নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের সদস্যের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার ওই ঘটনার পর থেকে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। আজ বিকেলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। নিষিদ্ধ তিন চাকার যান আটককে কেন্দ্র করে হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অটোরিকশাচালকদের বাগ্বিতন্ডার একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর এবং দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিশ্লেষণ করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ঘটনার পর থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বুড়িচং থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বিল্লাল হোসেন, ইউসুফ মিয়া, মো. হাসান, মো. রিফাত, মো. হাবিব, মো. মফিজ, আক্তার হোসেন, মো. সিফাত, মো. রবিউল, আবু ইউসুফ ইকরাম, মো. জুয়েল, মো. সরোয়ার হোসেন, নুপুর শাহা, সোহাগ মিয়া, মো. বিল্লাহ, সোহেল মিয়া, ইব্রাহিম খলিল, দেলোয়ার হোসেন ও মো. আজিজুল। তাঁদের সবার বাড়ি নিমসার ও আশপাশের এলাকায়। তাঁদের বেশির ভাগই তিন চাকার বিভিন্ন যানের চালক।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগের মামলাও রয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগের কর্মকান্ড ও সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই চলছে।
পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করে। সেই দায়িত্বপালনে বাধা সৃষ্টি করে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর কিংবা কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ সময় তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে টোকেন বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন। এ সম্পর্কে পুলিশ সুপার বলেন, ‘মহাসড়কে কোনো ধরনের টোকেন বাণিজ্য বা চাঁদাবাজির সঙ্গে যদি কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাঁকে সাময়িক বরখাস্তসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব।’
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইশতিয়াক হাসান আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া, কুমিল্লা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মুঠোফোনে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে ময়নামতি হাইওয়ে থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে ওই ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন। এতে ২৫ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ১৯ জনকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের সদস্যের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার ওই ঘটনার পর থেকে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। আজ বিকেলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। নিষিদ্ধ তিন চাকার যান আটককে কেন্দ্র করে হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অটোরিকশাচালকদের বাগ্বিতন্ডার একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর এবং দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিশ্লেষণ করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ঘটনার পর থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বুড়িচং থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বিল্লাল হোসেন, ইউসুফ মিয়া, মো. হাসান, মো. রিফাত, মো. হাবিব, মো. মফিজ, আক্তার হোসেন, মো. সিফাত, মো. রবিউল, আবু ইউসুফ ইকরাম, মো. জুয়েল, মো. সরোয়ার হোসেন, নুপুর শাহা, সোহাগ মিয়া, মো. বিল্লাহ, সোহেল মিয়া, ইব্রাহিম খলিল, দেলোয়ার হোসেন ও মো. আজিজুল। তাঁদের সবার বাড়ি নিমসার ও আশপাশের এলাকায়। তাঁদের বেশির ভাগই তিন চাকার বিভিন্ন যানের চালক।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগের মামলাও রয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগের কর্মকান্ড ও সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই চলছে।
পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করে। সেই দায়িত্বপালনে বাধা সৃষ্টি করে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর কিংবা কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ সময় তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে টোকেন বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন। এ সম্পর্কে পুলিশ সুপার বলেন, ‘মহাসড়কে কোনো ধরনের টোকেন বাণিজ্য বা চাঁদাবাজির সঙ্গে যদি কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাঁকে সাময়িক বরখাস্তসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব।’
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইশতিয়াক হাসান আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া, কুমিল্লা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মুঠোফোনে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে ময়নামতি হাইওয়ে থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে ওই ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন। এতে ২৫ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ১৯ জনকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।