ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় হারবাল চিকিৎসার প্রচারণার আড়ালে ছড়িয়ে পড়েছে অশ্লীল ও আপত্তিকর পোস্টার। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের সড়ক, দেয়াল, বৈদ্যুতিক খুঁটি এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশেও এসব পোস্টার চোখে পড়ছে।
পোস্টারগুলোতে যৌন সমস্যার অতিরঞ্জিত ও অশালীন ভাষায় চিকিৎসার দাবি করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের সামনে এসব পোস্টার থাকায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এ ধরনের পোস্টার একেবারেই বেমানান। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
এক অভিভাবক জানান, মেয়েকে নিয়ে কলেজে গেলে এসব পোস্টার দেখে খুব অস্বস্তি লাগে। লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে যায়। দ্রæত এসব সরানো উচিত।
স্থানীয়রা বলছেন, এসব পোস্টার শুধু অশালীনই নয়, অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর চিকিৎসার প্রতিশ্রæতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করার আশঙ্কাও রয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, দ্রæত এসব পোস্টার অপসারণ করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে জনসাধারণ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক পরিবেশে চলাফেরা করতে পারে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় হারবাল চিকিৎসার প্রচারণার আড়ালে ছড়িয়ে পড়েছে অশ্লীল ও আপত্তিকর পোস্টার। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের সড়ক, দেয়াল, বৈদ্যুতিক খুঁটি এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশেও এসব পোস্টার চোখে পড়ছে।
পোস্টারগুলোতে যৌন সমস্যার অতিরঞ্জিত ও অশালীন ভাষায় চিকিৎসার দাবি করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের সামনে এসব পোস্টার থাকায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এ ধরনের পোস্টার একেবারেই বেমানান। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
এক অভিভাবক জানান, মেয়েকে নিয়ে কলেজে গেলে এসব পোস্টার দেখে খুব অস্বস্তি লাগে। লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে যায়। দ্রæত এসব সরানো উচিত।
স্থানীয়রা বলছেন, এসব পোস্টার শুধু অশালীনই নয়, অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর চিকিৎসার প্রতিশ্রæতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করার আশঙ্কাও রয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, দ্রæত এসব পোস্টার অপসারণ করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে জনসাধারণ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক পরিবেশে চলাফেরা করতে পারে।