১০ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ
ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর থেকে বালিনা পর্যন্ত সড়কটির সংস্কারকাজ ১০ বছর ধরে থমকে রয়েছে। দীর্ঘদিন মেরামত না করায় খানাখন্দে ভরা সড়কটির বড় একটি অংশ পাশের খালে বিলীন হয়ে গেছে।চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন ও পথচারী।
ব্রাহ্মণপাড়া ও পার্শ্ববর্তী দেবীদ্বার উপজেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী এই সড়কটি প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। কিন্তু ২০২৪ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় সড়কটির অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়ে এবং তা সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে| বন্যার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত সড়কে এক ঝুড়ি মাটিও ফেলা হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
সড়কে চলাচলকারী স্থানীয় বাসিন্দা ইমন হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচলের কোনো উপায় নেই, বাধ্য হয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিতে হয়। সড়কের এই কঙ্কালসার অবস্থার কারণে আশপাশের বিয়ের উপযুক্ত ছেলে-মেয়েদের ভালো আত্মীয়তাও আসছে না।’
আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, গত ৭-৮ বছর ধরে এই সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। একটু বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা কাদা ও পিচ্ছিল হয়ে পড়ে, যা চলাচলের একদম অযোগ্য হয়ে দাঁড়ায়।
দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুল হক ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘এই সড়কটি আমাদের ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রধান দুঃখ। ১০টি গ্রামের সহজ যোগাযোগের এই পথটির সংস্কারে কয়েকবার দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করা হলেও অজানা কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। সাবেক সংসদ সদস্য চেষ্টা করেছিলেন, আশা করছি দ্রুতই নতুন দরপত্র অনুমোদন পাবে।’
উপজেলা প্রকৌশলী মো. গোলাপ হোসেন ভূঁইয়া জানান, সড়কটির অবস্থা সত্যিই খুব নাজুক। পূর্বে অনুমোদন পেয়েও টেন্ডার বাতিল হয়েছিল। তবে বর্তমানে নতুন করে দরপত্র প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শিগগিরই টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর থেকে বালিনা পর্যন্ত সড়কটির সংস্কারকাজ ১০ বছর ধরে থমকে রয়েছে। দীর্ঘদিন মেরামত না করায় খানাখন্দে ভরা সড়কটির বড় একটি অংশ পাশের খালে বিলীন হয়ে গেছে।চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন ও পথচারী।
ব্রাহ্মণপাড়া ও পার্শ্ববর্তী দেবীদ্বার উপজেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী এই সড়কটি প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। কিন্তু ২০২৪ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় সড়কটির অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়ে এবং তা সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে| বন্যার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত সড়কে এক ঝুড়ি মাটিও ফেলা হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
সড়কে চলাচলকারী স্থানীয় বাসিন্দা ইমন হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচলের কোনো উপায় নেই, বাধ্য হয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিতে হয়। সড়কের এই কঙ্কালসার অবস্থার কারণে আশপাশের বিয়ের উপযুক্ত ছেলে-মেয়েদের ভালো আত্মীয়তাও আসছে না।’
আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, গত ৭-৮ বছর ধরে এই সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। একটু বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা কাদা ও পিচ্ছিল হয়ে পড়ে, যা চলাচলের একদম অযোগ্য হয়ে দাঁড়ায়।
দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুল হক ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘এই সড়কটি আমাদের ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রধান দুঃখ। ১০টি গ্রামের সহজ যোগাযোগের এই পথটির সংস্কারে কয়েকবার দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করা হলেও অজানা কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। সাবেক সংসদ সদস্য চেষ্টা করেছিলেন, আশা করছি দ্রুতই নতুন দরপত্র অনুমোদন পাবে।’
উপজেলা প্রকৌশলী মো. গোলাপ হোসেন ভূঁইয়া জানান, সড়কটির অবস্থা সত্যিই খুব নাজুক। পূর্বে অনুমোদন পেয়েও টেন্ডার বাতিল হয়েছিল। তবে বর্তমানে নতুন করে দরপত্র প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শিগগিরই টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।