বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের তিনটি আবাসিক হলের মধ্যে মাত্র একটিতে গেস্ট রুম থাকায় অতিথি আপ্যায়নে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। পরিবার, অভিভাবক কিংবা আত্মীয়-স্বজন দেখা করতে এলে বসার নির্ধারিত কোনো স্থান না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী অতিথি ও বয়স্ক অভিভাবকদের ক্ষেত্রে এ সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় দ্রুত দুই হলেও গেস্ট রুম স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে ৫৮০ জন, কাজী নজরুল ইসলাম হলে ২১০ জন এবং শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে ২৩০ জন আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছেন। তবে তিনটি হলের মধ্যে শুধু বিজয়-২৪ হলে গেস্ট রুমের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে কাজী নজরুল ইসলাম হল ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের শিক্ষার্থীদের অতিথিরা এলে হলে বসার ও বিশ্রামের উপযুক্ত স্থান বা গেস্ট রুম না থাকায় পড়তে হচ্ছে বিপাকে।
খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমসাময়িক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলে গেস্ট রুমের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলেই গেস্ট রুম রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্য, অভিভাবক বা আত্মীয়স্বজন দেখা করতে এলে তাদের বসার জন্য নির্ধারিত স্থান থাকায় কোনো ধরনের ভোগান্তি বা বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় না।
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শাহিন বলেন, আমি বাংলাদেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরেছি। প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে গেস্ট রুম দেখেছি এবং অতিথি হিসেবে সেই সুবিধাও নিয়েছি। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কোনো হলে গেস্ট রুম না দেখে হতাশ হয়েছি। প্রায় সবারই অতিথি আসে। অনেক সময় নারী অতিথিরাও আসেন, কিন্তু তাদের বসানোর মতো কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি চাই, আমাদের হলেও একটি গেস্ট রুম স্থাপন করা হোক।
এ বিষয়ে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট ড. মো. জনি আলম বলেন, গেস্ট রুম একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। বাইরে থেকে অতিথি এলে শিক্ষার্থীদের কথা বলার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের হলে এমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ভবিষ্যতে যদি কোনো উপযুক্ত স্পেস পাওয়া যায়, তাহলে একটি বড় কক্ষকে গেস্ট রুম হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কোনো শিক্ষার্থী কক্ষকে গেস্ট রুমে রূপান্তর করলে আবাসন সংকট আরও বাড়বে। তাই শিক্ষার্থীদের বিদ্যমান আবাসন সুবিধা অক্ষুণ্ন রেখে অতিরিক্ত কোনো কক্ষ বা উপযুক্ত স্থান পাওয়া গেলে সেখানে গেস্ট রুম করার বিষয়ে ভাবা হবে।
কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রভোস্ট মো. হারুন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত। হল ভবন নির্মাণের সময় গেস্ট রুমের পরিকল্পনা রাখা হয়নি। এখন কোনো কক্ষ গেস্ট রুম হিসেবে নির্ধারণ করলে সিট বণ্টনে সমস্যা সৃষ্টি হবে। তবে বিষয়টি নিয়ে সব প্রভোস্ট একসঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, আবাসিক হলগুলোতে গেস্ট রুম থাকা উচিত। যে দুটি হলে এখনো গেস্ট রুম নেই, সেসব হলে এ সুবিধা চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলব।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের তিনটি আবাসিক হলের মধ্যে মাত্র একটিতে গেস্ট রুম থাকায় অতিথি আপ্যায়নে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। পরিবার, অভিভাবক কিংবা আত্মীয়-স্বজন দেখা করতে এলে বসার নির্ধারিত কোনো স্থান না থাকায় তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী অতিথি ও বয়স্ক অভিভাবকদের ক্ষেত্রে এ সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় দ্রুত দুই হলেও গেস্ট রুম স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে ৫৮০ জন, কাজী নজরুল ইসলাম হলে ২১০ জন এবং শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে ২৩০ জন আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছেন। তবে তিনটি হলের মধ্যে শুধু বিজয়-২৪ হলে গেস্ট রুমের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে কাজী নজরুল ইসলাম হল ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের শিক্ষার্থীদের অতিথিরা এলে হলে বসার ও বিশ্রামের উপযুক্ত স্থান বা গেস্ট রুম না থাকায় পড়তে হচ্ছে বিপাকে।
খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমসাময়িক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলে গেস্ট রুমের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলেই গেস্ট রুম রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্য, অভিভাবক বা আত্মীয়স্বজন দেখা করতে এলে তাদের বসার জন্য নির্ধারিত স্থান থাকায় কোনো ধরনের ভোগান্তি বা বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় না।
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শাহিন বলেন, আমি বাংলাদেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরেছি। প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে গেস্ট রুম দেখেছি এবং অতিথি হিসেবে সেই সুবিধাও নিয়েছি। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কোনো হলে গেস্ট রুম না দেখে হতাশ হয়েছি। প্রায় সবারই অতিথি আসে। অনেক সময় নারী অতিথিরাও আসেন, কিন্তু তাদের বসানোর মতো কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি চাই, আমাদের হলেও একটি গেস্ট রুম স্থাপন করা হোক।
এ বিষয়ে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট ড. মো. জনি আলম বলেন, গেস্ট রুম একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। বাইরে থেকে অতিথি এলে শিক্ষার্থীদের কথা বলার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের হলে এমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ভবিষ্যতে যদি কোনো উপযুক্ত স্পেস পাওয়া যায়, তাহলে একটি বড় কক্ষকে গেস্ট রুম হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কোনো শিক্ষার্থী কক্ষকে গেস্ট রুমে রূপান্তর করলে আবাসন সংকট আরও বাড়বে। তাই শিক্ষার্থীদের বিদ্যমান আবাসন সুবিধা অক্ষুণ্ন রেখে অতিরিক্ত কোনো কক্ষ বা উপযুক্ত স্থান পাওয়া গেলে সেখানে গেস্ট রুম করার বিষয়ে ভাবা হবে।
কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রভোস্ট মো. হারুন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত। হল ভবন নির্মাণের সময় গেস্ট রুমের পরিকল্পনা রাখা হয়নি। এখন কোনো কক্ষ গেস্ট রুম হিসেবে নির্ধারণ করলে সিট বণ্টনে সমস্যা সৃষ্টি হবে। তবে বিষয়টি নিয়ে সব প্রভোস্ট একসঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, আবাসিক হলগুলোতে গেস্ট রুম থাকা উচিত। যে দুটি হলে এখনো গেস্ট রুম নেই, সেসব হলে এ সুবিধা চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলব।