চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের জনসভায় কর্ণেল অলি আহমেদ বীর বিক্রম
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব:) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, এই দেশের জনগণ দুটি দলকে প্রত্যাখ্যান করেছে। একটি হলো আ’লীগ আরেকটি হল বিএনপি। যে দলের নেতা বলে আমি দেশে যাবো কিনা আমার উপর নির্ভর করে না। এটা নির্ভর করে অন্য বিষয়ের উপর। অর্থ্যাৎ মোদি সাহেব অনুমতি দিলে আসবে, মোদি সাহেব অনুমতি না দিলে আসবে না। আপনারা কি মোদির গোলাম? নাকি বাংলাদেশের জনগনের গোলাম। তাহলে চিন্তা করতে হবে, কোন পক্ষে যাবেন? মোদির গোলামে যাবেন, না বাংলাদেশের জনগণের গোলামীর পক্ষে যাবেন। এটা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়।
তিনি শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জোট সম্পর্কে কর্ণেল অলি বলেন, আমিও জামায়াতে যোগ দেই নাই, জামায়াতও এলডিপিতে যোগ দেয় নাই। আমরা দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তি এক হয়ে কতগুলো কর্মসুচি নিয়েছি। কর্মসুচিগুলো হলো-আমরা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবো। টেন্ডারবাজি বন্ধ করবো। দুর্নীতি বন্ধ করবো। ঋণখেলাপীদের জেলে আবদ্ধ করে ঋণগুলো পরিশোধের ব্যবস্থা করবো। এগুলো তাদের বাপের টাকা না, এগুলো জনগণের টাকা আমরা এ জনগণের টাকা উদ্ধার করবো।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, আমি বিএনপির নেতাকর্মীদের বলছি তোমরা লেখাপড়া কর, আর গুন্ডামি চলবে না। ডা. শফিকুর রহমানের সাথে বেয়াদবি করা চলবে না।। বিএনপিকে ভোট দিলে ঋন খেলাপি, সন্ত্রাসী ও মাস্তানদের হাতে চলে যাবে।
কর্ণেল অলি বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখান করেছে জনগণ। তিনি তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি মোদির কথায় চলাফেরা করেন। ১১ দল ক্ষমতায় আসলে আমরা ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করব, ঋন খেলাপিদেরকে গ্রেপ্তার করব। দেশটাকে বাঁচাতে যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। যারা ভারতের গোলামী করে, তাদেরকে আর ভোট দেবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমি ডা. শফিকুর রহমানকে অনুরোধ করব ,ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন বাড়াবেন। শিক্ষিত ও বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। এখন জাতিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনারা কি দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন নাকি ন্যায় ইনসাফের পক্ষে ভোট দেবেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ওই সভা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জামায়াত নেতা নুরে আলম খন্দকারের।
জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
ডা. তাহের বলেন, এ নির্বাচন কোন সাধারণ নির্বাচন নয়। এটি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। বাংলাদেশ টিকবে কি টিকবে না তা নির্ধারণের নির্বাচন।
জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, কুমিল্লা মহানগরী সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমীর মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, ইকবাল হোসেন মজুমদার, এমদাদুল হক শাহী, রুহুল আমিন, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা শাহজালাল, জিএস খলিলুর রহমান, এনসিপির চৌদ্দগ্রাম উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার প্রমুখ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবুল হাশেম, মহসিন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশীদসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াত শিবির নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব:) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, এই দেশের জনগণ দুটি দলকে প্রত্যাখ্যান করেছে। একটি হলো আ’লীগ আরেকটি হল বিএনপি। যে দলের নেতা বলে আমি দেশে যাবো কিনা আমার উপর নির্ভর করে না। এটা নির্ভর করে অন্য বিষয়ের উপর। অর্থ্যাৎ মোদি সাহেব অনুমতি দিলে আসবে, মোদি সাহেব অনুমতি না দিলে আসবে না। আপনারা কি মোদির গোলাম? নাকি বাংলাদেশের জনগনের গোলাম। তাহলে চিন্তা করতে হবে, কোন পক্ষে যাবেন? মোদির গোলামে যাবেন, না বাংলাদেশের জনগণের গোলামীর পক্ষে যাবেন। এটা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়।
তিনি শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জোট সম্পর্কে কর্ণেল অলি বলেন, আমিও জামায়াতে যোগ দেই নাই, জামায়াতও এলডিপিতে যোগ দেয় নাই। আমরা দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তি এক হয়ে কতগুলো কর্মসুচি নিয়েছি। কর্মসুচিগুলো হলো-আমরা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবো। টেন্ডারবাজি বন্ধ করবো। দুর্নীতি বন্ধ করবো। ঋণখেলাপীদের জেলে আবদ্ধ করে ঋণগুলো পরিশোধের ব্যবস্থা করবো। এগুলো তাদের বাপের টাকা না, এগুলো জনগণের টাকা আমরা এ জনগণের টাকা উদ্ধার করবো।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, আমি বিএনপির নেতাকর্মীদের বলছি তোমরা লেখাপড়া কর, আর গুন্ডামি চলবে না। ডা. শফিকুর রহমানের সাথে বেয়াদবি করা চলবে না।। বিএনপিকে ভোট দিলে ঋন খেলাপি, সন্ত্রাসী ও মাস্তানদের হাতে চলে যাবে।
কর্ণেল অলি বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখান করেছে জনগণ। তিনি তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি মোদির কথায় চলাফেরা করেন। ১১ দল ক্ষমতায় আসলে আমরা ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করব, ঋন খেলাপিদেরকে গ্রেপ্তার করব। দেশটাকে বাঁচাতে যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। যারা ভারতের গোলামী করে, তাদেরকে আর ভোট দেবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমি ডা. শফিকুর রহমানকে অনুরোধ করব ,ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন বাড়াবেন। শিক্ষিত ও বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। এখন জাতিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনারা কি দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন নাকি ন্যায় ইনসাফের পক্ষে ভোট দেবেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ওই সভা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জামায়াত নেতা নুরে আলম খন্দকারের।
জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
ডা. তাহের বলেন, এ নির্বাচন কোন সাধারণ নির্বাচন নয়। এটি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। বাংলাদেশ টিকবে কি টিকবে না তা নির্ধারণের নির্বাচন।
জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, কুমিল্লা মহানগরী সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমীর মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, ইকবাল হোসেন মজুমদার, এমদাদুল হক শাহী, রুহুল আমিন, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা শাহজালাল, জিএস খলিলুর রহমান, এনসিপির চৌদ্দগ্রাম উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার প্রমুখ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবুল হাশেম, মহসিন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশীদসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াত শিবির নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ।