চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল ইউনিয়নের জামিরাপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন। আজ বুধবার দুপুরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৮টি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশে এমপি শাওন বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যারা সর্বস্ব হারিয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনে যা যা প্রয়োজন, তা করতে আমি সচেষ্ট থাকব। তিনি দ্রুত সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও আশ্বাস দেন।
এর আগে গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জামিরাপাড়া গ্রামে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়দের ধারণা, বিদ্যুতের শট সার্কিট থেকে আগুনের উৎপত্তি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৬টি বসতঘর ও ৩টি রান্নাঘরসহ মোট ৯টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে যায়। অনেক পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ঘটনার দিন দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারকে ২টি করে কম্বল ও ১ বস্তা শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের হাতে সহায়তা তুলে দেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মানিক মিয়া। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে।
পরিদর্শনকালে উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ, কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম সরকার, ফরহাদ করিম, লোকমান হোসেন শাহজাহান, কামাল হোসেন, শামীম মজুমদার, সাইফুল ইসলাম, সাদেক মেম্বার, বাবুল হোসেন, রোবেল মৃধা ও তারিফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল ইউনিয়নের জামিরাপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন। আজ বুধবার দুপুরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৮টি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশে এমপি শাওন বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যারা সর্বস্ব হারিয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনে যা যা প্রয়োজন, তা করতে আমি সচেষ্ট থাকব। তিনি দ্রুত সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও আশ্বাস দেন।
এর আগে গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জামিরাপাড়া গ্রামে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়দের ধারণা, বিদ্যুতের শট সার্কিট থেকে আগুনের উৎপত্তি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৬টি বসতঘর ও ৩টি রান্নাঘরসহ মোট ৯টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে যায়। অনেক পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ঘটনার দিন দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারকে ২টি করে কম্বল ও ১ বস্তা শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের হাতে সহায়তা তুলে দেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মানিক মিয়া। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে।
পরিদর্শনকালে উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ, কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম সরকার, ফরহাদ করিম, লোকমান হোসেন শাহজাহান, কামাল হোসেন, শামীম মজুমদার, সাইফুল ইসলাম, সাদেক মেম্বার, বাবুল হোসেন, রোবেল মৃধা ও তারিফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।