গলা কাটার পর যেভাবে বাঁচলেন ইভা
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন মোহাম্মদ কাজল (২৮) নামে এক যুবক। তবে গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন তার স্ত্রী ইভা আক্তার। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আজ শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার জিয়াপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কাজল বুড়িচং উপজেলার বলরামপুর গ্রামের মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে জিয়াপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ইভা আক্তার স্থানীয় একটি কারখানায় কর্মরত।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কাজল থানায় এসে দাবি করেন, তিনি তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছেন। একই সময়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায়, ইভা তখনও জীবিত, তবে তার গলায় গভীর ক্ষত রয়েছে। তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বাড়ির মালিক জহিরুল ইসলাম জানান, ভোরে কাজল এসে বলেন, তিনি তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছেন। এরপর তিনি বাড়ি থেকে চলে যান। পরিবারের সদস্যরা ঘরে ঢুকে ইভাকে রক্তাক্ত অবস্থায় জীবিত দেখতে পেয়ে ৯৯৯-এ ফোন করেন এবং হাসপাতালে পাঠান।
আহত ইভার বড় বোন নিপা আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই কাজল যৌতুকের টাকার জন্য তার বোনকে নিয়মিত নির্যাতন করতেন। বিদেশে যাওয়ার কথা বলে শ্বশুরবাড়ি থেকে এক লাখ টাকা এনে দেওয়ার জন্য ঘটনার আগের দিনও তাকে মারধর করা হয়। টাকা দিতে না পারায় পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারও দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা।
ওসি মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত কাজল পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন মোহাম্মদ কাজল (২৮) নামে এক যুবক। তবে গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন তার স্ত্রী ইভা আক্তার। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আজ শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার জিয়াপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কাজল বুড়িচং উপজেলার বলরামপুর গ্রামের মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে জিয়াপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ইভা আক্তার স্থানীয় একটি কারখানায় কর্মরত।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কাজল থানায় এসে দাবি করেন, তিনি তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছেন। একই সময়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায়, ইভা তখনও জীবিত, তবে তার গলায় গভীর ক্ষত রয়েছে। তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বাড়ির মালিক জহিরুল ইসলাম জানান, ভোরে কাজল এসে বলেন, তিনি তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছেন। এরপর তিনি বাড়ি থেকে চলে যান। পরিবারের সদস্যরা ঘরে ঢুকে ইভাকে রক্তাক্ত অবস্থায় জীবিত দেখতে পেয়ে ৯৯৯-এ ফোন করেন এবং হাসপাতালে পাঠান।
আহত ইভার বড় বোন নিপা আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই কাজল যৌতুকের টাকার জন্য তার বোনকে নিয়মিত নির্যাতন করতেন। বিদেশে যাওয়ার কথা বলে শ্বশুরবাড়ি থেকে এক লাখ টাকা এনে দেওয়ার জন্য ঘটনার আগের দিনও তাকে মারধর করা হয়। টাকা দিতে না পারায় পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারও দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা।
ওসি মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত কাজল পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।