কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুল

এমপিওভুক্ত দক্ষ শিক্ষককে দায়িত্ব প্রদানের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
Thumbnail image

কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তাঁকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের দুই ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষককেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। খন্ডকালীন ( নন এমপিওভুক্ত) দুই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে সরিয়ে দক্ষ এমপিওভুক্ত শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের এক তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুল প্রতিষ্ঠা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ও সহকারী প্রধান শিক্ষক কোহিনুর বেগমের নেতৃত্বে একদল শিক্ষক এই বিদ্যালয়কে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে প্রথম সারির স্কুলের তালিকায় নিয়ে আসেন। কিন্তু পরবর্তীতে এই বিদ্যালয়ের নানা বিষয়ে নানা ধরনের অভিযোগ ওঠে। সর্বশেষ গত বছরের শেষের দিকে অর্থাৎ ২৭ নভেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ১২ লাখ ৩৬ হাজার টাকার হিসাব না মেলার অভিযোগ করেন ৪৪ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী। তাঁরা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগ করার পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১১ লাখ ১১ হাজার টাকা জমা দেন। এরপর তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।

এ বিদ্যালয়ে ৪৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী আছেন। এর মধ্যে ৩৯ জন শিক্ষক। ৯৮ জন খন্ডকালীন শিক্ষক আছে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রভাতী শাখার আবুল কাশেম ও দিবা শাখার রাসেল উদ্দিন মজুমদার মবের কারণে স্কুলে যেতে পারছেন না। প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেন ১২ আগস্ট থেকে বিদ্যালয়ে যেতে পারছেন না। এরপর রোকেয়া বেগমকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেওয়া হয়। পরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করা হয় নুসরাত জাহানকে। এছাড়া দিবা শাখায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয় খন্ডকালীন শিক্ষক আরিফুর রহমানকে ও প্রভাতী শাখায় খন্ডকালীন শিক্ষক নীলিমা আক্তারকে। নিয়মানুযায়ী খন্ডকালীন শিক্ষকেরা সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে যেতে পারেন না। কেউ কেউ খন্ডকালীন এই দুই শিক্ষককে ‘সহকারী পরিচালক’ও বলেন। মুলত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও নন এমপিওভুক্ত শিক্ষক দ্বন্দ্বে অচলাবস্থা মডার্ন হাইস্কুলে।

জানতে চাইলে আদর্শ সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও তদন্ত কমিটির প্রধান মো. শাহ জালাল বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন হয়েছে। কিন্তু তদন্তে কি পেয়েছি এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না। উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে কথা বলবেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

সম্পর্কিত