আবু সাঈদ, চান্দিনা

কুমিল্লার চান্দিনায় নির্বাচনী জনসভায় সদ্য বিলুপ্ত চান্দিনা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেন- ‘২০১৮ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে আমি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলাম। তৎকালীন বিএনপি নেতারা আমার বিরোধিতা করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। তারা প্রকৃত পক্ষে বিএনপি নয়।’
চান্দিনা উপজেলার মাইজখারে এএমএফ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গতকাল রোববার বিকালে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন- ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে দেয়। আমরা তখন এলডিপিতে ছিলাম। ২০১২ সাল থেকে বিএনপি’র সাথে ২০ দলীয় জোট করে বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে স্বৈরাচার বিরোধী সকল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। ২০১৪ সালের পাতানো নির্বাচনে ১৫৪ জন আওয়ামী লীগের নেতা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে জনগণকে সচেতন করার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। রাতের ভোটে এবং চান্দিনার তৎকালীন বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরোধীতায় আমি পরাজিত হই। সেই বিএনপি নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা এখন বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে কলস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৭ বছর আমরা স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। ব্যক্তিগত ভাবে আমি জেল খেটেছি। আমাকে হত্যার চেষ্টা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। আমি লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে গুলি করে আত্মরক্ষা করেছিলাম। অনেকেই আজকাল বড় বড় কথা বলে, কিন্তু তারা সেই আওয়ামী লীগের স্বৈর শাসনের সময় কোথায় ছিলো ? প্রশ্ন তুলেন তিনি।
এছাড়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যারা রাজাকার, আল শামস, আল বদর বাহিনী গঠন করে মুক্তিযুদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ ও আগুন দিয়ে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছিলো তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান ড. রেদোয়ান।
জনসভায় বক্তৃতা করেন- বিএনপি নেতা আবদুল বারেক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক একেএম শামসুল হক মাস্টার, অধ্যক্ষ আবু তাহের, সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন বশির প্রমুখ।

কুমিল্লার চান্দিনায় নির্বাচনী জনসভায় সদ্য বিলুপ্ত চান্দিনা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেন- ‘২০১৮ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে আমি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলাম। তৎকালীন বিএনপি নেতারা আমার বিরোধিতা করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। তারা প্রকৃত পক্ষে বিএনপি নয়।’
চান্দিনা উপজেলার মাইজখারে এএমএফ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গতকাল রোববার বিকালে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন- ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে দেয়। আমরা তখন এলডিপিতে ছিলাম। ২০১২ সাল থেকে বিএনপি’র সাথে ২০ দলীয় জোট করে বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে স্বৈরাচার বিরোধী সকল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। ২০১৪ সালের পাতানো নির্বাচনে ১৫৪ জন আওয়ামী লীগের নেতা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে জনগণকে সচেতন করার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। রাতের ভোটে এবং চান্দিনার তৎকালীন বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরোধীতায় আমি পরাজিত হই। সেই বিএনপি নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা এখন বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে কলস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৭ বছর আমরা স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। ব্যক্তিগত ভাবে আমি জেল খেটেছি। আমাকে হত্যার চেষ্টা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। আমি লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে গুলি করে আত্মরক্ষা করেছিলাম। অনেকেই আজকাল বড় বড় কথা বলে, কিন্তু তারা সেই আওয়ামী লীগের স্বৈর শাসনের সময় কোথায় ছিলো ? প্রশ্ন তুলেন তিনি।
এছাড়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যারা রাজাকার, আল শামস, আল বদর বাহিনী গঠন করে মুক্তিযুদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ ও আগুন দিয়ে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছিলো তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান ড. রেদোয়ান।
জনসভায় বক্তৃতা করেন- বিএনপি নেতা আবদুল বারেক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক একেএম শামসুল হক মাস্টার, অধ্যক্ষ আবু তাহের, সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন বশির প্রমুখ।