কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকা
গাজীউল হক সোহাগ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া বেড়েছে। ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মূল বেতনের ৩০-৫০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন ১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ গেজেটে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এতে স্বাক্ষর করেন।
এর ফলে ১৫ বছর পর বাড়ি ভাড়ার সুবিধা পাচ্ছে সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান ও দপ্তর সমূহের চাকরিজীবীরা।
২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপি সরকার গঠন করে। বিএনপি সরকারের প্রথম বছরেই বর্ধিত ও ন্যায্য বাড়ি ভাড়ার বিষয়টি মঞ্জুর হয়।
জানা গেছে, দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের ন্যায় বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রাপ্যতা নিয়ে ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট প্রথমবার চিঠি দেওয়া হয়। ওই চিঠিতে কুমিল্লাকে ব্যয়বহুল এলাকা ঘোষণার দাবি জানানো হয়। এরপর ২০২১ সালের ৩ অক্টোবর কুমিল্লা সিটি করপোরেশন থেকেও ব্যয়বহুল এলাকা ঘোষণার চিঠি দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ মে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মে দিবসের এক আলোচনা সভা হয়। এতে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু। ওই অনুষ্ঠানে বার্ডের কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান হোস্টেল ব্যবস্থাপক মো. জাকির হোসেন সিটি করপোরেশন এলাকার চাকরিজীবীদের বাড়ি ভাড়ার বিষয়টি উত্থাপন করেন। এতে তিনি অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকার মতো কুমিল্লারও বাড়ি ভাড়া বর্ধিতকরণের দাবি জানান। ওই অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বলেন। পরে নথি নিয়ে বার্ডের জাকির হোসেন তাঁর কাছে যান।
পরবর্তীতে গত ২ জুলাই অর্থমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। ওই চিঠির অনুলিপি কৃষি মন্ত্রী, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য, অর্থ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসককে দেওয়া হয়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লার চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় বেতন-স্কেল চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের অধিকাংশ সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরসমূহের চাকরিজীবীদের বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রদান করা হয়। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন দীর্ঘ ১৫বছর আগে (২০১১ সালে) প্রতিষ্ঠিত হলেও এ প্রতিষ্ঠানের অধিক্ষেত্রে চাকরিজীবীগণ বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা পায় না। অপরদিকে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েও ওই এলাকার চাকরিজীবীগণ বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রাপ্ত হচ্ছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকা একটি ব্যয়বহুল এলাকা। রাজধানী ঢাকার সাথে বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রাম এর সংযোগকারী ও দেশের লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক কুমিল্লা নগরীর ওপর দিয়ে বিস্তৃত। এর প্রভাবে এ শহরের আবাসিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব সহজেই অনুমেয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, ইপিজেডসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ নগরকে সার্বক্ষণিক প্রাণবন্ত ও কর্মময় করে তুলেছে। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক স্থাপনা ও নিদর্শনের প্রাচুর্যের কারণে অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক প্রতিদিন এখানে ভ্রমণ করেন। বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণে কুমিল্লা দেশের শীর্ষে। অর্থের প্রাচুর্যে স্বভাবতঃই এখানে মানুষের ভোগ ও চাহিদা বেশি। তাই শান্তি-সুনিবিড় কুমিল্লায় আবাসনের ক্রমবর্ধমান চাহিদায় বিলাসবহুল এপার্টমেন্ট, হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। খাবার ও পোষাক-পরিচ্ছেদে এখানকার নাগরিকগণ আধুনিক ও রুচিশীল। ফলে এখানে নিত্যপণ্য, যাতায়াত, বাসাভাড়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়েই চলছে। ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার তুলনায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় জীবনযাত্রার মান ও বাসাভাড়া কোনো অংশে কম নয়। এ প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা ও যৌক্তিকতার নিরিখে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকাকে একটি ব্যয়বহুল এলাকা হিসেবে বিবেচনার জন্য চিঠিও দেওয়া হয়।
এমতাবস্থায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকাকে ব্যয়বহুল এলাকা হিসেবে অন্তর্ভুক্তিক্রমে ৯ম জাতীয় বেতন-স্কেলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি, আধাসরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের চাকরীজীবীদের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের ন্যায় বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
বার্ডের কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, ইউসুফ মোল্লা টিপুর কারণে আমরা বর্ধিত বাড়ি ভাড়া পাচ্ছি। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পর আমাদের দাবি পূরণ হলো। গেজেটও হলো।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, এটি আরও আগেই হওয়া দরকার ছিল। আমার নজরে আসার পর মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে চিঠি দেই। কৃষিমন্ত্রী মহোদয়কেও বিষয়টি জানাই। অবশেষে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার অন্তত ১০ হাজার চাকরিজীবী তাঁদের স্কেল মোতাবেক বাড়ি ভাড়া পাবেন। যা অন্যান্য জেলার বাড়ি ভাড়া থেকে বেশি।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া বেড়েছে। ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মূল বেতনের ৩০-৫০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন ১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ গেজেটে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এতে স্বাক্ষর করেন।
