উদ্ধার করে হেলিকপ্টার।

মহড়ায় দেখানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সকালে একটি ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, এমন একটি কৃত্রিম পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যক্রম শুরু করে। পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়। সেনাবাহিনীর একটি সশস্ত্র দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও কৌশলগত অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই সঙ্গে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের হেলিকপ্টারের মাধ্যমে কুমিল্লা সেনানিবাস সংলগ্ন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) পাঠানো হয়।
এই মহড়ার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র দখল, সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সমন্বিত ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা বাস্তবভিত্তিকভাবে যাচাই করা হয়। এতে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়, কমান্ড ও কন্ট্রোল ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি মূল্যায়ন করা হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।