নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল তাঁর নিজের কেন্দ্র সাওড়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফেল করেছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৯১ ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন পেয়েছেন ১ হাজার ৪৮৩ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের চেয়ে ধানের শীষ এই কেন্দ্রে ৭৯২ ভোট বেশি পেয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রিসাইডিং অফিসার ও বরুড়া শহীদস্মৃতি সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. সুলতান আহমেদ ওই ফল ঘোষণা করা হয়।
এই কেন্দ্রের অন্য প্রার্থীদের একতারা প্রতীকের গোলাম মোরশেদ ৩৭ ভোট, হাত পাখা প্রতীকের মো. গোলাম ছাদেক ১৬ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের এইচ এম ইরফান ৭ ভোট, মিনার প্রতীকের আবদুল কাদের ৩ ভোট, হাতি প্রতীকের মো. মফিজ উদ্দীন আহমেদ ২ ও মই প্রতীকের মো. আলী আশ্রাফ ১ ভোট।
এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২ হাজার ৩১৭ ভোট। এর মধ্যে আট প্রার্থী ভোট পেয়েছে ২ হাজার ২৪০ ভোট। ভোট বাতিল হয়েছে ৭৭ টি।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুল আলম হেলালের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে জামায়াতের স্থানীয় অন্তত তিনজন নেতার ভাষ্য, জামায়াত এই আসনে ৩০ বছর পর প্রার্থী হয়েছে। তাঁদের প্রার্থী এই আসনে স্বল্প সময়ে মাঠে নেমেছেন। আরও আগে মাঠে নামলে ভালো করতো।

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শফিকুল আলম হেলাল তাঁর নিজের কেন্দ্র সাওড়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফেল করেছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৯১ ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন পেয়েছেন ১ হাজার ৪৮৩ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের চেয়ে ধানের শীষ এই কেন্দ্রে ৭৯২ ভোট বেশি পেয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রিসাইডিং অফিসার ও বরুড়া শহীদস্মৃতি সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. সুলতান আহমেদ ওই ফল ঘোষণা করা হয়।
এই কেন্দ্রের অন্য প্রার্থীদের একতারা প্রতীকের গোলাম মোরশেদ ৩৭ ভোট, হাত পাখা প্রতীকের মো. গোলাম ছাদেক ১৬ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের এইচ এম ইরফান ৭ ভোট, মিনার প্রতীকের আবদুল কাদের ৩ ভোট, হাতি প্রতীকের মো. মফিজ উদ্দীন আহমেদ ২ ও মই প্রতীকের মো. আলী আশ্রাফ ১ ভোট।
এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২ হাজার ৩১৭ ভোট। এর মধ্যে আট প্রার্থী ভোট পেয়েছে ২ হাজার ২৪০ ভোট। ভোট বাতিল হয়েছে ৭৭ টি।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী কুমিল্লার ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুল আলম হেলালের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে জামায়াতের স্থানীয় অন্তত তিনজন নেতার ভাষ্য, জামায়াত এই আসনে ৩০ বছর পর প্রার্থী হয়েছে। তাঁদের প্রার্থী এই আসনে স্বল্প সময়ে মাঠে নেমেছেন। আরও আগে মাঠে নামলে ভালো করতো।