সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) রাজস্ব বাজেটের আওতায় পরিচালিত ‘স্বাস্থ্য-ই-শক্তি: সমন্বিত স্বাস্থ্য উদ্যোগের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণার উদ্যোগে গ্রামীণ নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কিশোরী স্বাস্থ্য, ক্যান্সার সচেতনতা এবং ওয়ান হেলথ পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বার্ডের কর্মকর্তা ও প্রায়োগিক গবেষণার উপকারভোগীগণ উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার বার্ডের লালমাই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বার্ডের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) জনাব আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বার্ডের যুগ্মপরিচালক (প্রশিক্ষণ) আযমা মাহমুদা। সেমিনার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বার্ডের যুগ্মপরিচালক (পল্লী প্রশাসন) আফরীন খান এবং সহযোগী সেমিনার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বার্ডের উপপরিচালক (গবেষণা) ফরিদা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয় ও প্রায়োগিক গবেষণা কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন বার্ডের উপপরিচালক (পল্লী শিক্ষা) রাখি নন্দী।
সেমিনারে ‘স্বাস্থ্য-ই-শক্তি: সমন্বিত স্বাস্থ্য উদ্যোগের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বার্ডের যুগ্মপরিচালক (পল্লী প্রশাসন) ও প্রধান গবেষক আফরীন খান।
তিনি বলেন, গ্রামীণ নারী ও কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, মাতৃস্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য, ক্যান্সার সচেতনতা এবং স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবি। তিনি গবেষণাটির লক্ষ্য, কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য সামাজিক প্রভাব তুলে ধরেন।
সেমিনারে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পুষ্টিবিদ সাঈদা লিয়াকত ‘গ্রামীণ সমাজে কিশোরীদের কৈশোরকালীন শারীরিক-মানসিক পরিবর্তন, সচেতনতা, পুষ্টি ও ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য শিক্ষা, পুষ্টি সচেতনতা, মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সমন্বিত ভ‚মিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নারী উন্নয়ন কেন্দ্র (ঘটক)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মাশহুদা খাতুন শেফালী ‘গ্রামীণ প্রজননক্ষম নারীদের স্বাস্থ্য সমস্যা ও ক্যান্সার ঝুঁকি: সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক করণীয়’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি প্রজনন স্বাস্থ্য, স্তন ক্যান্সার ও জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ঝুঁকি, প্রাথমিক শনাক্তকরণ, স্ক্রিনিং কার্যক্রম এবং সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অপর প্রবন্ধে রোগতত্ত্বা, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর এপিডেমিওলজি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ফয়জুল ইসলাম ‘গ্রামীণ স্বাস্থ্য উন্নয়নে One Health পদ্ধতির প্রয়োগ ও করণীয়’ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি মানবস্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্যের পারস্পরিক সম্পর্ক তুলে ধরে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা, রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে One Health পদ্ধতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ, শিক্ষা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক জনাব সাকিউল মিল্লাত মোর্শেদ এবং কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দীন। আলোচকবৃন্দ গ্রামীণ নারীর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কিশোরী স্বাস্থ্য উন্নয়ন, ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার বিকাশে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, নারীর স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন সম্ভব নয়। একই সঙ্গে কিশোরী স্বাস্থ্য, ক্যান্সার সচেতনতা এবং ঙহব ঐবধষঃয ধারণার কার্যকর বাস্তবায়ন দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। তাঁরা আরও বলেন, এ প্রায়োগিক গবেষণার মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সচেতনতা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত স্বাস্থ্য উন্নয়ন মডেল গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকারি, বেসরকারি এবং স্থানীয় পর্যায়ের সকল অংশীজন সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান, স্থানীয় অভিজ্ঞতা এবং অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগের সমন্বয়ের মাধ্যমে নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব। তিনি গবেষণালব্ধ সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) রাজস্ব বাজেটের আওতায় পরিচালিত ‘স্বাস্থ্য-ই-শক্তি: সমন্বিত স্বাস্থ্য উদ্যোগের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণার উদ্যোগে গ্রামীণ নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কিশোরী স্বাস্থ্য, ক্যান্সার সচেতনতা এবং ওয়ান হেলথ পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বার্ডের কর্মকর্তা ও প্রায়োগিক গবেষণার উপকারভোগীগণ উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার বার্ডের লালমাই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বার্ডের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) জনাব আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বার্ডের যুগ্মপরিচালক (প্রশিক্ষণ) আযমা মাহমুদা। সেমিনার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বার্ডের যুগ্মপরিচালক (পল্লী প্রশাসন) আফরীন খান এবং সহযোগী সেমিনার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বার্ডের উপপরিচালক (গবেষণা) ফরিদা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয় ও প্রায়োগিক গবেষণা কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন বার্ডের উপপরিচালক (পল্লী শিক্ষা) রাখি নন্দী।
সেমিনারে ‘স্বাস্থ্য-ই-শক্তি: সমন্বিত স্বাস্থ্য উদ্যোগের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বার্ডের যুগ্মপরিচালক (পল্লী প্রশাসন) ও প্রধান গবেষক আফরীন খান।
তিনি বলেন, গ্রামীণ নারী ও কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, মাতৃস্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য, ক্যান্সার সচেতনতা এবং স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবি। তিনি গবেষণাটির লক্ষ্য, কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য সামাজিক প্রভাব তুলে ধরেন।
সেমিনারে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পুষ্টিবিদ সাঈদা লিয়াকত ‘গ্রামীণ সমাজে কিশোরীদের কৈশোরকালীন শারীরিক-মানসিক পরিবর্তন, সচেতনতা, পুষ্টি ও ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য শিক্ষা, পুষ্টি সচেতনতা, মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সমন্বিত ভ‚মিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নারী উন্নয়ন কেন্দ্র (ঘটক)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মাশহুদা খাতুন শেফালী ‘গ্রামীণ প্রজননক্ষম নারীদের স্বাস্থ্য সমস্যা ও ক্যান্সার ঝুঁকি: সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক করণীয়’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি প্রজনন স্বাস্থ্য, স্তন ক্যান্সার ও জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ঝুঁকি, প্রাথমিক শনাক্তকরণ, স্ক্রিনিং কার্যক্রম এবং সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অপর প্রবন্ধে রোগতত্ত্বা, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর এপিডেমিওলজি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ফয়জুল ইসলাম ‘গ্রামীণ স্বাস্থ্য উন্নয়নে One Health পদ্ধতির প্রয়োগ ও করণীয়’ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি মানবস্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্যের পারস্পরিক সম্পর্ক তুলে ধরে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা, রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে One Health পদ্ধতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ, শিক্ষা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক জনাব সাকিউল মিল্লাত মোর্শেদ এবং কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দীন। আলোচকবৃন্দ গ্রামীণ নারীর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কিশোরী স্বাস্থ্য উন্নয়ন, ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার বিকাশে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, নারীর স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন সম্ভব নয়। একই সঙ্গে কিশোরী স্বাস্থ্য, ক্যান্সার সচেতনতা এবং ঙহব ঐবধষঃয ধারণার কার্যকর বাস্তবায়ন দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। তাঁরা আরও বলেন, এ প্রায়োগিক গবেষণার মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সচেতনতা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত স্বাস্থ্য উন্নয়ন মডেল গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকারি, বেসরকারি এবং স্থানীয় পর্যায়ের সকল অংশীজন সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান, স্থানীয় অভিজ্ঞতা এবং অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগের সমন্বয়ের মাধ্যমে নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব। তিনি গবেষণালব্ধ সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।