বরুড়া প্রতিনিধি

বরুড়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক সর্দার (৮৫) আর নেই। আজ শুক্রবার সকাল পাঁচটা ১০ মিনিটে তিনি রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান তিনি (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
আজ বাদ আসর বরুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর মৃত্যুতে বরুড়ায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক সর্দার ছিলেন বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ নেতা। মানুষ হিসেবে ছিলেন নরম মনের মানুষ। দেশ ও দলের জন্য তিনি কাজ করেছেন। বরুড়াবাসী তাঁকে আজন্ম মনে রাখবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, বরুড়া আজ হারাল একজন অভিভাবককে। এমন একজন মানুষকে, যিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, সেনাসদস্য, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং সর্বোপরি একজন সজ্জন ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।
বরুড়া সদরের উত্তর পাড়ার ঐতিহ্যবাহী সর্দার পরিবারের কৃতী সন্তান। বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক সর্দার দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোওে মারা যান।
শামছুল হক সর্দার ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সম্মুখ যোদ্ধা। তিনি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত ও দেশপ্রেমিক সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
অবসর গ্রহণের পরও তিনি থেমে থাকেননি। বরং নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছিলেন রাজনীতি, সমাজসেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে। তিনি বরুড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এবং বরুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তি শামছুল হক সর্দারের সততা, প্রজ্ঞা ও গ্রহণযোগ্যতা ছিল সর্বমহলে স্বীকৃত।
বরুড়া সদর বাজারের জটিল অনেক সমস্যার সমাধান তাঁর বিচক্ষণ নেতৃত্বে সহজ হয়ে যেতো। তিনি ছিলেন এলাকার একজন অভিভাবকতুল্য মুরব্বি, যাঁর আহ্বানে মানুষ একত্রিত হতো, বিরোধের অবসান ঘটত এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হতো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন এবং জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর আন্তরিক সম্পৃক্ততা তাঁকে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে দিয়েছে।
তাঁর বিদায়ে বরুড়া হারাল একজন অভিজ্ঞ নেতৃত্ব, একজন দেশপ্রেমিক, একজন সমাজসংগঠক এবং একজন সর্বজনগ্রাহ্য মানুষকে। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। সমাজ ও দেশ গঠনে তাঁর অবদান এবং আদর্শ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

বরুড়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক সর্দার (৮৫) আর নেই। আজ শুক্রবার সকাল পাঁচটা ১০ মিনিটে তিনি রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান তিনি (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
আজ বাদ আসর বরুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। তাঁর মৃত্যুতে বরুড়ায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক সর্দার ছিলেন বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ নেতা। মানুষ হিসেবে ছিলেন নরম মনের মানুষ। দেশ ও দলের জন্য তিনি কাজ করেছেন। বরুড়াবাসী তাঁকে আজন্ম মনে রাখবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, বরুড়া আজ হারাল একজন অভিভাবককে। এমন একজন মানুষকে, যিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, সেনাসদস্য, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং সর্বোপরি একজন সজ্জন ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।
বরুড়া সদরের উত্তর পাড়ার ঐতিহ্যবাহী সর্দার পরিবারের কৃতী সন্তান। বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক সর্দার দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোওে মারা যান।
শামছুল হক সর্দার ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সম্মুখ যোদ্ধা। তিনি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত ও দেশপ্রেমিক সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
অবসর গ্রহণের পরও তিনি থেমে থাকেননি। বরং নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছিলেন রাজনীতি, সমাজসেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে। তিনি বরুড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এবং বরুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তি শামছুল হক সর্দারের সততা, প্রজ্ঞা ও গ্রহণযোগ্যতা ছিল সর্বমহলে স্বীকৃত।
বরুড়া সদর বাজারের জটিল অনেক সমস্যার সমাধান তাঁর বিচক্ষণ নেতৃত্বে সহজ হয়ে যেতো। তিনি ছিলেন এলাকার একজন অভিভাবকতুল্য মুরব্বি, যাঁর আহ্বানে মানুষ একত্রিত হতো, বিরোধের অবসান ঘটত এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হতো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন এবং জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর আন্তরিক সম্পৃক্ততা তাঁকে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে দিয়েছে।
তাঁর বিদায়ে বরুড়া হারাল একজন অভিজ্ঞ নেতৃত্ব, একজন দেশপ্রেমিক, একজন সমাজসংগঠক এবং একজন সর্বজনগ্রাহ্য মানুষকে। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। সমাজ ও দেশ গঠনে তাঁর অবদান এবং আদর্শ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।