চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চা পান করে বাসায় ফেরার পথে যাত্রীবাহী স্টার লাইন বাসের চাপায় মো. জুয়েল (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার দুপুরে ঢাকা—চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কালিকাপুর নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে মিয়াবাজার হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহাব উদ্দিন।
জুয়েল ফেনীর জেলার ফেনীর সদরের অশ^দিয়া গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে। তিনি চৌদ্দগ্রামের বাতিসার কালিকাপুর আবদুর সাত্তারের বাসায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন। পেশায় গাড়ি চালক।
প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল হামিদ জানান, নিহত জুয়েল চা পান করে রাস্তা পারাপারের সময় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়। এসময় বাসটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়।
বাসার মালিক আবদুর সাত্তার জানান, জুয়েলের ব্যবহৃত মোবাইলটি নষ্ট হওয়ায় আমার মোবাইল নিয়ে সে কথা বলবে বলে নিয়ে যায়। ১০ মিনিট পর জানতে পারি সে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। তার এক মেয়ে কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আর ছেলে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।
মিয়াবাজার হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহাব উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করেছে। পালিয়ে যাওয়া বাসটি ও তার চালককে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে জুয়েলের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চা পান করে বাসায় ফেরার পথে যাত্রীবাহী স্টার লাইন বাসের চাপায় মো. জুয়েল (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার দুপুরে ঢাকা—চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কালিকাপুর নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে মিয়াবাজার হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহাব উদ্দিন।
জুয়েল ফেনীর জেলার ফেনীর সদরের অশ^দিয়া গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে। তিনি চৌদ্দগ্রামের বাতিসার কালিকাপুর আবদুর সাত্তারের বাসায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন। পেশায় গাড়ি চালক।
প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল হামিদ জানান, নিহত জুয়েল চা পান করে রাস্তা পারাপারের সময় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়। এসময় বাসটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়।
বাসার মালিক আবদুর সাত্তার জানান, জুয়েলের ব্যবহৃত মোবাইলটি নষ্ট হওয়ায় আমার মোবাইল নিয়ে সে কথা বলবে বলে নিয়ে যায়। ১০ মিনিট পর জানতে পারি সে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। তার এক মেয়ে কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আর ছেলে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।
মিয়াবাজার হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহাব উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করেছে। পালিয়ে যাওয়া বাসটি ও তার চালককে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে জুয়েলের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।