১ লাখ ১০ হাজার টাকায় মীমাংসার চেষ্টা
চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ছানাউল্লাহ (৬০) নামে মসজিদের এক মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি থানা পুলিশকে না জানিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ওই শিশুর মা বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার সকালে উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়নের শালিখা গ্রামের মিয়াজী বাড়িতে। অভিযুক্ত মো. ছানাউল্লাহ ওই গ্রামের প্রয়াত তমিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন ও চা দোকানের ব্যবসায়ী।
ভুক্তভোগীর মা ও পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার দিন সকালে শিশুটি অভিযুক্ত ছানাউল্লাহর দোকানের সামনে গেলে তাকে বিস্কুট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ভেতরে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর দোকানের ভেতর শিশুটিকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করে পরিবার। পরে শিশুটি সেখান থেকে পালিয়ে এসে তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায়।
ভুক্তভোগী শিশুর চাচা বলেন, ঘটনার দিন বিকেলে অভিযুক্ত ছানাউল্লাহ শিশুটির বাবার হাতে তিন হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি ভুলে যেতে বলেন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় কয়েকজন মাতাব্বরকে জানান। তাঁরা সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, গতকাল সোমবার দুপুরে সালিশ বৈঠকে ছানাউল্লাহকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে পরিবারটি ওই সিদ্ধান্তে রাজি না হওয়ায় ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করবেন না—এমন শর্তে স্ট্যাম্পে উভয়পক্ষের স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তাঁর দাবি, নগদ ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয় এবং বাকি এক লাখ টাকা পরে পরিশোধের কথা বলা হয়। তা গ্রহণ না করে ১০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সালিশের সিদ্ধান্তে রাজি না হওয়ায় মাতাব্বর মো. মনির হোসেন মুন্সীসহ কয়েকজন তাঁদের এলাকায় থাকতে দেবেন না বলে হুমকি দেন। তাঁরা এখন আইনের মাধ্যমে বিচার চান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সালিশে উপস্থিত এক ব্যক্তি জানান, অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা সালিশের রায় প্রদানকারী মাতাব্বর মনির হোসেন মুন্সীর হাতে দেওয়া হলেও ভুক্তভোগী পরিবার পেয়েছে মাত্র ১০ হাজার টাকা। পরে ওই ১০ হাজার টাকাও পরিবারটি ফেরত দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সালিশের বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় মাতাব্বর মো. মনির হোসেন মুন্সী বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় আমরা স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি এবং জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আইনগত প্রক্রিয়া ভিন্ন বিষয়, আমরা সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এতে কাউকে হুমকি ধমকি দেওয়া হয়নি।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কুমিল্লার চান্দিনায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ছানাউল্লাহ (৬০) নামে মসজিদের এক মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি থানা পুলিশকে না জানিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ওই শিশুর মা বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার সকালে উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়নের শালিখা গ্রামের মিয়াজী বাড়িতে। অভিযুক্ত মো. ছানাউল্লাহ ওই গ্রামের প্রয়াত তমিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন ও চা দোকানের ব্যবসায়ী।
ভুক্তভোগীর মা ও পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার দিন সকালে শিশুটি অভিযুক্ত ছানাউল্লাহর দোকানের সামনে গেলে তাকে বিস্কুট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ভেতরে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর দোকানের ভেতর শিশুটিকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করে পরিবার। পরে শিশুটি সেখান থেকে পালিয়ে এসে তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায়।
ভুক্তভোগী শিশুর চাচা বলেন, ঘটনার দিন বিকেলে অভিযুক্ত ছানাউল্লাহ শিশুটির বাবার হাতে তিন হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি ভুলে যেতে বলেন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় কয়েকজন মাতাব্বরকে জানান। তাঁরা সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, গতকাল সোমবার দুপুরে সালিশ বৈঠকে ছানাউল্লাহকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে পরিবারটি ওই সিদ্ধান্তে রাজি না হওয়ায় ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করবেন না—এমন শর্তে স্ট্যাম্পে উভয়পক্ষের স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তাঁর দাবি, নগদ ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয় এবং বাকি এক লাখ টাকা পরে পরিশোধের কথা বলা হয়। তা গ্রহণ না করে ১০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সালিশের সিদ্ধান্তে রাজি না হওয়ায় মাতাব্বর মো. মনির হোসেন মুন্সীসহ কয়েকজন তাঁদের এলাকায় থাকতে দেবেন না বলে হুমকি দেন। তাঁরা এখন আইনের মাধ্যমে বিচার চান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সালিশে উপস্থিত এক ব্যক্তি জানান, অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা সালিশের রায় প্রদানকারী মাতাব্বর মনির হোসেন মুন্সীর হাতে দেওয়া হলেও ভুক্তভোগী পরিবার পেয়েছে মাত্র ১০ হাজার টাকা। পরে ওই ১০ হাজার টাকাও পরিবারটি ফেরত দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সালিশের বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় মাতাব্বর মো. মনির হোসেন মুন্সী বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় আমরা স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি এবং জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আইনগত প্রক্রিয়া ভিন্ন বিষয়, আমরা সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এতে কাউকে হুমকি ধমকি দেওয়া হয়নি।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।