লাকসাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার আলিম শিক্ষার্থী সুরাইয়া জান্নাত নিজ হাতে পবিত্র কোরআনের সম্পূর্ণ ৩০ পারা লিখে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার হাতের লেখা এতটাই নিখুঁত যে, প্রথম দেখায় এটি ছাপা নাকি হাতে লেখা, তা বোঝা কঠিন।
১৮ বছর বয়সী সুরাইয়া লাকসাম উপজেলার মুদাফরগঞ্জ এ ইউ ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার আলিম দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর এই ব্যতিক্রমী অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ কান্দিরপাড় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে তাকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রাশেদা আক্তার, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও বলেন, এত অল্প বয়সে সুরাইয়ার এই অর্জন সত্যিই প্রশংসনীয় এবং তাঁর পড়াশোনায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
সুরাইয়া জানান, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি কোরআন লেখা শুরু করে টানা আট মাসের পরিশ্রমে ৬১১ পৃষ্ঠার পুরো কোরআন সম্পন্ন করেন। এ কাজে তিনি প্রায় ৫৫টি কলম ব্যবহার করেছেন। প্রতিবার লেখার আগে অজু করে দরূদ শরিফ পাঠের মাধ্যমে কাজ শুরু করতেন বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং মহানবী (সা.)-এর শাফায়াত লাভের আশায় এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় নষ্ট না করে কল্যাণকর কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতেই তিনি কোরআন লেখার সিদ্ধান্ত নেন। ভবিষ্যতে নিজ হাতে সহিহ বুখারি লেখারও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
সুরাইয়ার মা জানান, ছোটবেলা থেকেই মেয়ের আরবি ভাষা ও সুন্দর হাতের লেখার প্রতি আগ্রহ ছিল। মেয়ের এ সাফল্যে খুশি হয়ে সৌদি প্রবাসী বাবা নুর হোসেন লিটন তাকে এক লাখ টাকা পুরস্কার দিয়েছেন।

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার আলিম শিক্ষার্থী সুরাইয়া জান্নাত নিজ হাতে পবিত্র কোরআনের সম্পূর্ণ ৩০ পারা লিখে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার হাতের লেখা এতটাই নিখুঁত যে, প্রথম দেখায় এটি ছাপা নাকি হাতে লেখা, তা বোঝা কঠিন।
১৮ বছর বয়সী সুরাইয়া লাকসাম উপজেলার মুদাফরগঞ্জ এ ইউ ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার আলিম দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর এই ব্যতিক্রমী অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ কান্দিরপাড় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে তাকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রাশেদা আক্তার, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও বলেন, এত অল্প বয়সে সুরাইয়ার এই অর্জন সত্যিই প্রশংসনীয় এবং তাঁর পড়াশোনায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
সুরাইয়া জানান, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি কোরআন লেখা শুরু করে টানা আট মাসের পরিশ্রমে ৬১১ পৃষ্ঠার পুরো কোরআন সম্পন্ন করেন। এ কাজে তিনি প্রায় ৫৫টি কলম ব্যবহার করেছেন। প্রতিবার লেখার আগে অজু করে দরূদ শরিফ পাঠের মাধ্যমে কাজ শুরু করতেন বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং মহানবী (সা.)-এর শাফায়াত লাভের আশায় এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় নষ্ট না করে কল্যাণকর কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতেই তিনি কোরআন লেখার সিদ্ধান্ত নেন। ভবিষ্যতে নিজ হাতে সহিহ বুখারি লেখারও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
সুরাইয়ার মা জানান, ছোটবেলা থেকেই মেয়ের আরবি ভাষা ও সুন্দর হাতের লেখার প্রতি আগ্রহ ছিল। মেয়ের এ সাফল্যে খুশি হয়ে সৌদি প্রবাসী বাবা নুর হোসেন লিটন তাকে এক লাখ টাকা পুরস্কার দিয়েছেন।