আবু সাঈদ, চান্দিনা

হাঁড় কাপানো শীতে জবুথবু অবস্থা। ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে শীতের দাপট। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতকালীন পিঠার চাহিদা। শীতকালের সাথে পিঠাপুলির আয়োজন বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। গ্রাম কিংবা শহর কেউই বাদ যায় না এই আনন্দ উপভোগ থেকে। পিঠার আয়োজন ছড়িয়ে যায় গ্রাম-গঞ্জ-শহরে। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে উৎসব মুখর পরিবেশে চলে পিঠাপুলির আয়োজন। শীতের আভাস পাওয়া মাত্রই ব্যস্ততা বেড়ে যায় ভ্রাম্যমাণ পিঠা ব্যবসায়ীদের। বিভিন্ন বাজার, দোকানপাটের আশেপাশে দেখা মিলে ভ্রাম্যমাণ পিঠা ব্যবসায়ীদের। বিভিন্ন বয়সের পিঠা প্রেমীরা ভীর জমান এসব পিঠা দোকানগুলোতে।

সম্প্রতি চান্দিনা উপজেলার চান্দিনা, এতবারপুর, চিলোড়া, আলীকামোড়া, বাড়েরা, মহিচাইল, রামমোহন, বদরপুর বাজারসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পিঠা বিক্রেতারা। চাহিদার শীর্ষে রয়েছে চিতই পিঠা এবং ভাপা পিঠা। পিঠা কেনার জন্য রীতিমতো সিরিয়ালে দাঁড়াতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কেউ দাঁড়িয়ে পিঠা খাচ্ছেন আবার কেউ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন । নারিকেল ও মিঠাই দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভাপা পিঠা। প্রতিটি ভাপা পিঠা ১০ টাকা ও চিতই পিঠা ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে দোকানগুলোতে। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী চিতই পিঠার সাথে দেয়া হচ্ছে মুখরোচক শর্ষে ভর্তা ও শুঁটকির ভর্তা ও ধনে পাতার ভর্তা। কিছু কিছু দোকানে পিঠার সাথে সাথে ডিম সিদ্ধ করে বিক্রি করা হচ্ছে।

আলীকামোড়া বাজারের পিঠা বিক্রেতা জাকির হোসেন জানান, গত ৭ বছর ধরে এখানে পিঠা বিক্রি করি। আগে জিনিস পত্রের দাম কম থাকায় ৫ টাকা করে বিক্রি করতাম, এখন সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ১০ টাকা করে বিক্রি করি। চান্দিনা বাজারের পিঠা বিক্রেতা শামিম বলেন, বিকেল ৫ টা থেকে থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত পিঠা বিক্রি চলে। ভোজনরসিকরা পিঠা খুবই পছন্দ করেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এখানে পিঠা খেতে আসেন।
পিঠা খেতে আসা আবু বকর মজুমদার বলেন, শীতকাল আর পিঠা খাওয়ার আনন্দ একে অপরের পরিপূরক। শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম পিঠা খেতে আলাদা আনন্দ উপভোগ করি।
মাইজখার গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শীতকাল মানেই তো পিঠাপুলির আয়োজন। বন্ধুবান্ধব নিয়ে এই শীতকালীন পিঠা খাওয়ার আনন্দটা অনেক উপভোগের একটা বিষয়।

হাঁড় কাপানো শীতে জবুথবু অবস্থা। ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে শীতের দাপট। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতকালীন পিঠার চাহিদা। শীতকালের সাথে পিঠাপুলির আয়োজন বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। গ্রাম কিংবা শহর কেউই বাদ যায় না এই আনন্দ উপভোগ থেকে। পিঠার আয়োজন ছড়িয়ে যায় গ্রাম-গঞ্জ-শহরে। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে উৎসব মুখর পরিবেশে চলে পিঠাপুলির আয়োজন। শীতের আভাস পাওয়া মাত্রই ব্যস্ততা বেড়ে যায় ভ্রাম্যমাণ পিঠা ব্যবসায়ীদের। বিভিন্ন বাজার, দোকানপাটের আশেপাশে দেখা মিলে ভ্রাম্যমাণ পিঠা ব্যবসায়ীদের। বিভিন্ন বয়সের পিঠা প্রেমীরা ভীর জমান এসব পিঠা দোকানগুলোতে।

সম্প্রতি চান্দিনা উপজেলার চান্দিনা, এতবারপুর, চিলোড়া, আলীকামোড়া, বাড়েরা, মহিচাইল, রামমোহন, বদরপুর বাজারসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পিঠা বিক্রেতারা। চাহিদার শীর্ষে রয়েছে চিতই পিঠা এবং ভাপা পিঠা। পিঠা কেনার জন্য রীতিমতো সিরিয়ালে দাঁড়াতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কেউ দাঁড়িয়ে পিঠা খাচ্ছেন আবার কেউ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন । নারিকেল ও মিঠাই দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভাপা পিঠা। প্রতিটি ভাপা পিঠা ১০ টাকা ও চিতই পিঠা ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে দোকানগুলোতে। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী চিতই পিঠার সাথে দেয়া হচ্ছে মুখরোচক শর্ষে ভর্তা ও শুঁটকির ভর্তা ও ধনে পাতার ভর্তা। কিছু কিছু দোকানে পিঠার সাথে সাথে ডিম সিদ্ধ করে বিক্রি করা হচ্ছে।

আলীকামোড়া বাজারের পিঠা বিক্রেতা জাকির হোসেন জানান, গত ৭ বছর ধরে এখানে পিঠা বিক্রি করি। আগে জিনিস পত্রের দাম কম থাকায় ৫ টাকা করে বিক্রি করতাম, এখন সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ১০ টাকা করে বিক্রি করি। চান্দিনা বাজারের পিঠা বিক্রেতা শামিম বলেন, বিকেল ৫ টা থেকে থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত পিঠা বিক্রি চলে। ভোজনরসিকরা পিঠা খুবই পছন্দ করেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এখানে পিঠা খেতে আসেন।
পিঠা খেতে আসা আবু বকর মজুমদার বলেন, শীতকাল আর পিঠা খাওয়ার আনন্দ একে অপরের পরিপূরক। শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম পিঠা খেতে আলাদা আনন্দ উপভোগ করি।
মাইজখার গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শীতকাল মানেই তো পিঠাপুলির আয়োজন। বন্ধুবান্ধব নিয়ে এই শীতকালীন পিঠা খাওয়ার আনন্দটা অনেক উপভোগের একটা বিষয়।