ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ধান্যদৌল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীর নাম সাবা আক্তার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী। সে উপজেলা সদর ইউনিয়নের কল্পবাস গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে। পরিবারসহ ভাড়া বাসায় বসবাস করে সে।
জানা যায়, বিদ্যুৎ না থাকায় আগের রাতে ঘুমাতে পারেনি সাবা আক্তার। পরদিন স্কুল চলাকালীন সময়েও বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে ক্লাস করতে গিয়ে সে দুর্বল হয়ে পড়ে। গণিত ক্লাসের সময় বেঞ্চে ঘুমিয়ে পড়ার পর শিক্ষক ক্লাসে প্রবেশ করলে সে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য টিউবওয়েলে যায়। এসময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
সহপাঠীরা বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে শিক্ষকরা দ্রুত তাকে শ্রেণিকক্ষে নিয়ে আসেন। পরে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষিকা তাকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরবর্তীতে অবস্থার উন্নতি হলে পরিবারের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেহেনা আক্তার জানান, ঘুমের অভাব ও গরমের কারণে শিক্ষার্থীটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে সাবা আক্তার সুস্থ রয়েছে। এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ধান্যদৌল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীর নাম সাবা আক্তার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী। সে উপজেলা সদর ইউনিয়নের কল্পবাস গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে। পরিবারসহ ভাড়া বাসায় বসবাস করে সে।
জানা যায়, বিদ্যুৎ না থাকায় আগের রাতে ঘুমাতে পারেনি সাবা আক্তার। পরদিন স্কুল চলাকালীন সময়েও বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে ক্লাস করতে গিয়ে সে দুর্বল হয়ে পড়ে। গণিত ক্লাসের সময় বেঞ্চে ঘুমিয়ে পড়ার পর শিক্ষক ক্লাসে প্রবেশ করলে সে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য টিউবওয়েলে যায়। এসময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
সহপাঠীরা বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে শিক্ষকরা দ্রুত তাকে শ্রেণিকক্ষে নিয়ে আসেন। পরে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষিকা তাকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরবর্তীতে অবস্থার উন্নতি হলে পরিবারের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেহেনা আক্তার জানান, ঘুমের অভাব ও গরমের কারণে শিক্ষার্থীটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে সাবা আক্তার সুস্থ রয়েছে। এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।