এর ফলে ১৫ বছর পর বাড়ি ভাড়ার সুবিধা পাচ্ছে সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান ও দপ্তর সমূহের চাকরিজীবীরা।
২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপি সরকার গঠন করে। বিএনপি সরকারের প্রথম বছরেই বর্ধিত ও ন্যায্য বাড়ি ভাড়ার বিষয়টি মঞ্জুর হয়।
জানা গেছে, দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের ন্যায় বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রাপ্যতা নিয়ে ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট প্রথমবার চিঠি দেওয়া হয়। ওই চিঠিতে কুমিল্লাকে ব্যয়বহুল এলাকা ঘোষণার দাবি জানানো হয়। এরপর ২০২১ সালের ৩ অক্টোবর কুমিল্লা সিটি করপোরেশন থেকেও ব্যয়বহুল এলাকা ঘোষণার চিঠি দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ মে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মে দিবসের এক আলোচনা সভা হয়। এতে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু। ওই অনুষ্ঠানে বার্ডের কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান হোস্টেল ব্যবস্থাপক মো. জাকির হোসেন সিটি করপোরেশন এলাকার চাকরিজীবীদের বাড়ি ভাড়ার বিষয়টি উত্থাপন করেন। এতে তিনি অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকার মতো কুমিল্লারও বাড়ি ভাড়া বর্ধিতকরণের দাবি জানান। ওই অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বলেন। পরে নথি নিয়ে বার্ডের জাকির হোসেন তাঁর কাছে যান।
পরবর্তীতে গত ২ জুলাই অর্থমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। ওই চিঠির অনুলিপি কৃষি মন্ত্রী, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য, অর্থ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসককে দেওয়া হয়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লার চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় বেতন-স্কেল চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের অধিকাংশ সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরসমূহের চাকরিজীবীদের বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রদান করা হয়। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন দীর্ঘ ১৫বছর আগে (২০১১ সালে) প্রতিষ্ঠিত হলেও এ প্রতিষ্ঠানের অধিক্ষেত্রে চাকরিজীবীগণ বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা পায় না। অপরদিকে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েও ওই এলাকার চাকরিজীবীগণ বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রাপ্ত হচ্ছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকা একটি ব্যয়বহুল এলাকা। রাজধানী ঢাকার সাথে বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রাম এর সংযোগকারী ও দেশের লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক কুমিল্লা নগরীর ওপর দিয়ে বিস্তৃত। এর প্রভাবে এ শহরের আবাসিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব সহজেই অনুমেয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, ইপিজেডসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ নগরকে সার্বক্ষণিক প্রাণবন্ত ও কর্মময় করে তুলেছে। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক স্থাপনা ও নিদর্শনের প্রাচুর্যের কারণে অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক প্রতিদিন এখানে ভ্রমণ করেন। বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণে কুমিল্লা দেশের শীর্ষে। অর্থের প্রাচুর্যে স্বভাবতঃই এখানে মানুষের ভোগ ও চাহিদা বেশি। তাই শান্তি-সুনিবিড় কুমিল্লায় আবাসনের ক্রমবর্ধমান চাহিদায় বিলাসবহুল এপার্টমেন্ট, হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। খাবার ও পোষাক-পরিচ্ছেদে এখানকার নাগরিকগণ আধুনিক ও রুচিশীল। ফলে এখানে নিত্যপণ্য, যাতায়াত, বাসাভাড়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়েই চলছে। ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার তুলনায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় জীবনযাত্রার মান ও বাসাভাড়া কোনো অংশে কম নয়। এ প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা ও যৌক্তিকতার নিরিখে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকাকে একটি ব্যয়বহুল এলাকা হিসেবে বিবেচনার জন্য চিঠিও দেওয়া হয়।
এমতাবস্থায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকাকে ব্যয়বহুল এলাকা হিসেবে অন্তর্ভুক্তিক্রমে ৯ম জাতীয় বেতন-স্কেলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি, আধাসরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের চাকরীজীবীদের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের ন্যায় বর্ধিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
বার্ডের কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, ইউসুফ মোল্লা টিপুর কারণে আমরা বর্ধিত বাড়ি ভাড়া পাচ্ছি। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পর আমাদের দাবি পূরণ হলো। গেজেটও হলো।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, এটি আরও আগেই হওয়া দরকার ছিল। আমার নজরে আসার পর মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে চিঠি দেই। কৃষিমন্ত্রী মহোদয়কেও বিষয়টি জানাই। অবশেষে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার অন্তত ১০ হাজার চাকরিজীবী তাঁদের স্কেল মোতাবেক বাড়ি ভাড়া পাবেন। যা অন্যান্য জেলার বাড়ি ভাড়া থেকে বেশি।