তিতাস প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাসের ভিটিকান্দি ইউনিয়নে গোমতী নদীর চর ও আশপাশের একাধিক কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্র। তবে স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতায় অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের দড়িকান্দি মেসার্স এমএমআর ব্রিকস্ ফিল্ডের কাছে গোমতী নদীর পাড়ঘেঁষা সরকারি খাস জমি থেকে মাটি উত্তোলন করে নিয়ে গেছে। মাটি কাটার ভেকু দেখা গেলেও সেখানে কেউ ছিল না। অপরদিকে, একই ইউনিয়নের জগতপুর গ্রাম সংলগ্ন মেসার্স ন্যাশনাল ব্রিকস্ ম্যানুফ্যাকচারের পাশ থেকে গোমতী নদীর পাড় কেটে মাটি অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এখানে একাধিক এক্সকাভেটর দিয়ে ট্রাক্টর ট্রলিতে করে মাটি নিয়ে যেতে দেখা যায়।

এসময় নাম না প্রকাশ করার শর্তে ওই এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, নদীর পাড় ও ফসলি জমি থেকে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে গোমতী নদীর পাড় দুর্বল হয়ে পড়ছে। ভারী যান চলাচলের কারণে এলাকার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ধুলাবালির কারণে জনদুর্ভোগ বাড়ছে। অনেক জমিতে স্বাভাবিক ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কোথাও জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন দৃশ্যমান প্রদক্ষেপ না নেওয়ায় সরকারি জমির মাটি কেটে একটি মহল লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, এসিল্যান্ড দড়িকান্দি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে ভেকু চালক ঢাকার ডেমরার হাসন আলীর ছেলে আব্দুল মান্নান ও একই এলাকার আনোয়ার মিয়ার ছেলে মো. মামুনকে ৫০ হাজার টাকা করে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রোববার বিকেলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে দড়িকান্দি এলাকায় ভেকু চালকদের এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই স্থান থেকে তাৎক্ষণিক ভেকু সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

কুমিল্লার তিতাসের ভিটিকান্দি ইউনিয়নে গোমতী নদীর চর ও আশপাশের একাধিক কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্র। তবে স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতায় অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের দড়িকান্দি মেসার্স এমএমআর ব্রিকস্ ফিল্ডের কাছে গোমতী নদীর পাড়ঘেঁষা সরকারি খাস জমি থেকে মাটি উত্তোলন করে নিয়ে গেছে। মাটি কাটার ভেকু দেখা গেলেও সেখানে কেউ ছিল না। অপরদিকে, একই ইউনিয়নের জগতপুর গ্রাম সংলগ্ন মেসার্স ন্যাশনাল ব্রিকস্ ম্যানুফ্যাকচারের পাশ থেকে গোমতী নদীর পাড় কেটে মাটি অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এখানে একাধিক এক্সকাভেটর দিয়ে ট্রাক্টর ট্রলিতে করে মাটি নিয়ে যেতে দেখা যায়।

এসময় নাম না প্রকাশ করার শর্তে ওই এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, নদীর পাড় ও ফসলি জমি থেকে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে গোমতী নদীর পাড় দুর্বল হয়ে পড়ছে। ভারী যান চলাচলের কারণে এলাকার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ধুলাবালির কারণে জনদুর্ভোগ বাড়ছে। অনেক জমিতে স্বাভাবিক ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কোথাও জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন দৃশ্যমান প্রদক্ষেপ না নেওয়ায় সরকারি জমির মাটি কেটে একটি মহল লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, এসিল্যান্ড দড়িকান্দি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে ভেকু চালক ঢাকার ডেমরার হাসন আলীর ছেলে আব্দুল মান্নান ও একই এলাকার আনোয়ার মিয়ার ছেলে মো. মামুনকে ৫০ হাজার টাকা করে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রোববার বিকেলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে দড়িকান্দি এলাকায় ভেকু চালকদের এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই স্থান থেকে তাৎক্ষণিক ভেকু সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।