বুড়িচং প্রতিনিধি

বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যাগে আলোর মেলায় প্রায় ২ হাজার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষক ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার মরণোত্তর, গুণীজনদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে এলাকাবাসীর মনোরঞ্জনের জন্য এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোর মেলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বদরুল হাসান লিটন, আইসিটি ডিভিশন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলাম রিপন, ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবিএম মশিউজ্জামান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসিনুর রহমান, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন, বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের নিয়মিত দাতা সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যৌথভাবে আনোয়ার জাহান ভূঁইয়া, গাজী নুর আলম ও রায়হান শিপু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল।
মরণোত্তর সম্মাননা পান প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আ. হাকিম খন্দকার। আরো সম্মাননা পান বীর মক্তিযোদ্ধা শাহজাহান শানু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, আক্তার হোসেন। ১৯৫৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত জীবিত ও মৃত সকল শিক্ষকদের স্বজনদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যাগে আলোর মেলায় প্রায় ২ হাজার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষক ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার মরণোত্তর, গুণীজনদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে এলাকাবাসীর মনোরঞ্জনের জন্য এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোর মেলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বদরুল হাসান লিটন, আইসিটি ডিভিশন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলাম রিপন, ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবিএম মশিউজ্জামান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসিনুর রহমান, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন, বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের নিয়মিত দাতা সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যৌথভাবে আনোয়ার জাহান ভূঁইয়া, গাজী নুর আলম ও রায়হান শিপু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল।
মরণোত্তর সম্মাননা পান প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আ. হাকিম খন্দকার। আরো সম্মাননা পান বীর মক্তিযোদ্ধা শাহজাহান শানু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, আক্তার হোসেন। ১৯৫৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত জীবিত ও মৃত সকল শিক্ষকদের স্বজনদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।