নিজস্ব প্রতিবেদক

পারিবারিক বিরোধ ও মাদক নিয়ে অভিযোগের জের ধরে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে জাকির হোসেন (২৯) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। জাকিরের বড় ভাই মো. শাকিল (৩২) ও তাঁর সহযোগীদের বেধড়ক মারধরে ছোট ভাইয়ের প্রাণ গেল। তাঁরা কাকিয়ারচর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বুড়িচং উপজেলার কাকিয়ারচর পশ্চিম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
তবে ঘটনা জানাজানি হয় সন্ধ্যায়। এরপর স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক ও মাদকসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ছোটভাই জাকিরের সঙ্গে শাকিলের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে শাকিলসহ কয়েকজন জাকিরকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এতে গুরুতর আহত হয়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তবে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
লাশ উদ্ধারের সময় জাকিরের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় জানিয়ে পুলিশ বলছে, তাঁর মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন, দুই পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং কপালের মাঝবরাবর কাটা জখমের চিহ্ন আছে।
জাকির অচেতন হয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়নি। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি গ্রাম পুলিশ মোখলেসকে জানান। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন। রাতে বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জাকিরের লাশ উদ্ধার করেন এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, জাকির ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জাকিরের একাধিকবার বিরোধ হয়েছিল। ঘটনার দিন মাদক ব্যবসার টাকাপয়সা নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাকিরকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত শাকিলের সঙ্গে আরও কয়েকজন ঘটনার পর থেকে পলাতক।
বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সুরেজীত বড়ুয়া বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এতে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আজ বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের মর্গে হয়েছে।

পারিবারিক বিরোধ ও মাদক নিয়ে অভিযোগের জের ধরে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে জাকির হোসেন (২৯) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। জাকিরের বড় ভাই মো. শাকিল (৩২) ও তাঁর সহযোগীদের বেধড়ক মারধরে ছোট ভাইয়ের প্রাণ গেল। তাঁরা কাকিয়ারচর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বুড়িচং উপজেলার কাকিয়ারচর পশ্চিম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
তবে ঘটনা জানাজানি হয় সন্ধ্যায়। এরপর স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক ও মাদকসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ছোটভাই জাকিরের সঙ্গে শাকিলের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে শাকিলসহ কয়েকজন জাকিরকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এতে গুরুতর আহত হয়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তবে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
লাশ উদ্ধারের সময় জাকিরের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় জানিয়ে পুলিশ বলছে, তাঁর মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন, দুই পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং কপালের মাঝবরাবর কাটা জখমের চিহ্ন আছে।
জাকির অচেতন হয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়নি। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি গ্রাম পুলিশ মোখলেসকে জানান। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন। রাতে বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জাকিরের লাশ উদ্ধার করেন এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, জাকির ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জাকিরের একাধিকবার বিরোধ হয়েছিল। ঘটনার দিন মাদক ব্যবসার টাকাপয়সা নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাকিরকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত শাকিলের সঙ্গে আরও কয়েকজন ঘটনার পর থেকে পলাতক।
বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সুরেজীত বড়ুয়া বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এতে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আজ বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের মর্গে হয়েছে।