আবু সাঈদ, চান্দিনা

বহু ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের আলীকামোড়া গ্রামে প্রায় ১০০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে স্মৃতি মন্দিরগুলো। জমিদারি আমলে বাংলা ১৩৩৬ সনে অথবা ১৯২৯-৩০ খ্রিস্টাব্দে জমিদার ঈশ্বরচন্দ্র মজুমদার ও গগণ চন্দ্র মজুমদারের সমাধিস্থলে নির্মিত হয় এই স্মৃতি মন্দিরগুলো। একসময় এখানে ৪ টি মন্দির থাকলেও গত ৫-৬ বছর আগে একটি মন্দির ভেঙে ফেলা হয়। আরেকটি মন্দিরের নামফলক নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তা কার সমাধিস্থলে নির্মিত তা জানা যায়নি।
জমিদারি আমলে এখানে বিশাল মজুমদার বাড়ি থাকলেও এখন এই স্মৃতি মন্দিরগুলো ছাড়া আর কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট নেই। স্থানীয়রা জানান গত ১৪-১৫ বছর আগেও এখানে জমিদারি আমলের ভগ্নপ্রায় একটি স্থাপনা ছিল, যা ভেঙে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে শুধু এই ৩ টি স্মৃতি মন্দিরই শুধু টিকে আছে।
জনশ্রুতি আছে এই স্মৃতি মন্দিরগুলোতে এক সময় স্বর্ণ ভর্তি কলসি ছিল, যা জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরে চুরি হয়ে যায় এবং এগুলো যারা চুরি করে তারাঁ পরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এই মন্দিরগুলো নিয়ে নানান ভৌতিক ঘটনা ও শোনা যায়। লোকজন সন্ধ্যার পরে মন্দিরগুলোর পাশের সড়কটি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে।
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল হক জানান, আমরা ছোটবেলা থেকেই এই মন্দিরগুলো দেখেছি। পাশেই বিশাল জমিদার বাড়ি ছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে এখন এই মন্দিরগুলো ছাড়া আর কিছুই নেই। প্রায় ১০০ বছর আগের এই মন্দির গুলোকে সংরক্ষণ করা জরুরি বলে মনে করছি।
মো. সোহাগ বলেন, এখানে অনেকেই ভৌতিক ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে। তবে এই ভৌতিক ব্যাপারের আড়ালে এখানে মাদকসেবীরা আড্ডা জমায়। আমরা গত কয়েক মাস ধরে এই বিষয়গুলো দেখেছি। এই স্মৃতি মন্দিরগুলোকে সংরক্ষণ করা জরুরি। বহু বছর আগে নির্মিত হওয়ায় এগুলো দেখতেও বেশ চমৎকার।
চান্দিনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হক বলেন, মাদকের ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে। কেউ আবেদন করলে মন্দিরগুলো সংরক্ষণ করা হবে।

বহু ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের আলীকামোড়া গ্রামে প্রায় ১০০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে স্মৃতি মন্দিরগুলো। জমিদারি আমলে বাংলা ১৩৩৬ সনে অথবা ১৯২৯-৩০ খ্রিস্টাব্দে জমিদার ঈশ্বরচন্দ্র মজুমদার ও গগণ চন্দ্র মজুমদারের সমাধিস্থলে নির্মিত হয় এই স্মৃতি মন্দিরগুলো। একসময় এখানে ৪ টি মন্দির থাকলেও গত ৫-৬ বছর আগে একটি মন্দির ভেঙে ফেলা হয়। আরেকটি মন্দিরের নামফলক নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তা কার সমাধিস্থলে নির্মিত তা জানা যায়নি।
জমিদারি আমলে এখানে বিশাল মজুমদার বাড়ি থাকলেও এখন এই স্মৃতি মন্দিরগুলো ছাড়া আর কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট নেই। স্থানীয়রা জানান গত ১৪-১৫ বছর আগেও এখানে জমিদারি আমলের ভগ্নপ্রায় একটি স্থাপনা ছিল, যা ভেঙে ফেলা হয়েছে। বর্তমানে শুধু এই ৩ টি স্মৃতি মন্দিরই শুধু টিকে আছে।
জনশ্রুতি আছে এই স্মৃতি মন্দিরগুলোতে এক সময় স্বর্ণ ভর্তি কলসি ছিল, যা জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরে চুরি হয়ে যায় এবং এগুলো যারা চুরি করে তারাঁ পরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এই মন্দিরগুলো নিয়ে নানান ভৌতিক ঘটনা ও শোনা যায়। লোকজন সন্ধ্যার পরে মন্দিরগুলোর পাশের সড়কটি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে।
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল হক জানান, আমরা ছোটবেলা থেকেই এই মন্দিরগুলো দেখেছি। পাশেই বিশাল জমিদার বাড়ি ছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে এখন এই মন্দিরগুলো ছাড়া আর কিছুই নেই। প্রায় ১০০ বছর আগের এই মন্দির গুলোকে সংরক্ষণ করা জরুরি বলে মনে করছি।
মো. সোহাগ বলেন, এখানে অনেকেই ভৌতিক ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে। তবে এই ভৌতিক ব্যাপারের আড়ালে এখানে মাদকসেবীরা আড্ডা জমায়। আমরা গত কয়েক মাস ধরে এই বিষয়গুলো দেখেছি। এই স্মৃতি মন্দিরগুলোকে সংরক্ষণ করা জরুরি। বহু বছর আগে নির্মিত হওয়ায় এগুলো দেখতেও বেশ চমৎকার।
চান্দিনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হক বলেন, মাদকের ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে। কেউ আবেদন করলে মন্দিরগুলো সংরক্ষণ করা হবে।